November 2025

শিলিগুড়ি নিয়ে সর্বস্তরে আলোচনা, তৈরি হচ্ছে নতুন সামরিক ঘাঁটি

২২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত রয়েছে শিলিগুড়ি করিডর। এই একটা পথ জুড়ে দিয়েছে ভারতের উত্তর-পূর্বকে। সেভেন সিস্টারের ৪ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশির মানুষের নিরাপত্তা টিকে রয়েছে এই একটা অংশের উপর। সুতরাং, সেই অংশে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বাড়তি জোর দেওয়াটাই স্বাভাবিক।


শিলিগুড়ি: পূর্বাঞ্চলের অত্য়ন্ত সংবেদনশীল এলাকা। ২২ কিলোমিটার সরু ভূভাগ। যা জুড়ে দিচ্ছে ‘সেভেন সিস্টার’কে। আর এই এলাকার একদিকে চিন, অন্যদিকে বাংলাদেশ। এই বৈশিষ্ট্যর জেরেই ভারতের অন্য়তম গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে শিলিগুড়ি করিডর। সম্প্রতি এই শিলিগুড়িতেই হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠক। জাতীয় নিরাপত্তা দল, বিএসএফ, রাজ্য পুলিশ-সহ দেশের বিভিন্ন নিরাপত্তা দফতরের কর্তারা যোগ দেন সেই বৈঠকে। এরপরই শিলিগুড়ি করিডরে নতুন সেনা ঘাঁটি তৈরির ইঙ্গিত দিল নয়াদিল্লি।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্য়ম ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিলিগুড়ি করিডরে তিনটি নতুন সেনা ঘাঁটি তৈরি করতে চলেছে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। কিন্তু এই তিনটি সেনা ঘাঁটি নিয়ে এখনও পর্যন্ত বিশেষ কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আৃসেনি। কত সেনা, কত আর্টিলারি মোতায়েন করতে চলেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, সেই নিয়ে বিশেষ কোনও তথ্য দেয়নি তাঁরা। সূত্রের খবর, বাংলাদেশ সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতেই নতুন তিনটি সেনাঘাঁটি তৈরি করবে মন্ত্রক। নজরে রাখবে চিনকেও। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঙ্কটকালে এমন সিদ্ধান্ত কার্যত বেনজির।


২২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত রয়েছে শিলিগুড়ি করিডর। এই একটা পথ জুড়ে দিয়েছে ভারতের উত্তর-পূর্বকে। সেভেন সিস্টারের ৪ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশির মানুষের নিরাপত্তা টিকে রয়েছে এই একটা অংশের উপর। সুতরাং, সেই অংশে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বাড়তি জোর দেওয়াটাই স্বাভাবিক। তার মধ্যে আবার বাংলাদেশে বদলে যাওয়া ‘জল-হাওয়া’ তৈরি করেছে উদ্বেগ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার তৈরি হতেই বইতে শুরু করেছে ‘ভারতবিরোধী’ হাওয়া। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়েছে পদ্মাপাড়। দুই দেশের সেনা কর্তাদের মধ্যে বেড়েছে যাতায়াত। সম্প্রতিই, এই সঙ্কটকালের মধ্যে বাংলাদেশে এসেছিলেন জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর প্রধান হাফিজ সৈয়দের ঘনিষ্ঠ ইবতিসাম ইলাহি জহির। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া একাধিক গ্রামে গিয়ে বৈঠক ও সভা করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক স্তরে এই ইবতিসাম ও তাঁর সংগঠন ভারতবিরোধী বার্তা ছড়ানোর কাজই করে থাকে। এবার সেই অভিসন্ধি দেখা গেল তাঁর সদ্য মেটা বাংলাদেশ সফরেও।


জুলফিকরের কাকাও বাবা, শ্বশুরও বাবা! আসল বাবা কে? ধন্দে সবাই
দু'টি বুথে রয়েছেন ওই ব্যক্তির দু'জন বাবা। অভিযোগ, একটি বুথে নিজের কাকুকে বাবা বানিয়েছেন আবার অপর একটি বুথে নিজের শ্বশুরকে বাবা বানিয়েছেন। তবে নিজের আসল বাবারই নেই কোনও অস্বিত্ব। আর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নন্দীগ্রামে আলোচনা শুরু।


জুলফিকরের কাকাও বাবা, শ্বশুরও বাবা! আসল বাবা কে? ধন্দে সবাই
জুলফিকর


এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া বাংলায় চালু হতেই দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন ছবি। কখনও শ্বশুরকে বাবা বানানোর অভিযোগ সামনে এসেছে, কখনও খবর মিলছে একজন ব্যক্তির দু’জন স্ত্রী। আর এবার খোঁজ মিলল একজনের দু’দুজন বাবার। দু’টি বুথে রয়েছেন ওই ব্যক্তির দু’জন বাবা। অভিযোগ, একটি বুথে নিজের কাকুকে বাবা বানিয়েছেন আবার অপর একটি বুথে নিজের শ্বশুরকে বাবা বানিয়েছেন। তবে নিজের আসল বাবারই নেই কোনও অস্বিত্ব। আর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নন্দীগ্রামে আলোচনা শুরু।

পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের দাউদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা শেখ জুলফিকার। তাঁর আসল বাবা শেখ মণিরুল ইসলাম। এই মণিরুল ইসলামের ভাই অর্থাৎ জুলফিকারের কাকু শেখ মফিজুল ইসলাম দাউদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নয়নান গ্রামে ১৯৩ নম্বর বুথের বাসিন্দা। তিনিই প্রথম নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের বিডিওর কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। শেখ মফিজুলের অভিযোগ, তাঁর দাদা অর্থাৎ মণিরুল ইসলাম তিনি এখনো জীবিত রয়েছেন। তাঁর দাদার ছেলে শেখ জুলফিকার বর্তমানে নন্দীগ্রামের কেন্দামারি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার গোপীমোহনপুরে বিয়ে করেছেন। এখন নিজের শ্বশুরবাড়িতেই ২১৩ নম্বর বুথে বসবাস করেন। অথচ, তিনি দাউদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ১৯৩ নম্বর বুথে নিজের বাবাকে বাদ দিয়েছেন। আর কাকাকে বাবা সাজিয়ে মফিজুলের নাম তুলেছেন। আবার কেন্দ্রামারী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার গোপী মোহনপুর ২১৩ নম্বর বুথে বাবা হিসেবে শ্বশুরের নাম শেখ এনামুল হোসেনকে দেখিয়ে ভোটার লিস্টে তুলেছেন। অর্থাৎ দুটো বুথেই ভোটার কার্ড রয়েছে। আবার দু’জন বাবাও রয়েছেন। তিনি বলেন, “জুলফিকর আমার দাদার ছেলে। ভোটার লিস্টে দেখি আমায় বাবা বানিয়ে লিস্ট বানিয়েছে। ও যেই ঠিকানা দিয়েছে এখানে থাকে না। আর যেখানে থাকে সেখানে শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে দিয়েছে।”


 তবে এই টাকাটা এসআইআর-এর দরুন নয়, বরং বিএলও-র দায়িত্ব নিলেই বার্ষিক এই সাম্মানিক প্রদান করা হয়ে থাকে। অবশ্য, যেহেতু এসআইআর-এর কাজে বাড়তি ইন্টারনেট খরচ হচ্ছে, তাই সেই কথা মাথায় রেখে বিএলওদের ডেটা প্য়াকের জন্য অতিরিক্ত ১ হাজার দেওয়া হবে বলেই খবর কমিশন সূত্রে।


শেষের পথে SIR-এর কাজ! কবে ঢুকবে প্রাপ্য টাকা? প্রশ্ন বিএলওদের
কবে মিলবে প্রাপ্য টাকা?


এতদিন ইস্যুগুলো ছিল অন্য। কাজের বাড়তি চাপ, ইন্টারনেট সমস্য়া, সার্ভার ডাউন, এসব নিয়ে জর্জরিত ছিলেন রাজ্যের একাংশের বিএলও-রা। তবে সেই সব বাধা পেরিয়ে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের কাজ অনেকটাই শেষ করেছেন একাংশের বিএলওরা। কারওর সম্পূর্ণ কাজ শেষ, কারওর বা ৯০ শতাংশ। কিন্তু কাজ শেষের দিকে চলে এলেও প্রাপ্য সাম্মানিক এখনও পায়নি তাঁরা, এমনটাই অভিযোগ।

এদিন বাঁকুড়ার এক বুথের বিএলও দেবাশিষ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘শুনেছি, কিছু টাকা দেবে। কিন্তু কবে দেব বা কত টাকা দেবে সেই নিয়ে এখনও কোনও তথ্য আমার কাছে নেই। কমিশনের উর্ধ্বতন কর্তারাও কোনও উচ্চবাচ্য করেনি।’ সূত্রের খবর, শুধুমাত্র এসআইআর-এর কাজের জন্য কোনও সাম্মানিক নির্ধারণ করেনি নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি বিএলও-দের প্রাপ্য় বা সাম্মানিক দ্বিগুণ বাড়িয়েছে তাঁরা। আগে সারাবছর ধরে চলা নানা কাজের জন্য ৬ হাজার টাকা পেতেন বিএলওরা। এবার সেই সাম্মানিককেই দ্বিগুণ করে ১২ হাজার করেছে কমিশন।



 ঘরে ঢুকতে না দেওয়া নিয়ে ঝামেলা! স্বামীকে খুনই করে ফেলল স্ত্রী? শোরগোল মালদহে
তবে এই টাকাটা এসআইআর-এর দরুন নয়, বরং বিএলও-র দায়িত্ব নিলেই বার্ষিক এই সাম্মানিক প্রদান করা হয়ে থাকে। অবশ্য, যেহেতু এসআইআর-এর কাজে বাড়তি ইন্টারনেট খরচ হচ্ছে, তাই সেই কথা মাথায় রেখে বিএলওদের ডেটা প্য়াকের জন্য অতিরিক্ত ১ হাজার দেওয়া হবে বলেই খবর কমিশন সূত্রে।

এই প্রাপ্য নিয়ে একই স্বীকারোক্তি বাঁকুড়া শহরের আরেক বিএলও সজল বাগদীর। এদিন তিনি বলেন, ‘কাজ নিয়ে খুব চাপে রয়েছি। তাই টাকাটা কবে ঢুকবে সেই নিয়ে তদারকি করা হয়নি। সাম্মানিক বাড়ানোর একটা মেসেজ পেয়েছিলাম। পাশাপাশি মোবাইল রিচার্জের দরুনও একটা টাকা দেবে বলেছে। কিন্তু কোনওটাই এখনও হাতে পাইনি।’ একই সুর শিলিগুড়ি শহরের ৮৩ নং পার্টের বিএলও প্রদীপ ঘোষেরও। তাঁর কথায়, ‘কমিশন টাকা দেবে বলেছে। আমার কাজ শেষ। কিন্তু এখনও কোনও টাকা পাইনি।’


সপ্তাহ পেরতে পারেনি। তার আগেই চিঠিতে দেওয়া প্রতিশ্রতি পূরণ করল মাওবাদীরা। রবিবার ছত্তীসগঢ়ে একযোগে আত্মসমর্পণ করল ৩৭ জন মাওবাদী। দন্তেওয়াড়া জেলায় সিআরপিএফ এবং পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন তাঁরা। যাঁদের মধ্য়ে ১২ জন মহিলাও রয়েছেন।


কমান্ডরদের হারিয়ে 'মরচে ধরেছে' সংগঠনে, একযোগে আত্মসমর্পণ ৩৭ মাওবাদীর
প্রতীকী ছবি


সংগঠনে যে মরচে ধরেছে, তা অনেক আগেই স্পষ্ট হয়েছে। ধীরে ধীরে নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছে মাওবাদীরা। কমান্ডরদের হারিয়ে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ থেকে সরে আসছে তাঁরা। সম্প্রতি অভিযান বন্ধ রাখার জন্য তিন রাজ্যের মুখ্য়মন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিল মাওবাদীদের মহারাষ্ট্র-ছত্তীসগঢ়-মধ্যপ্রদেশ স্পেশাল জ়োনাল কমিটির নেতৃত্ব।

সপ্তাহ পেরতে পারেনি। তার আগেই চিঠিতে দেওয়া প্রতিশ্রতি পূরণ করল মাওবাদীরা। রবিবার ছত্তীসগঢ়ে একযোগে আত্মসমর্পণ করল ৩৭ জন মাওবাদী। দন্তেওয়াড়া জেলায় সিআরপিএফ এবং পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন তাঁরা। যাঁদের মধ্য়ে ১২ জন মহিলাও রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, এঁদের সকলের মাথার দাম প্রায় ৬৫ লক্ষ টাকার কাছাকাছি।



পুলিশের পরীক্ষার প্রশ্ন আগেই দিয়ে দেবেন বলে টাকা তুলছিলেন, গ্রেফতার সিভিক ভলান্টিয়র
এদিন দন্তেওয়াড়া জেলার পুলিশ সুপার গৌরব রাই জানিয়েছেন, ‘পুনা মার্গেম কর্মসূচির আওতায় আত্মসমর্পণ করেছেন এই মাওবাদীরা। এই অভিযান সশস্ত্র নয়, বরং শান্তি বার্তার মাধ্যমে মাওবাদীদের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনার কাজ করে থাকে। রবিবার আত্মসমর্পণকারীদের জন্যও সেই ব্যবস্থাই করা হয়েছে।’

গত দু’বছরে এই ‘পুনা মার্গেম’ কর্মসূচির মাধ্যমে শুধুমাত্র ছত্তীসগঢ়ে আত্মসমর্পণ করেছেন ৫০৮ জন মাওবাদী। যাঁদের মধ্য়ে ১৬৫ জনকে হন্যি হয়ে খুঁজছিল পুলিশ-প্রশাসন। আপাতত এঁদের প্রত্যেককেই পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে বলেই দাবি পুলিশ সুপারের। রবিবার আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে মোট ২৭ জন মাওবাদীর মাথার দাম নির্ধারণ করেছিল প্রশাসন। অর্থাৎ নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে এরা ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’। যাদের মধ্য়ে উল্লেখযোগ্য বেশ কয়েকটি নাম হল, কুমালি ওরফে অনিতা মাণ্ডবী, গীতা ওরফে লক্ষ্মী মড়কম, রঞ্জন ওরফে সোমা মাণ্ডবী এবং ভীম ওরফে জাহাজ কালমু। এই চার জনের মাথার দাম ছিল ৮ লক্ষ টাকা।

প্রসঙ্গত, আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্য়ে দেশকে মাওবাদ মুক্ত করার লক্ষ্য়মাত্রা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই সূত্র ধরেই মহারাষ্ট্র, ছত্তীসগঢ়ে দিনভর চলছে অভিযান। খতম করা হয়েছে মাওবাদী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডদেরও। তারপর থেকে ভিত নড়ে গিয়েছে গোটা সংগঠনের। আত্মসমর্পণের দিকেই ঝুঁকেছে নীচু স্তরের মাওবাদীরা।

অবশ্য তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনও আপত্তি নেই বলেই জানিয়েছিলেন প্রেস সচিব শফিকুল ইসলাম। শনিবার রাতে নিজের সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, 'তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তাঁর অবারিত এবং একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। সরকারের তরফে এ বিষয়ে কোনও বাধা বা আপত্তি নেই।'

 তারেককে 'ওয়ান টাইম পাস' দিতে তৈরি ইউনূস সরকার, ফিরতে রাজি খালেদা পুত্র?
ফিরবেন তারেক?


গুরুত্বর অসুস্থ বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। এদিকে পুত্র তারেক রহমান পড়ে রয়েছেন সহস্র কিলোমিটার দূরে। নিজের সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্য়ান ইঙ্গিতে জানিয়েছেন, দেশের ফেরার বিষয়টা তাঁর একক সিদ্ধান্তের মধ্য়ে পড়ে না। অর্থাৎ বাধা রয়েছে বলেই ইঙ্গিত তাঁর।

অবশ্য তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনও আপত্তি নেই বলেই জানিয়েছিলেন প্রেস সচিব শফিকুল ইসলাম। শনিবার রাতে নিজের সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তাঁর অবারিত এবং একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। সরকারের তরফে এ বিষয়ে কোনও বাধা বা আপত্তি নেই।’



আপনিও চড়তে পারবেন ভারতীয় সেনার যুদ্ধজাহাজে, কীভাবে জানুন?
রবিবার তারেক প্রসঙ্গে মুখ খুলেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র দফতরও (বিদেশমন্ত্রক)। তারেক রহমানকে ‘ওয়ান টাইম পাস’ দিতে তৈরি তাঁরা। রবিবার বাংলাদেশের জাতীয় প্রেস ক্লাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘কারওর কাছে যদি পাসপোর্ট না থাকে বা সেই পাসপোর্টের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলে, সেই ক্ষেত্রে তাঁকে আমরা ওয়ান টাইম পাস দিয়ে থাকি। এটা দিতে মাত্র একদিনের সময় প্রয়োজন। কাজেই তারেক যদি আজকেই আসবেন বলেন, তা হলে আমরা আগামিকাল ওনাকে পাস দিতে দিতে পারি।’ পাশাপাশি, তারেকের সমাজমাধ্যমে তোলা দাবিকেও নস্য়াৎ করেছেন উপদেষ্টা। তাঁর কথায়, ‘ওনার দেশে ফেরায় আমাদের কোনও আপত্তি নেই।’

প্রসঙ্গত, গত রবিবার থেকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়েছেন তিনি। শরীরের একাধিক অংশে জল জমেছে তাঁর। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে একটি মেডিক্যাল টিমও গঠন করা হয়েছে। মাঝে খালেদা জিয়াকে নিয়ে সিঙ্গাপুর যাওয়ার ভাবনাচিন্তা চলছিল। তবে এই পরিস্থিতিতে তাঁকে হাসপাতাল থেকে এক পা দূরত্বে নিয়েও যাওয়ায় কঠিন বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

 
গত বাদল অধিবেশনে SIR এবং বাঙালিদের উপর আক্রমনের প্রতিবাদের ইস্যুতে কংগ্রেসের সঙ্গে একজোট হয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল। এরইমধ্যে এবারও সংসদে একজোট হয়ে SIR নিয়ে আলোচনার দাবি জানাতে চলেছে বিরোধীরা। বিজেপি সূত্রে খবর, এই দাবি কোনওভাবেই মানতে নারাজ সরকার পক্ষ।

আসন্ন বিধানসভা ভোটে জোট বাঁধবে কংগ্রেস-তৃণমূল? কী বলছে দিল্লির সমীকরণ?
প্রতীকী ছবি

লোকসভা ভোটে একইসঙ্গে ছিল ইন্ডিয়া জোটে। তারপর গঙ্গা আর যমুনা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। দুই দলের সম্পর্কের সমীকরণে এসেছে কত শত বদল। কিন্তু আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কি জোট বাঁধবে কংগ্রেস-তৃণমূল? জোট না হলেও সমঝোতা কি হবে? ওয়াকিবহাল মহলের বড় অংশের মতে ইঙ্গিত স্পষ্ট হবে সংসদে শীতকালীন অধিবেশনে বিরোধীবৃত্তে তৃণমূলের অবস্থানেই। সোমবার সকাল দশটায় নিজের অফিসে ইন্ডিয়া জোটের ফ্লোর লিডারদের বৈঠক ডেকেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। তৃণমূল এই বৈঠকে যোগ দেবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। 

সূত্রের খবর, বিহার বিপর্যয়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসের নেতৃত্ব নিয়ে ফের আপত্তি তুলতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। সেক্ষেত্রে বাংলায় কাছাকাছি আসার সম্ভাবনা ঘিরেও তৈরি হবে ধোঁয়াশা। আবার সংসদে SIR নিয়ে ঝড় তোলার ইস্যুতে আরজেডি, বাম, ডিএমকে-র মতো একইসঙ্গে প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস এবং তৃণমূলও। কিন্তু কংগ্রেসের সঙ্গে এ বিষয়ে ফ্লোর কো-অর্ডিনেশন বা যৌথ বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। 


প্রসঙ্গত, গত বাদল অধিবেশনে SIR এবং বাঙালিদের উপর আক্রমনের প্রতিবাদের ইস্যুতে কংগ্রেসের সঙ্গে একজোট হয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল। এরইমধ্যে এবারও সংসদে একজোট হয়ে SIR নিয়ে আলোচনার দাবি জানাতে চলেছে বিরোধীরা। বিজেপি সূত্রে খবর, এই দাবি কোনওভাবেই মানতে নারাজ সরকার পক্ষ। এবার সংসদে শীতকালীন অধিবেশন শুরু হতে চলেছে ১ ডিসেম্বর থেকে। তার আগে ৩০ নভেম্বর সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেখানেই বা কংগ্রেস-তৃণমূলের সম্পর্কের রসায়ন কেমন থাকে সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। অন্যদিকে বাংলায় আবার আলাদা করে বামেরা কংগ্রেসের হাত ধরবে কিনা তাও নিশ্চিত হয়নি। ভোটের আগে জল এখন কোনদিকে গড়ায় সেটাই দেখার। 


বীরভূমের নলহাটি দু'নম্বর ব্লকের ভগলদিঘি গ্রামের বাসিন্দা আবদুল আলিম শেখ, আতাউর রহমান, সেলিম শেখ, মণিরুল ইসলাম, নুর আলম। প্রায় পঁচিশ বছর ধরে ওড়িশার আগরপাড়ার পারকুন্দায় শ্রমিকের কাজ করেন। গতকাল বিকেলে হঠাৎই তাঁদের ওড়িশার আগরপাড়া থানায় ডেকে পাঠানো হয়। তারপর তাঁদের আটক করা হয়।


আধার-ভোটার দেখিয়েও মিলল না রেহাই, ডিটেনশন ক্যাম্পে ঠাঁই হল ৫ জনের
আটক পাঁচজন

কয়েকদিন আগের ঘটনা। পূর্ব মেদিনীপুরের কয়েকজন শ্রমিককে ওড়িশায় বাংলাদেশি সন্দেহে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠছিল। আবারও পুনরাবৃত্তি এই ঘটনার। ওড়িশায় আরও একবার বাংলার পাঁচ পরিযায়ী শ্রমিককে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করল সেখানকার পুলিশ। আটক শ্রমিকরা প্রত্যেকে বীরভূমের নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের ভগলদিঘি গ্রামের বাসিন্দা।

আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ির সদস্যের দাবি, এই পাঁচজন পরিযায়ী শ্রমিককে ওড়িশার ভদ্রকের আগরপাড়া থানায় প্রথমে ডেকে পাঠানো হয়। তারপর তাঁদের আটক করে ওড়িশা পুলিশ। আটক শ্রমিকদের ভোটার কার্ড, আধার কার্ড,প্যান কার্ড দেখার পরেও তাঁদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে সন্দেহ করেন পুলিশ আধিকারিকরা। এ দিকে, এই ঘটনায় চিন্তায় পড়েছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।


'...নয়ত চাকরি যাবে', কাজ ঠিকঠাক হচ্ছে না বলে দাবি উদয়নের
বীরভূমের নলহাটি দু’নম্বর ব্লকের ভগলদিঘি গ্রামের বাসিন্দা আবদুল আলিম শেখ, আতাউর রহমান, সেলিম শেখ, মণিরুল ইসলাম, নুর আলম। প্রায় পঁচিশ বছর ধরে ওড়িশার আগরপাড়ার পারকুন্দায় শ্রমিকের কাজ করেন। গতকাল বিকেলে হঠাৎই তাঁদের ওড়িশার আগরপাড়া থানায় ডেকে পাঠানো হয়। তারপর তাঁদের আটক করা হয়। সেখান থেকে পাঁচজনকেই ভদ্রকের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হয়েছে বলে পরিবারের লোকজন দাবি করেছেন ।

এদিকে আটক শ্রমিকদের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম দিয়েছেন BLO। পরিবারগুলির দাবি, আটকে থাকা পাঁচজনের নামই রয়েছে তালিকায়। কারোর নিজের নাম রয়েছে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় কারও আবার বাবার নাম রয়েছে সেখানে। এরপরও তাঁদের বাংলাদেশি সন্দেহে ওড়িশার পুলিশ আটক করে পাঁচজনকে ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রেখেছে। আটক শ্রমিকের আত্মীয় মাহবুদ আলম বলেন, “আমি দশ দিন আগে ওড়িশায় ছিলাম। আমাদের ডাকল পুলিশ। বলল তোরা বাংলাদেশি কি না দেখব। তারপরের দিন আধার নিয়ে গেলাম। দেখালাম। প্রথম বলেছিল ভেরিফাই হবে। তারপর দেখলাম ভেরিফাই হল না। আমাদের ক্যাম্পে রেখে দিল। বলল আমরা নাকি বাংলাদেশি।”
 করবিন বশের বলে ছয় মেরে হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেছিলেন বিরাট কোহলি। এরপর দেখতে দেখতে বিরাট করে ফেললেন ওডিআই কেরিয়ারের ৫২তম সেঞ্চুরি। কোহলি প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে ১০২ বলে হাঁকালেন সেঞ্চুরি।

রাঁচিতে বিরাট কোহলির শাসন! সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে প্রমাণ দিলেন রানমেশিনের ধার এখনও কমেনি
রাঁচিতে বিরাট কোহলির শাসন, ৯ মাস পর হাঁকালেন দুরন্ত সেঞ্চুরি
রুদ্ধে ১০২ বলে হাঁকালেন সেঞ্চুরি। শতরানের পথে কোহলির ব্যাটে এসেছে ৭টি চার আর ৫টি ছয়। করবিন বশের বলে ছয় মেরে হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেছিলেন কোহলি। দেখতে দেখতে করে ফেললেন ওডিআই কেরিয়ারের ৫২তম সেঞ্চুরি।

রানমেশিনের ধার কমেনি
দীর্ঘ ৯ মাস পর বিরাট কোহলির ব্যাটে এল সেঞ্চুরি। এর আগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুবাইতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচে ২৩ ফেব্রুয়ারি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন বিরাট। হয়েছিলেন ম্যাচের সেরা। সেই দিন থেকে যদি ফেরা যায় বর্তমানে, কিং কোহলির ব্যাটের ধার যে কমেনি তা আবারও একবার প্রমাণিত হল। দেশের জার্সিতে তিন ফর্ম্যাট মিলিয়ে এটি কোহলির ৮৩তম শতরান। ধোনির শহরে বিরাটের সেঞ্চুরি পূর্ণ হতেই হাউসফুল গ্যালারিতে থাকা দর্শকরা উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন।




বিরাটের বিশাল ইনিংস!
রাঁচিতে যশস্বীর উইকেট পড়ার পর নামেন বিরাট। রোহিতের সঙ্গে জুটিতে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। রোহিত-বিরাটের জুটিতে ওঠে ১৩৬ রান। এরপর দ্রুত তিনটে আরও উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত। তবে বিরাটকে দেখেই বোঝা যাচ্ছিল, তাঁকে ক্রিজ থেকে টলানো এতটাও সহজ নয়। হলও সেটাই। এরপর পঞ্চম উইকেটে লোকেশ রাহুলের সঙ্গে জুটি বাঁধেন বিরাট।



ডাবল সেঞ্চুরি হল না…
সেঞ্চুরির পর কোহলি যেন অন্য গিয়ার বেছে নেন। পরের কয়েকটা ওভারে একের পর এক চার আর ছয় মারতে থাকেন। যে গতিতে বিরাট এগোচ্ছিলেন, ক্রিকেট প্রেমীরা ভাবছিলেন ২০০ লোডিং। কিন্তু শেষ অবধি তেমনটা হল না। ১২০ বলে ১৩৫ রান করে থামলেন বিরাট। এই ইনিংস তিনি সাজালেন ১১টা চার ও ৭টি ছয় দিয়ে। ৪৩তম ওভারে কোহলির উইকেট তুলে নেন নান্দ্রে বার্গার।

আগামিকাল অর্থাৎ সোমবার থেকে সংসদে শুরু হচ্ছে শীতকালীন অধিবেশন। চলবে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ছুটির দিনগুলি বাদ দিয়ে মোট ১৫ দিন অধিবেশন চলবে। সাধারণভাবে শীতকালীন অধিবেশন চলে ২০ দিন ধরে। কিন্তু এবারে সময়ে কাটছাঁট করেছে কেন্দ্র।

বিএলওদের মৃত্যু থেকে দিল্লি বিস্ফোরণ! আলোচনা চায় বিরোধীরা, শিষ্টাচার বজায় রাখার পক্ষে সওয়াল কেন্দ্রের
কী কী বিষয়ে হবে আলোচনা?


বাদল অধিবেশনের সময়ও এক দাবি ছিল বিরোধীদের। তখনও সরব হয়েছিল ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন নিয়ে আলোচনার জন্য। শীতকালীন অধিবেশন শুরুর পূর্বেও জিইয়ে রাখা হল সেই দাবিকেই। সোমবার অধিবেশন শুরুর ঠিক একদিন আগে প্রথামাফিক সব দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেছে কেন্দ্র। এই বৈঠকে অধিবেশনের কার্যসূচি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আর সেখানেই এসআইআর আলোচনার দাবিতে অনড় থেকেছে বিরোধী শিবির।

বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এসআইআর, দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে আলোচনার দাবি জানানো হয়েছে বিরোধীদের তরফে। পাশাপাশি, দেশের একাধিক রাজ্য়ে এসআইআর-এর কাজের চাপে হওয়া বিএলও মৃত্যুকেও ইস্যু করতে চায় বিরোধী শিবির। পাল্টা, আগামী ১৫ দিন সুষ্ঠভাবে অধিবেশন চালানোর জন্য বিরোধী দলগুলির সাহায্য় চেয়েছে শাসকশিবির।



এদিন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, ‘সর্বদলীয় বৈঠক বেশ ইতিবাচক হয়েছে। মোট ৩৬টি দলের ৫০ জন প্রতিনিধি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। এসআইআর নিয়ে আলোচনার পক্ষেই সওয়াল করেছে তাঁরা।’ অবশ্য, গোটা শীতকালীন অধিবেশনে সংসদের আলোচনার অভিমুখ কোন দিকে থাকবে, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটা ব্যবসায়ীক উপদেষ্টা কমিটি নেবেই বলে দাবি মন্ত্রীর।

উল্লেখ্য, আগামিকাল অর্থাৎ সোমবার থেকে সংসদে শুরু হচ্ছে শীতকালীন অধিবেশন। চলবে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ছুটির দিনগুলি বাদ দিয়ে মোট ১৫ দিন অধিবেশন চলবে। সাধারণভাবে শীতকালীন অধিবেশন চলে ২০ দিন ধরে। কিন্তু এবারে সময়ে কাটছাঁট করেছে কেন্দ্র। যা ঘিরে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে কংগ্রেস-সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলি। কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈর দাবি, সময় কমিয়ে দেশে সংসদীয় ব্যবস্থাকে খর্ব করতে চাইছে বিজেপি।


বারবারই জাহাঙ্গির খানের নাম উঠে আসছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কে এই জাহাঙ্গির খান? এলাকায় কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরেই জাহাঙ্গির তৃণমূল করে আসছেন। কিন্তু ২০২০ সাল থেকে তাঁর এলাকায় দাপট। সে বছর থেকে জাহাঙ্গিরই এলাকায় শেষ কথা হয়ে ওঠেন। ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসায় নাম জড়ায় তাঁদের।


 রাজ্যে এসআইআর-কে কেন্দ্র করে বহু জলঘোলা হয়েছে। তার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা। সেখান থেকে উঠেছে অভিযোগের পাহাড়। বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে জাহাঙ্গির খান। অভিযোগ উঠছে, বিএলও-দের চাপ দিয়ে ভোটার তালিকায় মৃতদের নাম তোলা হচ্ছে। তাতে উঠে এসেছে এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানের নাম। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগে একাধিক বার সরব হতে দেখা গিয়েছে ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়া অভিজিৎ দাস ওরফে ববিকে। তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে বারবার জাহাঙ্গির খানের নাম উল্লেখ করে পোস্ট করেছেন। অতি সম্প্রতি তিনি পোস্ট করে অভিযোগ করেছেন, ফলতার বিডিও-কে চাপ দিয়ে জাহাঙ্গির মৃত ভোটারদের নাম তালিকায় তোলাচ্ছেন। এরপর সাংবাদিক বৈঠক করে রীতিমতো মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁকে এলাকায় এসে সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। এরপরই ফলতায় কমিশনের বিশেষ টিম।

বারবারই জাহাঙ্গির খানের নাম উঠে আসছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কে এই জাহাঙ্গির খান? এলাকায় কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরেই জাহাঙ্গির তৃণমূল দলটা করে আসছেন। কিন্তু ২০২০ সাল থেকে তাঁর এলাকায় দাপট। সে বছর থেকে জাহাঙ্গিরই এলাকায় শেষ কথা হয়ে ওঠেন। তরুণ নেতা, তবে তাঁর কথায় এলাকার বর্ষীয়ান নেতারাও গণ্য করেন বলে জানা যাচ্ছে। ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসায় নাম জড়ায় তাঁদের। ২০২১ সালের পর খুন, ধর্ষণ, লুঠ-সহ একাধিক অভিযোগ ওঠে। তবে পুলিশ সূত্রে খবর, অধিকাংশ অভিযোগে এফআইআর-ও হয়নি।



২০২৪ সালে বিজেপি তাঁর বিরুদ্ধে হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগ তোলে। এবার ২০২৫ সালে এসআইআর চলাকালীন ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। অভিযোগ, জাহাঙ্গির প্রভাব এতটাই যে তিনি বিডিও-কেও প্রভাবিত করতে পারে।

কমিশনের কাজ দেখতে রাজ্যে এসআইআর-এর স্পেশ্যাল ১৩! অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের ফলতায় বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। শনিবারই তাঁরা বৈঠক করেছেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে। রবিবার দুপুর ১২ টা নাগাদ তিনি ফলতায় বিডিও অফিসে গিয়ে পৌঁছেছেন। প্রথম পর্যায়ের বৈঠক ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।

এদিকে, এবার রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আরও একটি আশঙ্কার কথা প্রকাশ করেছেন। তাতেও নাম জড়িয়েছে জাহাঙ্গিরের। কমিশনের যে বিশেষ টিম ফলতায় পৌঁছেছে, তাঁদের ওপর হামলার আশঙ্কা করছেন শুভেন্দু। জাহাঙ্গির ৩০০ মহিলা জড়ো করেছেন বলে দাবি শুভেন্দুর। সেক্ষেত্রে মাথা পিছু মহিলাদের ৫০০ টাকা দিয়ে হামলার ছক কষেছেন। শুভেন্দুর দাবি, জিপি অফিসের উপরেই ব্যাঙ্কয়েট হলে জড়ো হয়েছেন। শুভেন্দুর আরও ভয়ঙ্কর অভিযোগ, প্রত্যেক মহিলাকে জাহাঙ্গির প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। এমনকি তাতে হাত রয়েছে ফলতার বিডিও-রও। যদিও এই বিষয়ে জাহাঙ্গিরের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।


শুভেন্দু নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে একটি আশঙ্কার কথা প্রকাশ করেছেন। তাতেও কেন্দ্রবিন্দুতে দাপুটে নেতা জাহাঙ্গির খানের নাম। কমিশনের যে বিশেষ টিম ফলতায় পৌঁছেছে, তাঁদের ওপর হামলার আশঙ্কা করছেন শুভেন্দু। জাহাঙ্গির ৩০০ মহিলা জড়ো করেছেন বলে দাবি শুভেন্দুর। 

৫০০ মহিলা জড়ো করা হয়েছে', ফলতায় কমিশনের টিমের ওপর হামলার আশঙ্কা শুভেন্দুর
শুভেন্দু অধিকারীর নিশানায় জাহাঙ্গির খান


ফলতায় উঠেছে মৃত ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার অভিযোগ। কমিশনের কাজ খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই ফলতায় পৌঁছেছে কমিশনের ১৩ সদস্যের স্পেশ্যাল টিম। অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের ফলতায় বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। রবিবার দুপুর ১২ টা নাগাদ তিনি ফলতায় বিডিও অফিসে গিয়ে পৌঁছেছেন। প্রথম পর্যায়ের বৈঠক ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে একটি আশঙ্কার কথা প্রকাশ করেছেন। তাতেও কেন্দ্রবিন্দুতে দাপুটে নেতা জাহাঙ্গির খানের নাম। কমিশনের যে বিশেষ টিম ফলতায় পৌঁছেছে, তাঁদের ওপর হামলার আশঙ্কা করছেন শুভেন্দু। জাহাঙ্গির ৩০০ মহিলা জড়ো করেছেন বলে দাবি শুভেন্দুর। সেক্ষেত্রে মাথা পিছু মহিলাদের ৫০০ টাকা দিয়ে হামলার ছক কষেছেন। শুভেন্দুর দাবি, জিপি অফিসের উপরেই ব্যাঙ্কয়েট হলে জড়ো হয়েছেন। লাঠি জুতো নিয়ে কমিশনের টিমের ওপর হামলা হতে পারে বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর আরও ভয়ঙ্কর অভিযোগ, প্রত্যেক মহিলাকে জাহাঙ্গির প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।



উল্লেখ্য, মৃতদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার চাপ সৃষ্টির অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে জাহাঙ্গির খান। অভিযোগ উঠছে, বিএলও-দের চাপ দিয়ে ভোটার তালিকায় মৃতদের নাম তোলা হচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগে একাধিক বার সরব হতে দেখা গিয়েছে এলাকায় বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববিকে।

স্বাভাবিকভাবেই এটা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। তৃণমূল রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “মানুষে মানুষে আসলে কীভাবে বিভেদ তৈরি করতে হয়, সেটাই চান তাঁরা। অশান্তি বাড়ানোর চেষ্টা। শুধু বিএলও-দের ভয় দেখানো হচ্ছে, তাই নয়। সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়েছে। এখন বলছে নির্বাচন কমিশনের ওপর হামলা হবে। এক মাস ধরে এসআইআর চলছে, কার ওপরে কোথায় হামলা হয়েছে?”

শুধু তা-ই নয়, পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে চূড়ান্ত তালিকার দিনক্ষণও। ৭ ফেব্রুয়ারির বদলে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে সংশ্লিষ্ট তালিকা। অর্থাৎ হাতে বাড়তি সময় পেল রাজ্যের বিএলও-রা। কিন্তু দিন কয়েক আগেই এই সময়সীমা ঘিরেই কম অভিযোগ ছিল না। ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের কাজকে 'অগ্নিপরীক্ষার' সঙ্গেও তুলনা করতে ছাড়েননি একাংশ।


মান্যতা পেল একাংশের বিএলওদের দাবি। গোটা দেশজুড়ে চলা ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের খসড়া তালিকার প্রকাশের দিন পিছিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। এবার ৯ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত হবে এসআইআর-এর খসড়া তালিকা।

শুধু তা-ই নয়, পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে চূড়ান্ত তালিকার দিনক্ষণও। ৭ ফেব্রুয়ারির বদলে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে সংশ্লিষ্ট তালিকা। অর্থাৎ হাতে বাড়তি সময় পেল রাজ্যের বিএলও-রা। কিন্তু দিন কয়েক আগেই এই সময়সীমা ঘিরেই কম অভিযোগ ছিল না। ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের কাজকে ‘অগ্নিপরীক্ষার’ সঙ্গেও তুলনা করতে ছাড়েননি একাংশ। তৃণমূলের অভিযোগ, সময়ের অভাব, কাজের বাড়তি চাপ, এই কারণেই তো মৃত্য়ু হয়েছে রাজ্যের ৪ বিএলও-র। তারপর অবশেষে ‘বরফ গলিয়েছে’ কমিশন। বিএলও-দের হাতে তুলে দিয়েছে বাড়তি সময়।


বিএলও-রা কী বলছেন?
এই বাড়তি সময় পেয়ে কি সামান্য় হলেও নিশ্চিন্ত তাঁরা। নাকি এই ‘অপরাহ্নে’ সবটাই অর্থহীন? এদিন শিলিগুড়ির ৮৩ নং পার্টের বিএলও প্রদীপ ঘোষ বলেন, ‘আমার কাজ অনেকদিন আগেই শেষ। তাই আমার এতে কোনও লাভ নেই। তবে এই বাড়তি সময়টা আগে দিলে ভাল হত। আমরা না খেয়ে-দেয়ে কাজ করেছি। ওই সময়টা খুব খারাপ গিয়েছে।’

গোটা এসআইআর পর্বে অসুস্থ হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিএলও। কাজের চাপকে কাঠগড়ায় তুলে আত্মঘাতী হয়েছেন কৃষ্ণনগরের বিএলও রিঙ্কু তরফদার। এই বাড়তি সময় পেলে, তাঁদের জীবনে কি এমন পরিস্থিতি আসত? রবিবার কমিশনের নির্দেশের পর এই প্রশ্নই তুলে দিয়েছেন একাংশের বিএলও। এদিন শিলিগুড়ির বিএলও অমিতাভ কুণ্ডু বলেন, ‘আগে জানালে কাজটা সুষ্ঠভাবে করা যেত। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২০ ঘণ্টা করে কাজ করতে হয়েছে। দিনরাত না ঘুমিয়ে কাজ করেছি। এই রকম পরিস্থিতি তৈরি হত না।’

তবে পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, "বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব যে লোকসভার ফলের পর শুভেন্দুকে অপছন্দের তালিকায় ফেলে দিয়েছেন। তাই নন্দীগ্রামের বুকে যখন পঞ্চায়েতেও তৃণমূল জিতেছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর অধিকারীর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ আসন ধরে রাখা। আর ওইখানে অভিষেক-মমতাকে লাগবে না। একজন বুথস্তরের তৃণমূল নেতাও জিতে যাবে।" 

ওঁর উপমুখ্যমন্ত্রী হওয়ার খুব শখ', নন্দীগ্রামে নাকি লড়বেন অভিষেক, দাবি সুকান্তর
অভিষেক বন্দ্যোপধ্যায় এবং সুকান্ত মজুমদার


আর বেশি দিন নেই। তারপরই রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। সেই নন্দীগ্রামেই কি প্রার্থী হতে চলছেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের দাবি ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। তাঁর বক্তব্য, এখান থেকেই ভোটে দাঁড়াবেন অভিষেক। সেই কারণেই পুলিশ অফিসারদের নন্দীগ্রামেই বদলি করা হয়েছে। অপরদিকে, নন্দীগ্রামের বর্তমান বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী আবার বলেছেন, এখানে অভিষেক দাঁড়ালেও তাঁকে কেউ ভোট দেবে না।

সুকান্ত কী বলেছেন?



'কোনও লাভ নেই....', SIR-এর জন্য বাড়তি সময় পেয়েও সন্তুষ্ট নন বিএলওরা?
SIR: 'কমিশন ছেলেখেলা করছে...', SIR-এর ৭ দিন সময় বাড়ানো নিয়ে শুরু রাজনৈতিক জলঘোলা
সাংবাদিকদের সামনে বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ বলেন, “আমার কাছে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবার নন্দীগ্রামের বিধানসভায় দাঁড়াবে। সেই জন্য নিজের গোঁ ধরা অফিসারদের ওই জেলাতে ট্রান্সফার করা হচ্ছে। ওঁর উপমুখ্যমন্ত্রী হওয়ার খুব শখ। সেই উপমুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য উনি নন্দীগ্রামের বিধানসভায় দাঁড়াবেন বলে খবর আছে।” পরে যদিও নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “আমরা এবার ঠিক করেছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানেই দাঁড়াবেন, সেই খানেই হারাব।”

তবে পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব যে লোকসভার ফলের পর শুভেন্দুকে অপছন্দের তালিকায় ফেলে দিয়েছেন। তাই নন্দীগ্রামের বুকে যখন পঞ্চায়েতেও তৃণমূল জিতেছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর অধিকারীর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ আসন ধরে রাখা। আর ওইখানে অভিষেক-মমতাকে লাগবে না। একজন বুথস্তরের তৃণমূল নেতাও জিতে যাবে।”

এখানে উল্লেখ্য, ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসে। সেই সময় রেলমন্ত্রীর পদ ছাড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর ছমাস পর ভবানীপুরে উপনির্বাচনে দাঁড়িয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি। অপরদিকে, শুভেন্দু অধিকারীও সাংসদ ছিলেন। পরে তিনি সাংসদ পদ ছাড়েন মন্ত্রী হওয়ার জন্য। ফলত, এ অভিষেকের ক্ষেত্রেও তেমনটা হবে কি না সেই নিয়েই জল্পনার পারদ আরও একবার উস্কে দিলেন সুকান্ত।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেবাশ্রয় ২ শুরু হতে চলেছে

 ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের মানুষের সুস্বাস্থ্যের অঙ্গীকার সেবাশ্রয়। ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ তথা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গত বছর ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র জুড়ে এলাকাবাসীদের সুস্বাস্থ্যের অঙ্গীকার ও বিনামূল্য চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে শুরু করেছিলেন সেবাশ্রয় স্বাস্থ্য শিবির ক্যাম্প। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের ৭ টি বিধানসভা জুড়ে শুরু হয়েছিল এই সেবাশ্রয় স্বাস্থ্য শিবির ক্যাম্প। 

ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মস্তিষ্ক প্রসূত এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছিল ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের বাসিন্দারা। চিকিৎসা পরিষেবা এলাকাবাসীদের দুয়ারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই উদ্যোগ। গতবারের সেবাশ্রয় স্বাস্থ্য শিবির থেকে ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্র জুড়ে প্রায় ১২ লক্ষ মানুষ উপকৃত হয়েছে। বহু জটিল রোগের অপারেশন করা হয়েছে এই সেবাশ্রয় স্বাস্থ্য শিবিরের মধ্যে দিয়ে। এই সেবাশ্রয় ক্যাম্প থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকে শুরু করে ওষুধ সহ চশমা এবং শ্রবণ যন্ত্র পেয়ে উপকৃত হয়েছে এলাকাবাসীরা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্র এলাকার মানুষদের জন্য সুস্বাস্থ্যের অঙ্গীকার হয়ে দাঁড়িয়েছিল সেবাশ্রয় স্বাস্থ্য শিবির ক্যাম্প। বিগত বছরে ৭৫ দিনেরও বেশি সময় ধরে এই সেবাশ্রয় স্বাস্থ্য শিবির ক্যাম্প চলেছিল। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নভেম্বরের জন্মদিনের দিন তিনি ঘোষণা করেন সেবাশ্রয় ২.০। ১লা ডিসেম্বর থেকেই ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্র জুড়ে শুরু হতে চলেছে সেবাশ্রয় ২ স্বাস্থ্য শিবির ক্যাম্প। বিধানসভা নির্বাচনের আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাস্টার্স স্টোক। আগামীকাল মহেশতলা বিধানসভা কেন্দ্রের সেবাশ্রয় ২ এর উদ্বোধন করতে আসছেন ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মহেশতলা বিধানসভার দুটি এলাকায় মেঘা ও মডেল সেবাশ্রয় স্বাস্থ্য শিবির ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। সেই ক্যাম্প গুলিতে চলছে শেষ বেলার প্রস্তুতি কাজ। দিন রাত এক করে শ্রমিকেরা ব্যস্ত সেবাশ্রয় স্বাস্থ্য শিবির নির্মাণে। ১ থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মহেশতলা, ৮ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেটিয়াবুরুজ, ১৫ থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বজবজ, ২২ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিষ্ণুপুর, ২ থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সাতগাছিয়া, ৯ থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ফলতা এবং ১৬ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রে শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। কি কি পরিষেবা মিলবে এই সেবাশ্রয়ে চোখ, রক্তচাপ, সুগার থেকে ক্যানসার বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতায় বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। শুধুমাত্র ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের মানুষদের জন্য নয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এসে এই সেবাশ্রয় স্বাস্থ্য শিবির ক্যাম্পে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ পারবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছে, ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ডায়মন্ড হারবার মডেলকে আবার হাতিয়ার করছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেবাশ্রয় হল মাস্টার স্টোক। এই সেবাশ্রয়ের মাধ্যমেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীদের কোণঠাসা করতে মরিয়া।





আজকে কোনও কোনও বিষয়ে আপনাকে থাকতে হবে, সেটাও জানা যাবে জ্যোতিষশাস্ত্রে। আজ কেমন যাবে স্বাস্থ্য, কেমন থাকবে মানসিক অবস্থা, চলুন জেনে নেওয়া যাক আজকের মেষ রাশিফল। আজ কি আপনাকে উন্নতির পথে নিয়ে যাবে ও আপনার সামনে কি বাধা আসতে পারে, তা জানতে আপনার গ্রহ-নক্ষত্ররা আপনার সম্পর্কে আজ কী বলছে, দেখে নেওয়া যাক একঝলকে।
ছুটির দিন শান্তিতে কাটবে তো? জেনে নিন রবিবারের রাশিফল
আকাশ মিশ্র

মেষ রাশি -আজ আপনি পরিবর্তিত পরিবেশে আরও ভাল প্রস্তুতি নিয়ে এগিয়ে যাবেন। ইতিবাচক সংস্কার ত্বরান্বিত হবে। আপনি পুরনো ব্যবস্থা এবং জিনিসগুলি থেকে বেরিয়ে আসবেন। সৃজনশীল প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য পাবেন। আপনি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে মনোনিবেশ করবেন।

বৃষ রাশি – দূরদেশ থেকে নতুন কোনও খবর পেতে পারেন। অনেক দিন ধরে আটকে থাকা কোনও কাজ, চটজলদি শেষ হতে পারে। তবে রাস্তায় চলাফেরা করার সময় একটু সাবধান। সন্তানদের পড়াশুনোর দিকে একটু নজর দিন।

বাড়বে আপনার EPF-এর সুদ, আগের থেকে কত বাড়তি টাকা হাতে পাবেন জানেন?
মিথুন রাশি – শরীর স্বাস্থ্য মোটের উপর দিয়ে ভালই যাবে। বাড়িতে আত্মীয় সমাগাম হওয়ার সম্ভাবনা। টুক কাছে পিঠে ঘোরার সুযোগও আসতে পারে। মোটের উপর দিনটা ভালই কাটবে।

কর্কট রাশি – বহুদিন পরে কোনও পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে। সেই বন্ধুর থেকে সাহায্য পেতে পারেন। তবে স্বাস্থ্যের দিকে একটু নজর রাখুন। ঠান্ডা লেগে, জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা। একটু সাবধানে থাকুন। নিবার

সিংহ রাশি – আপনার রাশিতে লক্ষ্মীর যোগ। লটারি বা স্পেকুলেশনে হুট করে অনেকটা টাকা পেতে পারেন। টাকা সঞ্চয়ের দিকে মন দিন। প্রেম-প্রীতি বিবাহেরও যোগ রয়েছে।

কন্যা রাশি – পরিস্থিতি বুদ্ধি ও সতর্কতার সঙ্গে সামলাতে চেষ্টা করুন। যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে ক্যারিয়ারকে গড়ে তুলতে সফল হবেন। কঠোর পরিশ্রমে কাজের গতি বাড়াবেন। পেশাগত সুযোগের সদ্ব্যবহার করবেন। পরিস্থিতি মিশ্র থাকবে। ব্যবসায় ভারসাম্য বজায় রাখুন। বন্ধু ও সহকর্মীদের সমর্থন থাকবে।

তুলা রাশি – আবেগকে সঙ্গে নিয়ে মানুষের সঙ্গে বোঝাপড়ার চেষ্টা করবেন। অন্যের গোপনীয়তা ও ব্যক্তিত্বের প্রতি সম্মান রাখুন। পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিন। কেরিয়ার ও ব্যবসার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। ঊর্ধ্বতনদের সহযোগিতা পাবেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রিত ও ভারসাম্যপূর্ণ থাকবে।

বৃশ্চিক রাশি – তরুণদের পারফরম্যান্স প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হবে। বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দদায়ক ভ্রমণ হতে পারে। লক্ষ্যের দিকে দ্রুত এগোনোর চেষ্টা করবেন। প্রস্তুতি ও বুদ্ধি দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল পাবেন। সহকর্মীরা প্রভাবিত হবে। ঊর্ধ্বতনদের সমর্থন থাকবে। ভুল এড়াতে সচেষ্ট থাকুন। শিখন ও পরামর্শে সতর্কতা বাড়বে।

ধনু রাশি – আজ সবাইয়ের সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করবেন এবং ঐক্যের সঙ্গে লক্ষ্যের দিকে এগোবেন। সঠিক পথ বেছে নিতে সাহায্য পাবেন। কাছের আত্মীয়দের সমর্থন থাকবে। সুযোগ কাজে লাগাবেন। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়বে।

মকর রাশি – কর্মক্ষেত্রে দুম করে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। বরং ভাবনা চিন্তা করে পা ফেলুন। নিজের মনের কথা শুনুন। সংসারের নতুন সদস্য আসার সুখবর পেতে পারেন। অর্থব্যয় থেকে বিরত থাকুন।

কুম্ভ রাশি – সময়টা আপনার হাতের মুঠোয়। দুম করেই দিন বদল হবে আপনার। হঠাৎ করেই পাবেন সুখবর। কর্মক্ষেত্রে প্রশংসিত হবে আপনার কাজ। সব মিলিয়ে দিনটা ভালই যাবে।

মীন রাশি – নিজের আবেগকে সামলে রাখুন। নাহলে বিপদে পড়তে পারেন। পুরনো কোনও বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়ে যেতে পারে। ভুল বোঝাবুঝি থেকে দূরে থাকুন। কম কথা বলুন। দিনটির শুরুটা খারাপ হলেও, দিনের শেষে সুখবর পাবেন।


রাজ্য়ে এসআইআর-এর অগ্রগতি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বার্তা। বিএলওদের নিরাপত্তার মতো একাধিক বিষয়ে নজরদারি চালাবেন ১২ জন পর্যবেক্ষক। তারপর সেই ভিত্তি রিপোর্ট তৈরি করে পাঠাবেন আগত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তের কাছে।


কমিশনের ‘স্পেশাল ১৩’। শুনতে একেবারে সিনেমার মতো। তবে বাস্তবে সেই ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ প্রয়োগ করে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বাংলার জন্য ‘বিশেষ ব্যবস্থা’ মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের। পাঠিয়েছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক। সঙ্গে আবার তাঁর সঙ্গেই জুড়ে দিয়েছেন রাজ্যের ১২ জন আইএএস পদমর্যাদা সম্পন্ন আধিকারিককে। তাঁরা দায়িত্ব পেয়েছে নির্বাচনী পর্যবেক্ষকের।


কিন্তু এই বিশেষ পর্যবেক্ষক টিমের কাজটাই বা কী?
রাজ্য়ে এসআইআর-এর অগ্রগতি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বার্তা, বিএলওদের নিরাপত্তার মতো একাধিক বিষয়ে নজরদারি চালাবেন ১২ জন পর্যবেক্ষক। তারপর সেই ভিত্তি রিপোর্ট তৈরি করে পাঠাবেন আগত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তের কাছে।


স্পেশাল টিমের স্পেশাল পরিচয়
কমিশনের এই ‘স্পেশাল ১৩’-এর মাথায় সুব্রত গুপ্ত। তিনি ১৯৯০ সালের আইএএস ব্যাচের অন্তর্গত অবসরপ্রাপ্ত আমলা। সবচেয়ে বেশি অভিজ্ঞ। তাঁকেই জেলাভিত্তিক রিপোর্ট পাঠাবেন নিযুক্ত ১২ জন আইএএস আধিকারিক। এঁরা প্রত্যেকেই পশ্চিমবঙ্গ ক্য়াডারের অফিসার।

কারা তাঁরা? কী তাঁদের পরিচয়?

কমিশনের পাঠানোর নির্দেশিকায় প্রথমেই রয়েছে স্মিতা পাণ্ডে। তিনি ২০০৫ সালের আইএএস ব্যাচ। দায়িত্ব সামলেছেন রাজ্যের শিল্প পুনর্গঠন দফতরের সচিবের। তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূমের।
এরপর রয়েছেন তন্ময় চক্রবর্তী। তিনি ২০০৬ সালের ব্যাচের আইএএস। দায়িত্ব সামলেছেন পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দফতরের। বর্তমানে শ্রম দফতরের ইএসআই প্রকল্পের ডিরেক্টর। এই আধিকারিকের কাঁধে মুর্শিদাবাদ এবং মালদহের দায়িত্ব দিয়েছে কমিশন।
উত্তর ২৪ পরগনা এবং কলকাতা (উত্তর)-এর দায়িত্ব পেয়েছেন রণধীর কুমার। তিনি ২০০৬ সালের ব্য়াচের আইএএস অফিসার। বর্তমানে ট্রেজার ও অ্যাকাউন্ট বিভাগের ডিরেক্টর।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা (দক্ষিণ)-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সি মুরুগানকে। তিনি বর্তমানে NSATI-এর অতিরিক্ত ডিরেক্টর পদে রয়েছেন।
আইএএস আর অর্জুন পেয়েছেন কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ির দায়িত্ব। বর্তমানে এই আধিকারিক নিযুক্ত রয়েছেন শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের সচিব পদে।
আইএএস রাজীব কুমারকে দেওয়া হয়েছে হাওড়ার দায়িত্ব। তিনি ১৯৯৭ সালের ব্যাচের অফিসার। বর্তমানে NSATI এর অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল পদে রয়েছেন।
দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের দায়িত্ব পেয়েছেন ১৯৯৮ সালের ব্যাচের আইএএস অফিসার নীলম মীনা। তিনি বর্তমানে ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের প্রধান সচিব পদে রয়েছেন।
দুই দিনাজপুরের দায়িত্বে রয়েছেন ২০০১ সালের ব্যাচের আইএএস অফিসার অশ্বিনী কুমার যাদব। তিনি বর্তমানে অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের কমিশনার পদে রয়েছেন।
দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ২০০৭ সালের আইএএস ব্যাচের ক্যাডার নিরঞ্জন কুমার। তিনি বর্তমানে সমবায় দফতরের রেজিস্ট্রার পদে রয়েছেন।
২০০৮ সালের ব্যাচের আইএএস অফিসার দেবী প্রসাদ করানাম পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ার দায়িত্ব। এককালে বীরভূমের জেলাশাসক ছিলেন তিনি। বর্তমানে সমবায় দফতের রেজিস্ট্রার পদে রয়েছেন।
নদিয়া জেলার পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পেয়েছেন রচনা ভগৎ। ২০০৯ সালের ব্যাচের এই আইএএস অফিসার রয়েছেন ICDS প্রকল্পের ডিরেক্টর পদে।
হুগলি জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন ২০১০ সালের ব্যাচের আইএএস অফিসার ডক্টর বিশ্বনাথ।

বছরের শেষ মাস, ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে সোমবার থেকে। নভেম্বরে যেমন একাধিক ডেডলাইন ছিল, তেমনই ১ ডিসেম্বর থেকে চালু হচ্ছে বহু নতুন নিয়ম, যা প্রভাব ফেলবে সাধারণ মানুষদের উপরে। ট্যাক্স জমা দেওয়া থেকে শুরু করে পেনশন, জ্বালানি ও রান্নার গ্যাসের দামে পরিবর্তন আসবে।

আজই শেষদিন, এই কাজগুলি না করলে ডিসেম্বর থেকে আটকে যাবে টাকা


দেখতে দেখতেই চলে এল বছরের শেষলগ্ন। বছরের শেষ মাস, ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে সোমবার থেকে। নভেম্বরে যেমন একাধিক ডেডলাইন ছিল, তেমনই ১ ডিসেম্বর থেকে চালু হচ্ছে বহু নতুন নিয়ম, যা প্রভাব ফেলবে সাধারণ মানুষদের উপরে। ট্যাক্স জমা দেওয়া থেকে শুরু করে পেনশন, জ্বালানি ও রান্নার গ্যাসের দামে পরিবর্তন আসবে। এই নিয়ম বদল সকলের জেনে রাখা দরকার।




এলপিজির দাম-
প্রতি মাসের শুরুতেই দেশের ওয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোলিয়ামের দাম পর্যালোচনা করে এবং সেই অনুযায়ী দেশে রান্নার গ্য়াসের দাম বাড়ানো বা কমানো হয়। ডিসেম্বর মাসেও পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম পর্যালোচনা করা হবে এবং সেই অনুযায়ী দাম কমতে বা বাড়তে পারে। এর আগে নভেম্বর মাসে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম সামান্য কমেছিল।

ইউনিফায়েড পেনশন স্কিম-
কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী যারা, তাদের হাতে আজ অর্থাৎ ৩০ নভেম্বরই রয়েছে নিজেদের পেনশন স্কিম বদল করার। কেউ চাইলে ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেম থেকে নতুন ইউনিফায়েড পেনশন স্কিমে পরিবর্তন করতে পারেন। ১ ডিসেম্বর থেকে এই সুবিধা আর পাওয়া যাবে না।

লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া-
যারা পেনশনভোগী, তাদের বছরের শেষভাগে এসে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। এই বছর লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ধার্য করা হয়েছিল ৩০ নভেম্বর। আগামিকাল, ১ ডিসেম্বর থেকে আর লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া যাবে না। যদি কেউ লাইফ সার্টিফিকেট জমা না দেন, তাহলে পেনশন বন্ধ হয়ে যাবে। ব্যাঙ্ক, ডাক অফিসে গিয়ে বা অনলাইনে জীবন প্রমাণ সিস্টেমের মাধ্যমে লাইফ সার্টিফিকেট জমা করতে পারেন।

আয়কর জমা করার ডেডলাইন-
৩০ নভেম্বরের মধ্যেই টিডিএস সহ একাধিক আয়কর সংক্রান্ত ফাইলিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আয়কর আইনের ১৯৪-আইএ, ১৯৪-আইবি, ১৯৪এম ও ১৯৪এস।

বিমানের টিকিট দামি হবে?
১ ডিসেম্বর এভিয়েশন টার্বাইন ফুয়েলের দামও পর্যালোচনা করা হবে। যদি এটিএফের দাম বাড়ে, তাহলে বিমানের টিকিটও দামী হবে।

 জানা গিয়েছে, অ্যাসোসিয়েটেড জার্নাল লিমিটেডের বেআইনি দখল নিয়ে রাহুল-সনিয়া সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের তালিকায় নাম রয়েছে স্যাম পিত্রোদার নামও। তিনটি কোম্পানি- অ্যাসেসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড, ইয়ং ইন্ডিয়ান ও ডটেক্স মার্চেন্ডাইজ প্রাইভেট লিমিটেডের নাম রয়েছে এফআইআরে।


ন্যাশনাল হেরাল্ড নিয়ে সনিয়া-রাহুলের বিরুদ্ধে নতুন করে FIR, কী অভিযোগ এবার?
ফাইল চিত্র।বিপদ বাড়ল কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi)। বিপাকে রাহুল গান্ধীও (Rahul Gandhi)। নতুন করে সনিয়া ও রাহুলের নামে এফআইআর দায়ের করল দিল্লি পুলিশের ইকোনমিক অফেন্স উইং। ন্যাশনাল হেরাল্ডের (National Herald) আর্থিক তছরুপ মামলাতেই নতুন করে অভিযোগ দায়ের হল তাঁদের বিরুদ্ধে। অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে সনিয়া-রাহুলের বিরুদ্ধে।

জানা গিয়েছে, অ্যাসোসিয়েটেড জার্নাল লিমিটেডের বেআইনি দখল নিয়ে রাহুল-সনিয়া সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের তালিকায় নাম রয়েছে স্যাম পিত্রোদার নামও। তিনটি কোম্পানি- অ্যাসেসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড, ইয়ং ইন্ডিয়ান ও ডটেক্স মার্চেন্ডাইজ প্রাইভেট লিমিটেডের নাম রয়েছে এফআইআরে। উল্লেখ্য, অ্যাসেসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেডেরই অধীনে ছিল ন্যাশনাল হেরাল্ড নিউজপেপার।




অভিযোগ, কলকাতার শেল কোম্পানি ডটেক্স মার্চেন্ডাইজ ১ কোটি টাকা দিয়েছিল ইয়ং ইন্ডিয়ান সংস্থাকে। এটি একচি অলাভজনক সংস্থা, যার ৭৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সনিয়া ও রাহুলের কাছে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ইয়ং ইন্ডিয়ান কংগ্রেসকে ৫০ লক্ষ টাকা দিয়ে এজিএলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়, যার আনুমানিক সম্পত্তির মূল্য ২ হাজার কোটি টাকা। ইডির অভিযোগের ভিত্তিতেই দিল্লি পুলিশের ইকোনমিক অফেন্স উইং গত ৩ অক্টোবর এফআইআর দায়ের করে।

ইডির তদন্তে আগেই ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ন্যাশনাল হেরাল্ডে আর্থিক তছরুপের পুরো তালিকা তুলে ধরেছিল। এই নিয়ে বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “কংগ্রেসের এই পরিবার (গান্ধী পরিবার) সবথেকে দুর্নীতিগ্রস্ত। এরা দুর্নীতি করে, আর যখনই তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়, তখন ভিকটিম কার্ড খেলে।”


ন্যাশনাল হেরাল্ড কেস-
২০১২ সালে বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ট্রায়াল কোর্টে প্রথম অভিযোগ দায়ের করেছিলেন কংগ্রেস নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। অভিযোগ করেন যে ইয়ং ইন্ডিয়ান লিমিটেড বেআইনিভাবে অ্যাসেসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেডের অধিগ্রহণ করেছিল। এরপরে ইডি ন্যাশনাল হেরাল্ড আর্থিক তছরুপ মামলার তদন্ত শুরু করে। তলব করা হয় সনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে।
চলতি সপ্তাহের গোড়া থেকেই গুরুতর অসুস্থ খালেদা জিয়া। বুধবার তিনি প্রায় নিঃসাড় হয়ে পড়েন। তাঁর কিডনি বিকল, ফুসফুসে জমেছে জল। প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বিএনপি নেত্রী। চিকিৎসকরা ডায়ালিসিস করছেন।


 কাজ করছে না কিডনি, ফুসফুসে জমেছে জল, খালেদা জিয়ার অবস্থা কেমন জানালেন চিকিৎসকরা?
খালেদা জিয়া।


সঙ্কটে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া (Khaleda Zia)। একাধিক শারীরিক অসুস্থতা ও জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি খালেদা জিয়া। বর্তমানে সিসিইউ-তে রয়েছেন তিনি। তবে তেমন কোনও সাড়া দিচ্ছেন না তিনি। শনিবার সামান্য কথা বলেছেন খালেদা জিয়া, তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এখনও সঙ্কটজনক অবস্থাতেই রয়েছেন বিএনপি নেত্রী।






চলতি সপ্তাহের গোড়া থেকেই গুরুতর অসুস্থ খালেদা জিয়া। বুধবার তিনি প্রায় নিঃসাড় হয়ে পড়েন। তাঁর কিডনি বিকল, ফুসফুসে জমেছে জল। প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বিএনপি নেত্রী। চিকিৎসকরা ডায়ালিসিস করছেন। টানা চারদিন ডায়ালিসিস দেওয়া হয়েছে খালেদা জিয়াকে। বিগত কয়েকদিনের তুলনায় শনিবার খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেও, এখনও তিনি সঙ্কটজনক অবস্থাতেই রয়েছেন বলে সূত্রের খবর।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন খালেদা জিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিডনির কার্যক্ষমতা না বাড়লে, শারীরিক অবস্থায় উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা কঠিন।

এদিকে, উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করলেও, তার শারীরিক অবস্থা এখনও সঙ্কটজনক থাকায় বিমানের ধকল সহ্য করা সম্ভব হবে না। আগামী দুই-একদিন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা দেখার পর বিদেশে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যদি শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়, তাহলে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হবে। নাহলে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতে পারে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থা তাঁর নেই। বিদেশে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা, যেসব দেশে নেওয়া হতে পারে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কাজ এগিয়ে রাখা হয়েছে যাতে প্রয়োজন হলেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়।

প্রসঙ্গত, ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।





এর আগে শ্রীলঙ্কায় তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে সাইক্লোন দিতওয়াহা। কমপক্ষে ১৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলেই জানিয়েছে সে দেশের সরকার। নিখোঁজ আরও ১৭১ জন। ঘরছাড়া হয়েছেন হাজার-হাজার মানুষ। ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন ৪৩ হাজারেরও বেশি

জারি রেড অ্যালার্ট! বন্ধ বিমান-ট্রেন, কোথায় সবথেকে বেশি প্রভাব পড়বে সাইক্লোন 'দিতওয়াহা'র?
সাইক্লোনের আগেই উত্তাল সমুদ্র।

শ্রীলঙ্কাকে তছনছ করে এবার ভারতের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহা (Cyclone Ditwah)। তামিলনাড়ু, অন্ধ্র প্রদেশ ও পুদুচেরিতে জারি হয়ে গেল লাল সতর্কতা (Red Alert)। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে তুমুল বৃষ্টি হতে পারে উপকূলবর্তী এই রাজ্যগুলিতে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ক্রমে উত্তর-উত্ত-পশ্চিমদিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশের দিকে তা এগিয়ে যাচ্ছে। রবিবারই আছড়ে পড়তে পারে দিতওয়াহা। 






মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার মধ্য রাতে যখন ঘূর্ণিঝড়ের প্রবেশ শুরু হয় উপকূল এলাকায়, তখন তার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার। রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ কড়াইকানাল থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে এবং চেন্নাই থেকে ২৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান ছিল ঘূর্ণিঝড়ের। আজ, রবিবার ভোর থেকে ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। বিকেলের মধ্যে অনেকটাই ক্ষমতা হারাবে দিতওয়াহা, তখন গতিবেগ হবে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার।

এর আগে শ্রীলঙ্কায় তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে সাইক্লোন দিতওয়াহা। কমপক্ষে ১৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলেই জানিয়েছে সে দেশের সরকার। নিখোঁজ আরও ১৭১ জন। ঘরছাড়া হয়েছেন হাজার-হাজার মানুষ। ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন ৪৩ হাজারেরও বেশি। লাগাতার বৃষ্টি, হড়পা বান ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। ইতিমধ্যেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত সরকার। অপারেশন সাগর বন্ধুর অধীনে একটি সি-১৩০ বিমান ও একটি আইএল-৭৬ বিমানে করে ২১ টন ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে গিয়েছেন ৮০ জনের এনডিআরএফের দল।

দক্ষিণে কতটা প্রভাব ফেলবে দিতওয়াহা?
ঘূর্ণিঝড়ের জেরে তামিলনাড়ুর দক্ষিণ ও উপকূল এলাকায় অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। ইতিমধ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে যাবতীয় আপদকালীন ব্যবস্থা।

রেল পরিষেবা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত বা ব্যহত না হয়, তার জন্য কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও দক্ষিণ রেলওয়ের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছেন। বোর্ড, জ়োনাল ও ডিভিশনাল স্তরে ওয়ার রুম চালু করা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কায় ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। একাধিক বিমানও বাতিল করা হয়েছে। জাফনা, পুদুচেরি, তিরুচিরাপল্লী, তুতিকোরিনের একাধিক বিমান শনিবার থেকেই বাতিল হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন লাগাতার বৈঠক করছেন। নীচু ও উপকূল এলাকা ফাঁকা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রাজ্য সরকারের তরফে ৬ হাজার ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে ১৪টি এনডিআরএফের টিম। পুদুচেরির জন্যও রওনা দিয়েছে এনডিআরএফের টিম।


এবার প্রতি নির্বাচন সাইকেলে দ্বিগুণ টাকা পাবেন বুথ লেভেল অফিসাররা। ১২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলছে ভোটার তালিকায় নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর। তার মাঝেই বিএলও-দের জন্য বড় ঘোষণা। 

দ্বিগুণ টাকা পাবেন BLO-রা, সুপারভাইজরদের ভাতাও বাড়াল কমিশন, এবার কত টাকা পাবেন?
ফাইল চিত্র।

এসআইআরের কাজের প্রচণ্ড চাপ। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, কারোর আবার কাজের চাপেই মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। পশ্চিমবঙ্গে অনেক বিএলও বিক্ষোভে পথেও নেমেছেন। এবার বিএলও-দের জন্য বড় ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের (Election Commission)। বাড়ল তাদের টাকা। এবার প্রতি নির্বাচন সাইকেলে দ্বিগুণ টাকা পাবেন বুথ লেভেল অফিসাররা (Booth Level Officers)। ১২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলছে ভোটার তালিকায় নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর। তার মাঝেই বিএলও-দের জন্য বড় ঘোষণা।

জানা গিয়েছে, এবার থেকে ৬ হাজার টাকা নয়, বুথ লেভেল অফিসাররা এবার থেকে ১২ হাজার টাকা করে পালেন। শুধু বিএলও-রাই নন, বিএলও সুপারভাইজররাও এবার থেকে ১২ হাজার টাকার বদলে ১৮ হাজার টাকা করে পাবেন বলেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।  




কমিশনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ERO), অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (AERO), বিএলও সুপারভাইজর ও বুথ লেভেল অফিসাররা কঠোর পরিশ্রম করেন এবং স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে নির্বাচনী তালিকা প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত বিএলও-দের বার্ষিক ভাতা (remuneration) দ্বিগুণ করা এবং বিএলও সুপারভাইজরদেরও ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”     

প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে সকল ভোটারদের এনুমারেশন ফর্ম জমা দিতে হবে। ৯ ডিসেম্বর বের হবে খসড়া ভোটার তালিকা। যদি এর মধ্যে কেউ এনুমারেশন ফর্ম জমা না দেন, তাহলে তাঁকে ফর্ম-৬ জমা দিতে হবে। অর্থাৎ নতুন ভোটার হিসাবে নাম তোলার জন্য আবেদন করতে হবে।


তবে সেই কলহ মিটিয়ে ফের ধারাবাহিকে জীতু ও দিতিপ্রিয়া অভিনয় শুরু করলেও, তা বেশিদিন স্থায়ী হল না। বরং দ্বিতীয় পর্বের কলহে ধারাবাহিক থেকেই নিজেকে সরিয়ে নিলেন দিতিপ্রিয়া। শোনা যাচ্ছে, 'চিরদিনই তুমি যে আমার' ধারাবাহিকে দিতিপ্রিয়ার শূন্যস্থান পূরণ করছেন অভিনেত্রী শিরিন পাল। তবে এরই মাঝে জীতু নিলেন নতুন সিদ্ধান্ত।


চিরদিনের জন্য ছোটপর্দাকে বিদায় জীতু কমলের, আচমকা এমন সিদ্ধান্ত কেন অভিনেতার?

রাগ, অভিমান নাকি অন্য় কিছু? নাহ, জীতু কমল তা স্পষ্ট করেননি। কিন্তু সোশাল মিডিয়ায় এসে দৃঢ় গলায় স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, আগামী দিনে তিনি আর ধারাবাহিকে অভিনয় করবে না। যে দর্শকদের কারণে আজ তাঁর নামের পাশে অভিনেতা তকমা, সেই দর্শক ও অনুরাগীদের সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত শেয়ার করে নিলেন অভিনেতা জীতু কমল।


বেশ কয়েক মাস ধরে ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিক নিয়ে নানা সময় নানা বিতর্ক, সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন জীতু কমল। সহঅভিনেত্রী দিতিপ্রিয়ার রায়ের সঙ্গে তাঁর কলহ প্রকাশ্যে এসেছিল সোশাল মিডিয়ার হাত ধরে। তবে সেই কলহ মিটিয়ে ফের ধারাবাহিকে জীতু ও দিতিপ্রিয়া অভিনয় শুরু করলেও, তা বেশিদিন স্থায়ী হল না। বরং দ্বিতীয় পর্বের কলহে ধারাবাহিক থেকেই নিজেকে সরিয়ে নিলেন দিতিপ্রিয়া। শোনা যাচ্ছে, ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকে দিতিপ্রিয়ার শূন্যস্থান পূরণ করছেন অভিনেত্রী শিরিন পাল। তবে এরই মাঝে জীতু নিলেন নতুন সিদ্ধান্ত।


 বাড়ির ভিতর হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ল গাড়ি, পিষে মৃত্যু ৬ বছরের ফুটফুটে শিশুর, আশঙ্কাজনক মা-ও
সোশাল মিডিয়ায় জীতু যে ভিডিয়োটি শেয়ার করেছেন, সেখানে তিনি বলেন, আজ আমার নামের পাশে অভিনেতা লেখার সাহস আমার দর্শকরাই জুগিয়েছেন। সেই কারণেই আমার এই সিদ্ধান্ত দর্শকদের সঙ্গে সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি। যে টিভি সিরিয়ালে এখন আমি অভিনয় করছি অর্থাৎ চিরদিনই তুমি যে আমার। সেটাই ধারাবাহিক হিসাবে ছোটপর্দায় আমার শেষ কাজ। এর পরে আর আমি কোনও ধারাবাহিকে অভিনয় করব না।


তবে এখানেই শেষ করেননি জীতু। জীতু জানান, যে কোনও ধারাবাহিকের সঙ্গে প্রচুর টেকনিশয়ন যুক্ত থাকে। ধারাবাহিক বন্ধ হলে, তাঁরা বিপদে পড়বেন। সেই কারণেই এই ধারাবাহিক থেকে তিনি সরছেন না। কিন্তু এটাই তাঁর শেষ ধারাবাহিক, সে বিষয়ে স্পষ্ট তিনি। সঙ্গে নতুন অভিনেত্রী শিরিনকেও স্বাগত জানিয়েছেন জীতু কমল।

কসবা থানার রাজাডাঙা এলাকায় রাস্তার সারমেয়দের খাবার খাওয়াতে গিয়েছিলেন টলিউডের এই জনপ্রিয় দম্পতি। হঠাৎই দেখেন এলাকার বেশ কিছু মানুষ ধেয়ে আসছেন তাঁদের দিকে। প্রশ্ন তোলেন কেন তাঁরা রাস্তার কুকুরদের খাবার দিচ্ছেন। এই নিয়ে এলাকাবাসীদের সঙ্গে বচসাও শুরু হয় দম্পতির সঙ্গে।
পথকুকুরদের খাবার খাওয়াতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে হেনস্থার শিকার! সায়ন্তনী ও ইন্দ্রনীলের সঙ্গে কী ঘটল?

ব্য়াপারটা যে এমন ঘটবে, তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সায়ন্তনী মল্লিক ও তাঁর স্বামী অভিনেতা ইন্দ্রনীল মল্লিক। পশুপ্রেমী হওয়ায় যেভাবে মাঝে মধ্যেই পথপশুদের যত্ন করেন, খাবার দেন, ভেবেছিলেন তেমনটাই ঘটবে। তবে যেটা ঘটল, তা ভয়ানক। অভিনেত্রী তো বলছেন, আরেকবার হার্ট হ্যাটাক হতে পারত!

শুক্রবার হঠাৎ ফেসবুক লাইভে এসে অভিনেত্রী ও তাঁর অভিনেতা স্বামী পুরো ঘটনাকে তুলে ধরলেন। কীভাবে স্থানীয়রা তাঁদের উপর চড়াও হয়ে হেনস্থা করেছেন, তাও স্পষ্ট জানালেন তাঁরা।




কসবা থানার রাজাডাঙা এলাকায় রাস্তার সারমেয়দের খাবার খাওয়াতে গিয়েছিলেন টলিউডের এই জনপ্রিয় দম্পতি। হঠাৎই দেখেন এলাকার বেশ কিছু মানুষ ধেয়ে আসছেন তাঁদের দিকে। প্রশ্ন তোলেন কেন তাঁরা রাস্তার কুকুরদের খাবার দিচ্ছেন। এই নিয়ে এলাকাবাসীদের সঙ্গে বচসাও শুরু হয় দম্পতির সঙ্গে। এমনকী, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করলে, কয়েকজন ইন্দ্রনীলের উপর চড়াও হন। কলকাতা পুলিশকে এই ভিডিয়োতে ট্য়াগ করে অভিনেত্রী সায়ন্তনী বলেন বলেন, দয়া করে আপনারা এটা দেখুন, এখানকার বয়স্ক মানুষরা কীভাবে আমাদের উপর চড়াও হচ্ছেন। এখানে রাস্তায় খেতে দেওয়া যাবে না বলে আমাদের অকথ্য ভাষায় কথা বলছেন। আমরা এই নিয়ে কসবা থানায় অভিযোগ দায়ের করব।


সায়ন্তনী জানিয়েছেন, ”এই ঘটনার পর কসবা থানাতে অভিযোগ দায়ের করেছি। তবে এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। আমাদের সেলেবদের সঙ্গেই যদি এমন হয়, তা হলে তো সাধারণ মানুষের সঙ্গে এরকম যখন তখন হবে। ভয় পাচ্ছি আমার দ্বিতীয়বার না হার্ট অ্যাটাক না হয়।”
বন্ধুত্ব থেকে হঠাত্‍ প্রেম! তারপর বিয়ে। টলিপাড়ার দুই জনপ্রিয় মুখ অঙ্কিতা চক্রবর্তী আর প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা হচ্ছে। ২০২২ সালে ভেসে ওঠে তাঁদের বিয়ের খবর। কাছের বন্ধুদের নিয়ে তাঁরা পৌঁছে গিয়েছিলেন পাহাড়ে। তাঁদের বিয়ের ছবি ছিল নজরকাড়া। তবে সেই বিয়ে ভাঙছে, এমন চর্চা টলিপাড়ায়।
অঙ্কিতা-প্রান্তিকের বিয়ে ভাঙছে ? যা বললেন প্রান্তিক...

বন্ধুত্ব থেকে হঠাত্‍ প্রেম! তারপর বিয়ে। টলিপাড়ার দুই জনপ্রিয় মুখ অঙ্কিতা চক্রবর্তী আর প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা হচ্ছে। ২০২২ সালে ভেসে ওঠে তাঁদের বিয়ের খবর। কাছের বন্ধুদের নিয়ে তাঁরা পৌঁছে গিয়েছিলেন পাহাড়ে। তাঁদের বিয়ের ছবি ছিল নজরকাড়া। তবে সেই বিয়ে ভাঙছে, এমন চর্চা টলিপাড়ায়।


 যোগাযোগ করেছিল প্রান্তিকের সঙ্গে। অঙ্কিতার সঙ্গে তাঁর বিয়ে কি ভাঙছে? প্রান্তিক বললেন, ”আমাদের ১২ বছরের বন্ধুত্ব। তারপর প্রেম, বিয়ে। তবে এখন মনে হয়েছে, সম্পর্কটা বর-বউয়ের আকারে না রাখলে ভালো হতে পারে। সেটা নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। তাই বর-বউয়ের সম্পর্কে না-ও থাকতে পারি আমরা। এমনিতে আমাদের অ্যাসোসিয়েশন থাকবে। কারণ একই বন্ধুদের দলের মধ্যে আমরা আছি।”



হিব্রু ভাষা থেকে ধার করে মেয়ের নাম রাখলেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ, জানেন কী সেই নাম ও তার অর্থ?
সাতপাকে বাঁধা পড়লেন তনুশ্রী, পাত্র কে জানেন?
প্রান্তিকের জীবনে কোনও নতুন প্রেম এসেছে, তাই কি এমন সিদ্ধান্ত ? অভিনেতা খোলসা করলেন, ”আমার মায়ের ব্রেন স্ট্রোক হওয়ার পর থেকে দেড়-দু’ বছর তাই নিয়ে ব্যস্ত আছি। একেবারে স্পষ্ট করে বলছি, অন্য কোনও প্রেম হয়নি এর মধ্য়ে। অঙ্কিতার সঙ্গে শহর আলাদা হওয়াটা একটা সমস্যার কারণ হতে পারে। আমাদের দু’ জনের একটা সময়ের পর মনে হয়েছে, বন্ধুত্ব রাখলেই সেটা ভালো হবে।”

অঙ্কিতা বাংলা টেলিভিশনের অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ। বাংলা ছবিতে যেমন তিনি কাজ করেন, তেমনই হিন্দি ধারাবাহিকের জন্য জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। প্রান্তিকও টেলিভিশনে নিয়মিত কাজ করেন। একটা ধারাবাহিকে কাজ করার কথা ছিল তাঁর সম্প্রতি। তবে সেই কাজটা করছেন না। সামনে অন্য কাজ করার পরিকল্পনা করছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনার ক্ষেত্রে আগ্রহ রয়েছে অভিনেতার। টলিপাড়ায় বেশ কিছু বিয়ে যেমন টিকে যায়, তেমনই ইদানীং বেশ কিছু বিয়ে ভাঙার খবরে ভেসেছে বাংলা ছবির দুনিয়া। প্রান্তিকের কথা থেকে স্পষ্ট, এই বিষয়টা নিয়ে কেউ জাজমেন্টাল হবেন না, তেমনই প্রত্যাশা তাঁর। আগামী দিনে তাঁরা বিবাহ বিচ্ছেদের ঘোষণা করবেন নাকি, বর্তমান পরিস্থিতিতে মোড় বদল হবে, তা দেখার অপেক্ষা।

হেমা লিখেছেন, একসঙ্গে না থাকলেও, কীভাবে ধর্মেন্দ্র তাঁর ভাল-খারাপ সময়ের সঙ্গী হয়েছিলেন। তবে এবার দেওল পরিবারের কেউ নন, বরং প্রিয় নায়ককে নিয়ে এক তথ্য প্রকাশ্যে আনলেন আমির খান। আমির জানালেন, মৃত্যুর বেশ কয়েকদিন আগে সানি দেওলের কোন ছবি দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র।
মৃত্যুর আগে সানি দেওলের কোন ছবি দেখেছিলেন ধর্মেন্দ্র, জানেন?
আকাশ মিশ্র



ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু যেন রহস্য ঘেরা। কেন তাঁকে শেষ দেখা দেখতে পেলেন না তাঁর অনুরাগীরা তা নিয়ে বার বার প্রশ্নের মুখে পড়ছে দেওল পরিবার। কিন্তু ধর্মেন্দ্রর দুই ছেলে সানি ও ববি একেবারে চুপ। বলিউডের হিম্যানের দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী অবশ্য মুখ খুলেছেন। সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে তাঁর আবেগের কথা। হেমা লিখেছেন, একসঙ্গে না থাকলেও, কীভাবে ধর্মেন্দ্র তাঁর ভাল-খারাপ সময়ের সঙ্গী হয়েছিলেন। তবে এবার দেওল পরিবারের কেউ নন, বরং প্রিয় নায়ককে নিয়ে এক তথ্য প্রকাশ্যে আনলেন আমির খান। আমির জানালেন, মৃত্যুর বেশ কয়েকদিন আগে সানি দেওলের কোন ছবি দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র।

সানি দেওল হলেন ধর্মেন্দ্রর বড় ছেলে। ছোট হলেন ববি। প্রথম থেকেই ধরমজি চেয়েছিলেন তাঁর দুই ছেলেই তাঁর মতো অভিনয়ে পা রাখুন। সানি দেওলের প্রথম ছবি বেতাব। যা আশির দশকে হইচই ফেলে দিয়েছিল। রোমান্টিক নায়ক হিসেবে প্রথম দিকে সানি জনপ্রিয় হলেও, পরে তিনি হয়ে ওঠেন বলিউডের পর্দার অ্যাকশন হিরো। ছোট ছেলে ববি দেওলের প্রথম ছবি বরসাত। সেটিও রোমান্টিক। শোনা যায়, দুই ছেলের প্রায় প্রত্যেকটি ছবিই দেখেছেন ধর্মেন্দ্র। ছবি দেখার মতো ছেলেদের সঙ্গে নিজের ভাবনাও শেয়ার করতেন। তবে শেষ দেখা ছবি নিয়ে সানিকে নিজের মতামত জানানোর সময় পেলেন না ধরমজি।



আমির খানের প্রযোজনা সংস্থার হাত ধরে তৈরি হয়েছে ছবি লাহোর ১৯৪৭। এই ছবিতে মূল ভূমিকায় দেখা যাবে সানি দেলওকে। পরিচালক রাজকুমার সন্তোষীর এই ছবির গল্পের আধার দেশভাগ। ছবি এখন মুক্তির প্রতীক্ষায়।

আমির খান জানালেন, মৃত্যুর আগে ধর্মেন্দ্রর শেষ দেখা ছবিই হল সানি দেওল অভিনীত লাহোর ১৯৪৭। আমির খান বলেন, আমার ও সানির দুজনেই খুব লাকি যে ধরমজিকে এই ছবিটা দেখাতে পেরেছিলাম। কেননা, এই ছবিটা তৈরি করার সময় আলাদা করে আমি আর সানি ধরমজির সঙ্গে আলোচনা করেছিলাম। ওঁর খুবই পছন্দ হয়েছিল এই ছবির চিত্রনাট্য। শুধু তাই নয়, উনি এই ছবিতে অভিনয় করতেও চেয়েছিলেন। তবে সেটা সম্ভব হয়নি। যদি এই ছবিতে তাঁকে পেতাম, তাহলে তো ছবিটা আরও পাওয়ারফুল হতো।

২৭ তারিখ ধর্মেন্দ্রর মুম্বইয়ের বাড়িতেই স্মরণসভার আয়োজন করেছিল তাঁর পরিবারের লোকজন। বলিউডের বহু মানুষেরা এসেছিলেন ধর্মেন্দ্রকে শ্রদ্ধা জানাতে। তবে মুম্বইয়ের বাইরে থাকার কারণে সেই স্মরণসভায় অংশ নিতে পারেননি আমির।


স্ত্রীও রয়েছে একই সিংহাসনে বসে। প্রায় গোটা টলিউড হাজির। ক্যামেরার ঝলকানি। আত্মীয়পরিজনদের ফিসফাস, অট্টহাসি। একের পর এক নিমন্ত্রিত বর-বধূকে শুভেচ্ছা জানাতে মঞ্চে উঠছেন। হেসে আপ্যায়ণও করছেন অভিনেতা। নানা রসিকতাও চলছে টুকটাক। কিন্তু ওসবে আর যেন ভ্রুক্ষেপ করলেন না।


ছেলের বিয়ে দিয়েই খরাজের কড়া নির্দেশ, বউমাকে সব দিয়ে দাও! কী বলছেন খরাজ-পুত্র?
আকাশ মিশ্র


সবে তখন সন্ধে গড়িয়ে অল্প রাত। বৌভাতের ভেন্যু অতিথি সমাগমে জমজমাট। বর-বধূর সিংহাসনে ছেলে ও বউমার মাঝখানে বসে রয়েছেন খরাজ মুখোপাধ্যায়। স্ত্রীও রয়েছে একই সিংহাসনে বসে। প্রায় গোটা টলিউড হাজির। ক্যামেরার ঝলকানি। আত্মীয়পরিজনদের ফিসফাস, অট্টহাসি। একের পর এক নিমন্ত্রিত বর-বধূকে শুভেচ্ছা জানাতে মঞ্চে উঠছেন। হেসে আপ্যায়ণও করছেন অভিনেতা। নানা রসিকতাও চলছে টুকটাক। কিন্তু ওসবে আর যেন ভ্রুক্ষেপ করলেন না! একদম হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন! ছেলেকে দিলেন কড়া নির্দেশ। স্পষ্ট বললেন, যদি ভাল চাও তো বউমাকে সব দিয়ে দাও… শুক্রবার খরাজ মুখোপাধ্যায়ের ছেলে বিহুর রিসেপশন পার্টিতে নাটকীয় মোচড়। ছেলেকে সুখের সংসার, বিয়ে পরবর্তী জীবনের টিপস দিতে গিয়ে খরাজ একদম বেলাগাম। স্ত্রী ও পুত্রবধূকে পাশে রেখেই বলে ফেললেন,বউ নাকি জীবনের আসল গুরু। আর সেই গুরুর কৃপা পেতেই যে কাজগুলো করতে হবে, তার তালিকা ছেলের হাতে আগেভাগেই ধরিয়ে দিয়েছেন খরাজ।

কাণ্ডটা ঠিক কী ঘটল?




অঙ্কনা দাশ ওরফে রোজার সঙ্গে বহুদিনের আলাপ খরাজপুত্র বিহুর। তবে প্রেম চললেও, এই রোজাকেই যে বিয়ে করতে হবে, তা কনফার্ম করেন খরাজপত্নী। ছেলেকে এমনই নির্দেশ দিয়েছিলেন খরাজপত্নী। এ ব্যাপারে স্ত্রীকে খোলা ছাড়ও দিয়েছিলেন অভিনেতা। ছেলেও মেনেছেন মায়ের কথা। তবে বিয়ের পর যে এভাবে দুটি দল তৈরি হবে, তা আগে থেকে ভাবতেই পারেননি খরাজ ও তাঁর পুত্র বিহু। এক দলে খরাজ ও বিহু, আরেক দলে খরাজের স্ত্রী ও তাঁর পুত্রবধূ।

কী তালিকা ছেলের হাতে দিয়েছেন খরাজ?

ছেলে বিহু বলেন, ”মা আর রোজা হল জুটি। আর এই জুটিরই শক্তি বেশি। আমি আর বাবাই প্রতিদিন এদের সামনে হাত পেতে হাত খরচা চাই। যা দেয়, তেমন ভাবেই চলি। বাবা প্রথম দিন থেকে এই টিপস-ই দিয়েছেন। স্পষ্ট বলেছে, সব মা ও বউকে দিয়ে দাও এবং হাত খরচা চাও। তাহলেই সব ঠিক থাকবে, ঠিক রাখবে এবং সব কিছু মসৃণ হয়ে যাবে। আসলে আমাদের পরিবার একেবারে মাতৃতান্ত্রিকতায় বিশ্বাস করে। পিতৃতান্ত্রিক নয়। আমাদের বাড়ির হেড বাবা নন, মা। আর এবার সেই ব্যাটনই পাস হচ্ছে বউয়ের হাতে।”

ছেলের কথা শেষ না হতেই ফস করে খরাজ করে বলে উঠলেন, ”আসলে এবার থেকে শুরু হল আপোস। আপোসটা করে যেতে হবে। একটা জিনিসই মাথার রেখে চলতে হবে যে, বউ আপনার গুরু। সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে… এতটা সবাই শুনেছেন, পরের লাইনটা জানেন?” কৌতুক অভিনেতার মতই মজার অভিব্যক্তিতে বলে ফেললেন খরাজ…”বেশি পাকামো করলে, দেবো ধুনে!” অন্যদিকে, ছেলেও যে বাবার পথেই হাঁটবেন, তা স্পষ্ট করলেন বৌভাতের রাতেই।




কোচবিহার দিনহাটা হল উদয়নের গড়। ২০১১ সাল অর্থাৎ গোটা রাজ্যে যখন পালা বদল হচ্ছে, সেই সময় তিনি ফরওয়ার্ড ব্লকের টিকিটে লড়েন দিনহাটা থেকে। এবং বিধায়ক নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৬ সালে দলবদল করেন। তারপর যোগ দেন তৃণমূলে। সেখান থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য বিধায়ক নির্বাচিত হন।


৫৫ হাজার ভোটে হারাব শুভেন্দুর চ্যালেঞ্জের পাল্টা উন্নয়নের খতিয়ান চাইলেন উদয়ন
উদয়ন গুহ এবং শুভেন্দু অধিকারী

কোচবিহার: শনিবার কোচবিহারে সভা ছিল নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। সেখান থেকে তাঁর হুঙ্কার, ছাব্বিশের ভোটে দিনহাটায় পঞ্চাশ হাজার ভোটে উদয়ন গুহকে হারাবে বিজেপি। এমনকী, রাজ্যের মন্ত্রীকে ‘পাগল’ বলেও কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু। যদিও, ছেড়ে কথা বলেননি রাজ্যের মন্ত্রীও। উত্তরবঙ্গে কী কী উন্নয়ন হয়েছে তার খতিয়ান চাইলেন তিনি।


কোচবিহার দিনহাটা হল উদয়নের গড়। ২০১১ সাল অর্থাৎ গোটা রাজ্যে যখন পালা বদল হচ্ছে, সেই সময় তিনি ফরওয়ার্ড ব্লকের টিকিটে লড়েন দিনহাটা থেকে। এবং বিধায়ক নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৬ সালে দলবদল করেন। তারপর যোগ দেন তৃণমূলে। সেখান থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য বিধায়ক নির্বাচিত হন। তবে ২০২১ সালে বিজেপির নিশীথ প্রামাণিকের কাছে মাত্র ৫৭ ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে বিধায়ক পদ থেকে নিশীথ পদত্যাগ করলে উপনির্বাচনে তিনি রেকর্ড মার্জিনে জয়লাভ করেন আর দায়িত্বপান উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী। সেই উদয়নকেই হারানোর চ্যালেঞ্জ করেছেন শুভেন্দু।

বিরোধী দলনেতা বলছেন, “যে নিজের বাবাকে চোর বলে তার থেকে বড় পাগল ভারতে নেই। ওকে দিনহাটায় হারাব। ২০০৬ হেরেছিল অশোক মণ্ডলের কাছে। আর ২০২১ হেরেছিল নিশীথের কাছে। ২০২৬ এ হারাব শুধু নয়, পঞ্চান্ন হাজার ভোটে হারাব।” এরপর শুভেন্দু মন্তব্যের পাল্টা বক্তব্য রাখেন উদয়ন। তিনি বলেন, “বিজেপির আটজন এমপি ছিল উত্তরবঙ্গে। এই আটজন মিলে ২০০ কোটি টাকা এলাকার উন্নয়নের জন্য পেয়েছিলেন। ওই টাকা খরচ করে বিজেপি কী কী উন্নয়ন করেছে উত্তরবঙ্গের জন্য যদি ওর দম থাকে তাহলে শহরের চৌপথিতে দাঁড়িয়ে এই কথা বলার সাহস দেখায়।” এখানেই শেষ নয়, পাল্টা শুভেন্দুকেও পাগল বলে কটাক্ষ করেছেন উদয়ন।


রাতেই ময়দান চত্বরে ওই যুবতীকে বসিয়ে রেখে গাড়ি নিয়ে চম্পট দেয় তিন অভিযুক্ত। রাতে ওই এলাকায় টহল দিচ্ছিল পুলিশ। টহলরত পুলিশ কর্মীরাই তাঁকে উদ্ধার করেন। কথা বলার চেষ্টা করেন। আংশিক কিছু বিবরণ পেয়ে তাঁরা যোগাযোগ করেন প্রগতি ময়দান থানার সঙ্গে।

ফের কলকাতায় শ্লীলতাহানির অভিযোগ, ৩ অভিযুক্তের খোঁজে প্রগতি ময়দান থানার পুলিশ
প্রতীকী ছবি
ত্বরে। অভিযোগ খাবারের সঙ্গে কিছু খাইয়ে তাঁকে বেহুঁশ করা হয়। অপকর্মের পর ময়দান চত্বেরই তাঁকে ফেলে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। শেষে পুলিশই উদ্ধার করে ওই যুবতীকে। এ ঘটনায় এদিনই প্রগতি ময়দান থানা এলাকায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। নির্যাতিতার দাবি, তিন অভিযুক্তের মধ্যে একজন তাঁর পরিচিত ছিল। অভিযোগ পেতেই অ্যাকশনে নামে পুলিশ। তিন অভিযুক্তের খোঁজে চলছে তল্লাশি। পরিচিতের সঙ্গে যুবতীর কী সম্পর্ক তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত ১০টা নাগাদ। সূত্রের খবর, বাইপাসের উপর আম্বেদকর ব্রিদ লাগোয়া একটি অংশের কাছে ওই যুবতী দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেখান থেকেই গাড়িতে ওঠেন তিনি। নিজের বয়ানে ওই যুবতি জানিয়েছেন, গাড়ির ভিতরে তিনি ও তাঁর তাঁর পরিচিত ছাড়াও আরও দুই ব্যক্তি ছিলেন যাঁদের তিনি চেনেন না। অভিযোগ, গাড়ির মধ্যেই তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয়। এরইমধ্যে খাবারের সঙ্গে এমন কিছু খাওয়ানো হয় যার জেরে বেশ কিছু সময়ের জন্য তিনি কার্যত বেহুঁশ হয়ে পড়েন।


এরইমধ্যেই রাতেই ময়দান চত্বরে ওই যুবতীকে বসিয়ে রেখে গাড়ি নিয়ে চম্পট দেয় তিন অভিযুক্ত। রাতে ওই এলাকায় টহল দিচ্ছিল পুলিশ। টহলরত পুলিশ কর্মীরাই তাঁকে উদ্ধার করেন। কথা বলার চেষ্টা করেন। আংশিক কিছু বিবরণ পেয়ে তাঁরা যোগাযোগ করেন প্রগতি ময়দান থানার সঙ্গে। সোজা নিয়ে আসা হয় প্রগতি ময়দান থানায়। বর্তমানে যুবতী অসুস্থ থাকায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি সুস্থ হলে ঘটনা সম্পর্কে আরও বিশদ বিবরণ পাওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। তবে ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের খোঁজ পেতেও পুরোদমে তদন্ত প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। 


বামেদের এই রাজ্যজোড়া কর্মসূচিতে থাকছে মোট ১১টি জেলা। তবে যাত্রাপথে থাকছে না হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতার মতো জেলা। শনিবার তুফানগঞ্জের দোলমেলা মাঠ থেকে শুরু হয়ে গেল এই কর্মসূচি। আগামী ১৭ ডিসেম্বর শেষ হবে উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটিতে।

বিজেপি নেতারা চায় বলেই তৃণমূল সরকার আছে’, বাংলা বাঁচাও যাত্রার শুরুতেই আক্রমণে মীনাক্ষী
মঞ্চে মীনাক্ষী

 একদিকে বিজেপি যখন পরিবর্তন সংকল্প যাত্রায় ক্রমেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে তখন এবার আসরে নেমে পড়ল বামেরাও। শনিবার কোচবিহারের তুফানগঞ্জ থেকে যাত্রার সূচনা করলেন সিপিএমের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। হয়ে গেল উদ্বোধনী সমাবেশ। ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ দলের ছাত্র-যুব ফ্রন্টের বড় অংশ। বামেদের এই রাজ্যজোড়া কর্মসূচিতে থাকছে মোট ১১টি জেলা। তবে যাত্রাপথে থাকছে না হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতার মতো জেলা। শনিবার তুফানগঞ্জের দোলমেলা মাঠ থেকে শুরু হয়ে গেল এই কর্মসূচি। আগামী ১৭ ডিসেম্বর শেষ হবে উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটিতে।

অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের মতো উত্তরবঙ্গেও যে বামেদের অবস্থা বিশেষ ভাল তা নয়। শেষ বিধানসভা নির্বাচনের ফল বলছে কোচবিহারের ৯টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৬টি বিধানসভাই বিজেপির। তিনটি তৃণমূলের হাতে। তবে শেষ লোকসভা নির্বাচনে খেলা ঘুরিয়েছে তৃণমূল। কোচবিহার আসন জয় পেয়েছে ঘাসফুল শিবির। সিতাই উপনির্বাচনের ক্ষেত্রেও তাই। ধারেধারে সব ক্ষেত্রেই তিন নম্বর জায়গাটা বামেদের খাতায়। তবে এবার বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে সেই কোচিবহারকে পাখির চোখ করেই বাংলা বাঁচানোর ডাক দিলেন সেলিম-মীনাক্ষীরা। 


এদিনের সমাবেশ থেকে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই তৃণমূল-বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াতে দেখা যায় মীনাক্ষীকে। সুর চড়িয়ে বলেন, “বিজেপির কর্মীরা শুনে রাখুন আপনাদের নেতারা চায় বলে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সরকারটা আছে। গোটা পশ্চিমবঙ্গ দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য হয়ে গেল কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে এই সরকাপ উৎখাত হল না। উৎখাত যদি করতে হয় তাহলে লাল ঝান্ডা একমাত্র বিকল্প।”  

তবে পাল্টা যে তৃণমূল, বিজেপিও ছেড়ে কথা বলছে এমনটা নয়। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “সিপিএম হচ্ছে তৃণমূলের বি টিম। তৃণমূল বিরোধী ভোট কেটে তৃণমূলকে জেতানোই সিপিএমের কাজ। এই লোকসভাকে আড়াই লক্ষ ভোট কেটে সুজন চক্রবর্তী তিনি সৌগত রায়কে জিতিয়েছেন। ওদের বোঝাপড়া রয়েছে।” তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী তো খোঁচা দিয়ে বলছেন, “উদ্যোগটা ওদের খুব ভাল। শুধু নামটা বাংলা বাঁচাও যাত্রার বদলে সিপিএম বাঁচাও করলে ভাল হতো।”  


ধোনির শহর রাঁচিতে আগামিকাল ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ওডিআই ম্যাচ। তেম্বা বাভুমার দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে এর আগে ২ টেস্টের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ভারত। সেই হারের ক্ষত এখনও বেশ টাটকা। তবে সে সব ভুলে ওডিআই সিরিজে নামবে ভারত।

ধোনির শহরে রবিবাসরীয় IND-SA ম্যাচ, গ্যালারিতে থাকবেন মাহি? রাহুল বললেন...
ধোনি কি রাঁচিতে ম্যাচ দেখতে আসবেন?

গ্যালারিতে বসে ভারতীয় টিমের খেলা দেখছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি (MS Dhoni)? ভাবুন তো দৃশ্যটা কেমন হবে? একদিকে ক্রিকেট প্রেমীরা ভারতের ম্যাচ নিয়ে উত্তেজিত যেমন থাকবেন, তেমনই অপরদিকে ধোনির ঝলক পাওয়ার জন্য তাঁরা মরিয়া হয়ে উঠবেন! আসলে ধোনির শহর রাঁচিতে আগামিকাল ভারত (India) ও দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) প্রথম ওডিআই ম্যাচ। তেম্বা বাভুমার দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে এর আগে ২ টেস্টের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ভারত। সেই হারের ক্ষত এখনও বেশ টাটকা। তবে সে সব ভুলে ওডিআই সিরিজে নামবে ভারত। এমনটাই প্রেস কনফারেন্সে জানিয়েছেন ভারতের স্ট্যান্ড ইন ক্যাপ্টেন লোকেশ রাহুল (KL Rahul)। এই প্রেস কনফারেন্সেই রাহুলকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ভারতের ম্যাচ দেখতে কি গ্যালারিতে হাজির থাকবেন ধোনি? এই প্রশ্নের উত্তরে কী বললেন তিনি? জানুন বিস্তারিত।

২০১৬ সালে হারারেতে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ধোনির নেতৃত্বে ওডিআই ফর্ম্যাটে ডেবিউ হয়েছিল রাহুলের। তিনি বলেন, ‘আমরা সকলেই ওর অধীনে খেলেছি। আমরা ওর ভক্ত। একসঙ্গে খেলেছি। আমরা সকলে ভাল বন্ধু। ধোনিকে কাছ থেকে চিনতে ও জানতে পারা মানেই বড় ব্যাপার। এমএস ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম সফল ক্রিকেটার। আমরা সকলে তাঁকে ভাল মানুষ হিসেবে সম্মান করি। তাই যদি তিনি সত্যিই ম্যাচ দেখতে আসেন, তা হলে শুধু দর্শকরাই নয়, আমরাও ভীষণ উত্তেজিত হব।’


টিম ইন্ডিয়ার বড় টার্গেট ২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপ। তার জন্য বোর্ড এখন থেকেই টিমটাকে ঠিক করে গুছিয়ে নিতে চাইছে। এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেট মহলে সকলের মুখেই ঘোরাফেরা করছে, বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাকে কি সাতাশের বিশ্বকাপে খেলতে দেখা যাবে?


বিরাট-রোহিতের ODI ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা, দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের পরই কি বড় সিদ্ধান্ত নেবে বিসিসিআই?
বিরাট-রোহিতের ODI ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা, বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে BCCI!


টিম ইন্ডিয়ার বড় টার্গেট ২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপ। তার জন্য বোর্ড এখন থেকেই টিমটাকে ঠিক করে গুছিয়ে নিতে চাইছে। এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেট মহলে সকলের মুখেই ঘোরাফেরা করছে, বিরাট কোহলি (Virat Kohli) ও রোহিত শর্মাকে (Rohit Sharma) কি সাতাশের বিশ্বকাপে খেলতে দেখা যাবে? আগামিকাল অর্থাৎ ৩০ নভেম্বর থেকে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার ওডিআই সিরিজ শুরু হবে। তারপরই বিসিসিআই বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে। ২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI) বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার ওয়ানডে (ODI) কেরিয়ারের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে চায়।

বোর্ডের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিসিসিআই এখন থেকেই ২০২৭ বিশ্বকাপের জন্য দল গোছাতে চাইছে। সেই সময় রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি, দু’জনেরই বয়স ৪০-এর কাছাকাছি হবে। বোর্ডের একাংশের মতে, এই পরিস্থিতিতে তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন। একইসঙ্গে বোর্ড আর কোনও ছোট্ট ভাবনা নয়, করতে চাইছে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।




বিসিসিআইয়ের এক কর্তা সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “রোহিত ও কোহলির মতো ক্রিকেটারদের কাছ থেকে কী প্রত্যাশা করা হচ্ছে এবং বর্তমান ম্যানেজমেন্ট তাঁদের ভূমিকা কীভাবে দেখছে, সেই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা শুধুমাত্র অনিশ্চয়তা নিয়ে খেলতে পারে না। বোর্ডের পক্ষ থেকে রোহিতকে শুধুমাত্র তাঁর ফিটনেস ও পারফরম্যান্সের ওপর মনোযোগ দিতে বলা হয়েছে।” বোর্ডের ওই সূত্রের মতে, রোহিতকে তাঁর ওডিআই ভবিষ্যৎ নিয়ে সব রকম জল্পনা কল্পনা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।

নির্বাচকদের মধ্যে কি বিভাজন?
এই দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের ভবিষ্যৎ নিয়ে নির্বাচক এবং বোর্ড কর্তাদের মধ্যে চাপা চাপানউতোর রয়েছে বলেও ক্রিকেট মহলে শোনা গিয়েছে। এক পক্ষ মনে করছে, রোহিত-বিরাটকে অন্তত আরও এক বছর দলে রেখে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনা উচিত। অন্য পক্ষ মনে করছে, ভবিষ্যতের কথা ভেবে এখনই তরুণদের হাতে দায়িত্ব দেওয়া দরকার। আপাতত এই দুই তারকার ভবিষ্যৎ নিয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের পরই এই বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামিকাল, রবিবার শুরু হচ্ছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ান ডে সিরিজ। সেখানে অ্যাকশনে দেখা যাবে রো-কো জুটিকে। তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ শুরু হওয়ার আগে দলের দুই মহাতারকা— বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার প্রত্যাবর্তনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন ভারতের স্ট্যান্ড ইন ক্যাপ্টেন কেএল রাহুল।


রোহিত-বিরাট থাকলে টিম ইন্ডিয়ার ড্রেসিংরুমে কী হয়? ফাঁস করলেন রাহুল
কোহলি-রোহিত থাকলে ড্রেসিংরুমে কী হয়? ফাঁস করলেন রাহুল


রোহিত শর্মা (Rohit Sharma) ও বিরাট কোহলি (Virat Kohli) যতই টেস্ট ও টি-২০ ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে দিন না কেন, তাঁদের গুরুত্ব ভারতীয় দলে এখনও অপরিসীম। ভারতীয় ক্রিকেটের এই দুই স্তম্ভ ড্রেসিংরুমে থাকা মানে পরিবেশটাই হয় আলাদা। আগামিকাল, রবিবার শুরু হচ্ছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ান ডে সিরিজ। সেখানে অ্যাকশনে দেখা যাবে রো-কো জুটিকে। তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ শুরু হওয়ার আগে দলের দুই মহাতারকা— বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার প্রত্যাবর্তনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন ভারতের স্ট্যান্ড ইন ক্যাপ্টেন কেএল রাহুল। তিনি স্বীকার করে নিলেন যে, দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের অভিজ্ঞতা ড্রেসিংরুমে আত্মবিশ্বাস যোগাবে।

বিরাট ‘স্ট্রাইক রোটেট’-এর মাস্টার!
বিরাট কোহলির অনুশীলন প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে রাহুল জানান, কোহলি বরাবর সুপারহিট। অনুশীলনে নিজের ১০০ শতাংশ বরাবর দেন। স্ট্রাইক রোটেট করার দিকে কোহলির থাকে বিশেষ নজর, এমনটাই বলেন রাহুল। তাঁর কথায়, “ওয়ান ডে ক্রিকেটে বাউন্ডারির মতোই সিঙ্গলস গুরুত্বপূর্ণ। বিরাট সেই কাজে একজন মাস্টার। আমরা সকলে ওর কাছ থেকে শিখি। ও দলে ফিরে খুবই উৎসাহিত এবং ও উপস্থিতি সব সময়ই মূল্যবান।”



 মহাকাল মন্দিরের জন্য ২৯ একর জমি বরাদ্দ, কেন বিতর্ক এই জমি ঘিরে?
সিনিয়রদের গুরুত্ব বিশাল
রাহুল বলেন, “দলের যে কোনও পরিস্থিতিতে তাঁদের গুরুত্ব অপরিসীম। সিনিয়র খেলোয়াড়রা দলে থাকলে ড্রেসিংরুমের সকলে স্বাভাবিকভাবেই আরও অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী অনুভব করে। তাঁদের উপস্থিতি এবং অভিজ্ঞতা ড্রেসিংরুমের অনেক খেলোয়াড়কে সাহায্য করে এবং দলকেও সাহায্য করে। তাই তাঁরা এই সিরিজে ফেরায় আমরা সকলে সত্যিই খুশি।”

লক্ষ্য কেবল জয়
রাহুল স্পষ্টত জানিয়েছেন, যে এখন দলের মূল ফোকাস হচ্ছে ওডিআই সিরিজ জেতা। তিনি “জয়টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। তাই আমরা সেই দিকেই মনোযোগ দিচ্ছি। এক সপ্তাহ আগে কী হয়েছে, তা ভুলে গিয়ে কালকের (পরের) ম্যাচের ওপর মনোযোগ দেওয়া এবং কীভাবে আমরা সকলে মিলে একটা ভাল পারফরম্যান্স তুলে ধরতে পারি, সেটা দেখা।”

জাডেজার প্রত্যাবর্তনেও স্বস্তি
মার্চ মাসে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর প্রথমবারের মতো অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাডেজা ওডিআই ক্রিকেটে ফিরছেন। এই প্রসঙ্গে রাহুল বলেন, “জাড্ডু বারবার ভারতের জন্য কাজটি করে দেখিয়েছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য বিশাল।”

এ বার দেখার টেস্ট সিরিজে হারের ধাক্কা কাটিয়ে ওডিআইতে লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বাধীন ভারত কেমন পারফর্ম করে।

হার্দিক পান্ডিয়া ১৪ অক্টোবর চোট নিয়ে বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে গিয়েছিলেন। সেখানে ১ মাস ১২ দিন রিহ্যাব পর্ব কাটানোর পর ২২ গজে ফেরার সবুজ সংকেত মিলেছে।



১ মাস ১২ দিন রিহ্যাবে কাটিয়ে ২২ গজে ফিরছেন হার্দিক পান্ডিয়া, কোথায় দেখা যাবে তারকাকে?
হার্দিক পান্ডিয়া


ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য সুখবর। রাঁচিতে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা (India vs South Africa) প্রথম ওডিআই ম্যাচের আগে হার্দিক পান্ডিয়াকে (Hardik Pandya) নিয়ে বড় আপডেট পাওয়া গিয়েছে। তারকা অলরাউন্ডার ২২ গজে ফেরার জন্য ফিট হয়ে উঠেছেন। দীর্ঘ ৪২ দিন কঠোর রিহ্যাব পর্ব কাটিয়েছেন হার্দিক। এ বার ফের ব্যাট-বল হাতে হার্দিকের ম্যাজিক দেখানোর পালা। কোথায় ও কবে অ্যাকশনে দেখা যাবে বরোদার তারকা অলরাউন্ডারকে?

যে এশিয়া কাপে ভারত চ্যাম্পিয়ন হল, সেখানে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে নেমে চোট পেয়েছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যার ফলে ফাইনালে খেলতে পারেননি। এরপর দেশের জার্সিতে আর কোনও ম্যাচ খেলতে পারেননি তারকা অলরাউন্ডার। তিনি যাবন বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে চোট সারাতে। এরপর বিসিসিআইয়ের মেডিক্যাল টিমের সদস্যদের তত্ত্বাবধানে সেখানে বেশ কিছুদিন ছিলেন তিনি। চোটমুক্ত হওয়ার পর সেখানেই চলেছে হার্দিকের রিহ্যাব পর্ব। এ বার হার্দিককে ফিট ঘোষণা করল বোর্ডের মেডিক্যাল টিম।



কবে ২২ গজে ফিরছেন হার্দিক পান্ডিয়া?
প্রথমে শোনা গিয়েছিল, আগামিকাল অর্থাৎ ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে চলা ওডিআই সিরিজে খেলতে দেখা যেতে পারে হার্দিক পান্ডিয়াকে। কিন্তু পরে বোর্ডের মেডিক্যাল টিম ঠিক করে বড় ফর্ম্যাটের জায়গায় ছোট ফর্ম্যাটে তিনি যদি কামব্যাক করেন, তা হলে চাপ কম হবে। আপাতত যা খবর, তাতে ৩২ বছর বয়সী অলরাউন্ডারকে দেখা যাবে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে। হায়দরাবাদে তিনি ক্রুণাল পান্ডিয়ার নেতৃত্বাধীন বরোদা দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন। খেলবেন ২ ডিসেম্বর, ৪ ও ৬ ডিসেম্বর।

হার্দিক পান্ডিয়া ১৪ অক্টোবর চোট নিয়ে বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে গিয়েছিলেন। সেখানে ১ মাস ১২ দিন রিহ্যাব পর্ব কাটানোর পর ২২ গজে ফেরার সবুজ সংকেত মিলেছে। হার্দিক সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। ক্রিকেট মহলের মতে, ছাব্বিশের কুড়ি-বিশের বিশ্বকাপে তাঁকে চায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই তাঁর মাঠে ফেরা নিয়ে কোনওরকম তাড়াহুড়ো করতে চায়নি বোর্ড।