অভিযোগ, কারচুপি ও যোগসাজশের মাধ্যমেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল পুরুষদের। চাঞ্চল্যকর ঘটনা কাটোয়া ১ নম্বর ব্লকের আলমপুর পঞ্চায়েতের আলমপুর গ্রামের। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন এক তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান।
একজন-দু'জন নয়, প্রায় গোটা গ্রাম! এখানে পুরুষ হলেও মিলছিল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা
চাপানউতোর এলাকায়
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছেন পুরুষেরা। এক-দু’জন নয়, বছরের পর বছর ধরে একাধিক পুরুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে এই সরকারি প্রকল্পের টাকা। কোথাও অবিবাহিত পুরুষের নামে মিলেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা, কোথাও আবার একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী, দু’জনের অ্যাকাউন্টেই এসেছে প্রকল্পের অর্থ। এমনকি বাইরে কর্মরত পুরুষের অ্যাকাউন্টেও নিয়মিত জমা পড়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা।
অভিযোগ, কারচুপি ও যোগসাজশের মাধ্যমেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল পুরুষদের। চাঞ্চল্যকর ঘটনা কাটোয়া ১ নম্বর ব্লকের আলমপুর পঞ্চায়েতের আলমপুর গ্রামের। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন এক তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান। তবে মূল অভিযুক্ত এখনও গ্রামছাড়া। কীভাবে বছরের পর বছর চলল এই অনিয়ম, উঠছে প্রশ্ন ?
তৃতীয় বিয়ের ৫ দিন পরেই জোড়া সুখবর দিলেন আমির খান
অভিযোগ,এই গ্রামের কার্তিক মণ্ডল ও পঞ্চায়েত প্রধান বাবলু মোল্লার যোগসাজসে বহু পুরুষের নামে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আবেদন অনুমোদন করানো হত। পাইয়ে দেওয়া হতো প্রকল্পের বরাদ্দ ১২০০ টাকা। পরিবর্তে, উপভোক্তাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হতো।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন গ্রামের এক অবিবাহিত যুবক। একইসঙ্গে এক মহিলা উপভোক্তা জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই এই প্রকল্পের টাকা আসত। অভিযোগ, মূল অভিযুক্ত কার্তিক মণ্ডল তাদের ভুল বুঝিয়ে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করে তাঁদের অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাইয়ে দিত। যদিও তাঁদের দাবি, কিসের টাকা তা তারা জানতেন না।
অন্যদিকে সাফাই দিতে দেখা গিয়েছে কার্তিক মণ্ডলের স্ত্রীকেও। তিনি বলছেন, আমার স্বামী ভুল করেছে ঠিকই। কিন্তু সে একা টাকা নেয়নি। যাদের নামে টাকা ঢুকতো, তারাও সেই টাকা পেত।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours