Articles by "Bollywood News"
Showing posts with label Bollywood News. Show all posts

 কান চলচ্চিত্র উৎসবে ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের লুক নিয়ে নেটমাধ্যমে ধেয়ে আসা কটাক্ষের কড়া জবাব দিলেন মাধুরী দীক্ষিত। সহ-অভিনেত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে বডি-শেমিংয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তৃপ্তি দিমরি এবং কঙ্গনা রানাওয়াতও।


গত দু’দশক ধরে ঐশ্বর্য রাই বচ্চন (Aishwarya Rai Bachchan) ছাড়া কান চলচ্চিত্র উৎসব ভাবতে পারেননা অনেকেই। অথচ, ২০২৬ সালের কান-এর রেড কার্পেটে হাঁটার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় তীব্র ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হয়েছে এই বিশ্বসুন্দরীকে। তাঁর পোশাক থেকে শুরু করে বয়স ও ওজন, কোনও কিছুই বাদ যায়নি নিন্দুকদের চর্চা থেকে। তবে এবার এই অহেতুক বডি-শেমিংয়ের বিরুদ্ধে সরব হলেন বলিউডের ‘ধক ধক গার্ল’ মাধুরী দীক্ষিত। ‘দেবদাস’-এর সহ-অভিনেত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে সোশাল মিডিয়ার বিষাক্ত সংস্কৃতিকে রীতিমতো ধুয়ে দিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে গলা মেলালেন তৃপ্তি দিমরি এবং কঙ্গনা রানাওয়াতও।


সোশাল মিডিয়ায় বর্তমানে কাউকে বিচার করার প্রবণতা যে কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠেছে, একটি সাক্ষাৎকারে সেই প্রসঙ্গেই কথা বলেন মাধুরী। তিনি জানান, আগেও মানুষের এমন মানসিকতা ছিল, কিন্তু তখন মন্তব্য করার নির্দিষ্ট কোনও জায়গা ছিল না। এখন সোশাল মিডিয়ার দৌলতে যে কেউ যখন-তখন যা খুশি বলার প্ল্যাটফর্ম পেয়ে গিয়েছে। ঐশ্বর্যার হয়ে সওয়াল করে মাধুরী স্পষ্ট বলেন, “গত ২০ বছর ধরে কান-এর মঞ্চে সে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং গোটা দেশকে গর্বিত করেছে। তাকে কখনও শুধুমাত্র ওজনের কাঁটা, পোশাকের মাপ বা ক্যালেন্ডারের বয়সের সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যায় না।”



নিউ ইয়র্কের টাইমস স্ক্যোয়ারে বিলবোর্ডে 'মায়া সত্য ভ্রম', শমীক বললেন...
'এরপর মায়ের যদি কিছু হয়ে যায়...' নেটিজেনদের কাছে কাতর আর্জি সায়নীর দিদির
মাধুরীর মতে, ঐশ্বর্য শুধু বাইরে থেকে নয়, ভিতর থেকেও একজন অসম্ভব সুন্দর মানুষ। এই ধরনের কদর্য কটাক্ষ করে আজকের যুবসমাজের কাছে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর কথায়, মানুষের যোগ্যতা তাঁর চেহারায় নয়, বরং তাঁর কৃতিত্বের ওপর নির্ভর করে।


এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন তৃপ্তি দিমরিও। ঘরে বসে সহজেই অন্যের দিকে আঙুল তোলার কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। তৃপ্তি বলেন, “বাড়িতে আরাম করে পাজামা পরে বসে অন্যের সমালোচনা করা খুব সহজ। কিন্তু যাঁরা নিজেদের জীবনে এতটা পরিশ্রম করে একটা জায়গায় পৌঁছেছেন, তাঁদের জায়গায় দাঁড়িয়ে পরিস্থিতিটা বোঝা উচিত।” তাঁর মতে, অনন্যা পাণ্ডে হোক বা ঐশ্বর্য, এঁরা প্রত্যেকেই কঠোর পরিশ্রমী, তাই তাঁদের সম্মান প্রাপ্য, কোনও কটাক্ষ নয়।

এর আগে কঙ্গনা রানাওয়াতও ঐশ্বর্যার সমর্থনে এগিয়ে এসেছিলেন। তিনি সাফ জানিয়েছিলেন যে, ঐশ্বর্য কান-এর মঞ্চে কাউকে খুশি করতে যাননি। বয়স্ক মহিলারা রেড কার্পেট বা জনসমক্ষে দাপটের সঙ্গে রাজত্ব করছেন, এটা দেখে যদি কারও অস্বস্তি হয়, তবে সেই অস্বস্তিতেই তাঁদের অভ্যস্ত হয়ে ওঠা উচিত বলে মন্তব্য করেন কঙ্গনা।

বলিউডের অভিনেত্রীদের এমন একজোট হয়ে প্রতিবাদ করাটা ডিজিটাল দুনিয়ায় বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ট্রোলিংয়ের এই যুগে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর এই ছবি প্রমাণ করে দেয়, প্রতিভা ও বহু বছরের কঠিন পরিশ্রমের কাছে এই ধরনের সমালোচনা নিতান্তই অর্থহীন।


নিজের মন্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে অন্নু কাপুর জানান, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “আসলে সমস্যাটা ভাষার। এই একই কথা যদি আমি ইংরেজিতে বলতাম, তবে হয়তো এতটা খারাপ লাগত না। মাতৃভাষায় বলেছি বলেই বিষয়টাকে অন্য নজরে দেখা হচ্ছে।


তামান্নার পা ধরে ক্ষমা চাইবেন অন্নু কাপুর! হঠাৎ কী ঘটল?
তামান্নার পা ধরে ক্ষমা চাইবেন অন্নু কাপুর!
আকাশ মিশ্র


অভিনয়ের পাশাপাশি ঠোঁটকাটা স্বভাবের জন্য মাঝেমধ্যেই শিরোনামে আসেন অন্নু কাপুর। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে তমন্না ভাটিয়ার সৌন্দর্য বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি ‘দুধের মতো শরীর’ শব্দবন্ধটি ব্যবহার করেন। দক্ষিণ ভারতে তামান্নাকে ‘মিল্কি বিউটি’ বলা হলেও, অভিনেত্রী নিজে এই তকমাটি একেবারেই পছন্দ করেন না। স্বাভাবিকভাবেই অন্নুর এই মন্তব্যকে ‘যৌনগন্ধী’ হিসেবে দাগিয়ে দিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয় নেটপাড়ায়।


নিজের মন্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে অন্নু কাপুর জানান, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “আসলে সমস্যাটা ভাষার। এই একই কথা যদি আমি ইংরেজিতে বলতাম, তবে হয়তো এতটা খারাপ লাগত না। মাতৃভাষায় বলেছি বলেই বিষয়টাকে অন্য নজরে দেখা হচ্ছে।” তিনি দাবি করেন, তিনি অত্যন্ত শুদ্ধ মনেই তামান্নার নাচের এবং তাঁর রূপের প্রশংসা করেছিলেন।



বিতর্কের সূত্রপাত কেবল রূপ নিয়ে নয়, তামান্নার একটি পুরনো মন্তব্যকেও বিঁধেছিলেন অন্নু। তামান্না জানিয়েছিলেন, তাঁর জনপ্রিয় গানগুলো শুনলে নাকি বাচ্চারাও শান্ত হয়ে খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। অন্নু সেই সময় কটাক্ষ করে বলেছিলেন, “৭০ বছরের বাচ্চারাও তো এমন গান শুনে ঘুমোতে যেতে পারে!” এই বিদ্রূপ ভালো মনে নেননি অভিনেত্রী। তবে এবার সুর নরম করে অন্নু বলেন, “আমার কথায় যদি তামান্না মনক্ষুণ্ণ হয়ে থাকেন, তবে আমি ওঁর পা ধরে ক্ষমা চাইতেও কুণ্ঠিত নই। আমি দেখতে চাই, ৭১ বছরের একজন বৃদ্ধ ক্ষমা চাইলে তিনি মাফ করেন কিনা!”


বর্তমানে তমন্না মানেই আইটেম ড্যান্সের সুপারহিট গ্যারান্টি। ‘স্ত্রী ২’-এর ‘আজ কি রাত’ হোক কিংবা ওয়েব সিরিজ়ে ‘গফুর’— তাঁর নাচের ছন্দে কুপোকাত আট থেকে আশি। তাঁর এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার কথা স্বীকার করেও অন্নু কাপুর যে ‘ক্ষমা’ চাওয়ার কার্ড খেললেন, তাতে দুই তারকার সম্পর্কের বরফ গলে কি না, সেটাই এখন দেখার।



সম্প্রতি একটি টিভি শোতে এসে কাজল ও টুইঙ্কল খান্নার সঙ্গে আড্ডা দিতে গিয়ে বলেন, তাঁর বাবা ফাইট মাষ্টার সেটা তিনি জানলেও স্টুডিও সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না, কোনও দিন বাবাকে বলেননি, যে তিনি স্টুডিয়োতে যেতে চান। তবে হৃত্বিক রোশন এর সঙ্গে দেখা করিয়ে দিতে বলেছিলেন।


হৃত্বিকের সঙ্গে দেখা করার জন্য জানেন কী করতে হয়েছিল ভিকি কৌশলকে?


আজকের অভিনেতা ভিকি কৌশলের নাচের স্টেপ দেখে প্রশংসা করেছিলেন সুপারস্টার হৃত্বিক রোশন। তবে অনেকেই জানেন না ভিকি বড় ভক্ত হৃত্বিক। সম্প্রতি একটি টিভি শোতে এসে কাজল ও টুইঙ্কল খান্নার সঙ্গে আড্ডা দিতে গিয়ে বলেন, তাঁর বাবা ফাইট মাষ্টার সেটা তিনি জানলেও স্টুডিও সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না, কোনও দিন বাবাকে বলেননি, যে তিনি স্টুডিয়োতে যেতে চান। তবে হৃত্বিক রোশন এর সঙ্গে দেখা করিয়ে দিতে বলেছিলেন।


ভিকির গল্প বলতে গিয়ে বললেন, ” আমি তখন দশম শ্রেণীর ছাত্র। ‘কাহোনা প্যার হ্যায়’ মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই গোটা দেশ ঋত্বিক রোশনে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছে। আমিও ফ্যান তখন। জানতে পারলে আমার বাবার সঙ্গেই কাজ করছেন হৃত্বিক রোশন। বাবাকে এই প্রথম অনুরোধ করি স্টুডিয়োতে গিয়ে যেন আলাপ করিয়ে দেন। বাবা বললেন, আসলে হৃত্বিক তাদের সঙ্গেই দেখা করেন, যাঁরা ‘এক পলকা জিনা ‘ র সিগনেচার স্টেপ করতে পারে। ব্যস, যেমন শোনা তেমন কাজ, দিন রাত প্র্যাকটিস করতে থাকলাম সেই বিখ্যাত স্টেপ। আমার ধারণা ছিল, আমি দারুণ ডান্স করবো হৃত্বিকের সামনে, আর উনি আমার ফ্যান হয়ে যাবেন।



শনির উদয়ে বদলে যাবে সময়, কোন রাশির খুলবে কপাল, কারা থাকবেন বিপদে?
ভিকি আরও জানালেন, ”এর পর বাবা আমায় নিয়ে গিয়েছিল তখন ঋত্বিক রোশন অন্য ছবির শুট করছিলেন, আমার সঙ্গে ছবি তুললেন, গল্প করলেন। এর পর আমি বসে আছি সিনেমার সেটে। এই প্রথম আমি বুঝতে পারলাম, তিন ঘণ্টার ছবি তিন ঘন্টায় তৈরি হয় না , তিনমাস সময় লাগে। একই সিন ঘন্টার পর ঘন্টা হয়ে চলেছে, বোরিং একটা কাজ। জনি লিভারকে দেখেছি একই জোক হাজার বার বলছেন। আমি বোর্ড হয়ে ভাবছি কখন বাড়ি যাবো? সেই সময় কোনও ধারণা ছিল না আগামী দিনে তিনি এই কাজে আসবেন।

তখনও নায়ক হয়ে ওঠেননি অভিষেক, কাজ করছিলেন বাবার ছবি ‘মৃত্যুদাতা’-র প্রোডাকশন বয় হিসেবে। লোকেশন দেখতে গিয়েছেন সুইজারল্যান্ডে। সেখানেই ববি দেওলের সঙ্গে শ্যুটিং করছিলেন ঐশ্বর্য। ববিই আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন দুজনের। অভিষেকের কথায়, “সেই সময় আমার ব্রিটিশ উচ্চারণের ইংরেজি ঐশ্বর্য কিছুই বুঝতে পারছিল না!” সেই শুরু, তারপর বন্ধুত্ব আর প্রেম।


অমিতাভ-জয়ার কাছে ঐশ্বর্য এখন ‘দ্বিতীয় সন্তান’, স্ত্রীর সাফল্যে হিংসা হয় অভিষেকের?
স্ত্রীর সাফল্যে হিংসা হয় অভিষেকের?



বলিউডের সবথেকে প্রভাবশালী পরিবারগুলের মধ্যে অন্যতম বচ্চন পরিবার। আর সেই পরিবারের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহল চিরকালই তুঙ্গে। বিটাউনের সবথেকে চর্চিত বিয়ের আসর বসেছিল ২০০৭ সালের ২০ এপ্রিল। একদিকে অমিতাভ বচ্চনের আদরের পুত্র অভিষেক, অন্যদিকে বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বর্য রাই। সেই রাজকীয় পরিণয়ের ১৯ বছর পূর্ণ হল। চড়াই-উতরাই আসুক বা বিচ্ছেদের গুঞ্জন- বচ্চন দম্পতির রসায়ন আজও অনুরাগীদের কাছে এক বড় পাওনা। সম্পর্কের এই দীর্ঘ সফরে একে অপরের সম্পর্কে ঠিক কী ভাবেন অভিষেক-ঐশ্বর্য? কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে ঐশ্বর্য কেবল অভিষেকের স্ত্রী হয়েই থাকেননি, বরং শ্বশুরবাড়ির অন্দরে নিজের এক আলাদা সাম্রাজ্য তৈরি করে নিয়েছেন। খোদ অভিষেকই একবার ফাঁস করেছিলেন, তাঁর বাবা-মায়ের কাছে অ্যাশ এখন আর শুধুই বউমা নন, বরং তাঁদের ‘দ্বিতীয় কন্যা’।


তখনও নায়ক হয়ে ওঠেননি অভিষেক, কাজ করছিলেন বাবার ছবি ‘মৃত্যুদাতা’-র প্রোডাকশন বয় হিসেবে। লোকেশন দেখতে গিয়েছেন সুইজারল্যান্ডে। সেখানেই ববি দেওলের সঙ্গে শ্যুটিং করছিলেন ঐশ্বর্য। ববিই আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন দুজনের। অভিষেকের কথায়, “সেই সময় আমার ব্রিটিশ উচ্চারণের ইংরেজি ঐশ্বর্য কিছুই বুঝতে পারছিল না!” সেই শুরু, তারপর বন্ধুত্ব আর প্রেম।


মা-বাবার কোটি টাকার সম্পত্তি, জানেন অক্ষয়-টুইঙ্কলের ছেলে কত টাকা স্যালারির চাকরি করেন?
বাবা হলেন দীপিকার ছবির পরিচালক অ্যাটলি, 'জওয়ান'-এর ঘরে ছেলে এল নাকি মেয়ে?
বিয়ের পর ঐশ্বর্য শুধু পুত্রবধূ নন, হয়ে উঠেছেন অমিতাভ ও জয়া বচ্চনের ঘরের মেয়ে। অভিষেক একবার ফাঁস করেছিলেন যে, অমিতাভ বচ্চনের গাম্ভীর্য ভরা ‘গুড মর্নিং’ শুনলে যে কেউ ঘাবড়ে যেতে পারে, কিন্তু ঐশ্বর্য খুব তাড়াতাড়ি মানিয়ে নিয়েছেন। এখন তো অভিষেকের চেয়ে তাঁর বাবার সঙ্গেই ঐশ্বর্যর গল্প জমে বেশি। শ্বশুরবাড়িতে অভিষেকও বেশ আদুরে। ফোন না করেই পৌঁছে যান শ্বশুরবাড়িতে, আর সরাসরি আবদার করেন খাবারের!অমিতাভ বচ্চন এখন নিজের ছেলের চেয়ে পুত্রবধূর সঙ্গেই বেশি সময় কাটান, আড্ডা দেন। এমনকি অভিষেক মজা করে বলেছিলেন, তাঁর বোন শ্বেতার জায়গা কেউ নিতে না পারলেও, বাবা-মায়ের কাছে ঐশ্বর্য এখন তাঁদের দ্বিতীয় মেয়ের মতোই আদুরে।


ঐশ্বর্যর জগৎজোড়া খ্যাতি কি কখনও অভিষেককে ছোট করে দেয়? এই প্রশ্নের জবাবে ঐশ্বর্য বরাবরই সরব। তিনি মনে করেন, ‘ওভারশ্যাডো’ শব্দটি ব্যবহার করাই অনুচিত। তাঁর কথায়, অভিষেক নিজের যোগ্যতায় ইন্ডাস্ট্রিতে জায়গা করে নিয়েছেন। অন্যদিকে, ঐশ্বর্য যখন ‘পদ্মশ্রী’ পান বা কান চলচ্চিত্র উৎসবে রেড কার্পেটে হাঁটেন, অভিষেক গর্ব করে বলেন, “একজন পুরুষ হিসেবে স্ত্রীকে এগিয়ে দিতে আমার কোনও দ্বিধা নেই।”

কেবল ঐশ্বর্য নন, অভিষেকও শ্বশুরবাড়িতে নিজেকে ঘরের ছেলে করে তুলেছেন। কোনও ফোন না করেই হুটহাট শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছে যাওয়া কিংবা গিয়েই সোজা বিছানায় আয়েশ করে বসে খাবার আবদার করা— অভিষেকের এই সহজাত ভঙ্গিই দুই পরিবারকে এক সুতোয় বেঁধেছে।

১৯ বছরের এই যাত্রায় বিচ্ছেদের গুঞ্জন বহুবার উঠেছে, কিন্তু দিনশেষে জুটির পারস্পরিক শ্রদ্ধা অটুট। স্ত্রী যখন বিশ্বমঞ্চে সমাদৃত হন, অভিষেক তখন গর্বিত স্বামী হিসেবে তাঁর পাশে দাঁড়ান। তাঁর মতে, স্ত্রীর সাফল্যকে উদযাপন করা কোনও হীনম্মন্যতা নয়, বরং একজন প্রকৃত পুরুষের পরিচয়।

 সাধারণত কোনও তারকার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে অনেক সংস্থা তাঁর অনুমতি ছাড়াই টি-শার্ট, পোস্টার বা অন্যান্য সামগ্রী তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে। অল্লু অর্জুনের দাবি, তাঁর সম্মতি ছাড়া তাঁর ব্যক্তিত্বের কোনো অংশই যেন বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করা না হয়। এই অধিকারটিকেই আইনি ভাষায় বলা হয় ‘পার্সোনালিটি রাইটস’।



তেলুগু সিনেমার মহাতারকা অল্লু অর্জুন এবার আদালতের শরণাপন্ন হলেন। টলিউডের এই অভিনেতার অভিযোগ, তাঁর অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন বাণিজ্যিক পণ্য বা ‘মার্চেন্ডাইজ’-এ তাঁর নাম, ছবি এবং কণ্ঠস্বর ব্যবহার করা হচ্ছে। এই যথেচ্ছ ব্যবহার রুখতেই দিল্লি হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করেছেন তিনি। শুক্রবার বিচারপতি তুষার রাও গেডেলার এজলাসে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

সাধারণত কোনও তারকার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে অনেক সংস্থা তাঁর অনুমতি ছাড়াই টি-শার্ট, পোস্টার বা অন্যান্য সামগ্রী তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে। অল্লু অর্জুনের দাবি, তাঁর সম্মতি ছাড়া তাঁর ব্যক্তিত্বের কোনো অংশই যেন বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করা না হয়। এই অধিকারটিকেই আইনি ভাষায় বলা হয় ‘পার্সোনালিটি রাইটস’।



এটি কোনো ব্যক্তির আইনি অধিকার, যার মাধ্যমে তিনি নিজের পরিচয়— যেমন নাম, ছবি, কণ্ঠস্বর, স্বাক্ষর, এমনকি তাঁর জনপ্রিয় কোনো সংলাপের বাণিজ্যিক ও প্রকাশ্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এর দুটি প্রধান দিক রয়েছে- পাবলিসিটি রাইট: অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপনে ছবি বা পরিচয় ব্যবহার করে মুনাফা লোটা বন্ধ করা। প্রাইভেসি রাইট: মফড ছবি, ডিপফেক ভিডিও বা জাল বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কারও ব্যক্তিগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়া থেকে রক্ষা করা।

কেবল আল্লু অর্জুন নন, সম্প্রতি অমিতাভ বচ্চন, অনিল কাপুর এবং জ্যাকি শ্রফের মতো তারকারাও এই অধিকার রক্ষায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। খুব সম্প্রতি বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ানও বম্বে হাইকোর্ট থেকে এ বিষয়ে স্বস্তি পেয়েছেন। আদালত তাঁর ব্যক্তিত্বের অধিকার লঙ্ঘনকারী সমস্ত কন্টেন্ট ইন্টারনেট থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

বিশ্বজুড়ে অল্লু অর্জুনের অগণিত অনুরাগী থাকলেও, ব্যবসায়িক স্বার্থে তাঁর পরিচয়ের অপব্যবহার রুখতে অভিনেতার এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দিল্লি হাইকোর্ট এই বিষয়ে কী রায় দেয়, এখন সেটাই দেখার।



সিনেমায় জুনায়েদ খানকে দেখা যাবে একজন লাজুক প্রেমিকের চরিত্রে, যে তাঁর সহকর্মী সাই পল্লবীকে মনে মনে পছন্দ করলেও মুখ ফুটে বলতে পারে না। কিন্তু গল্পের মোড় ঘোরে জাপানে একটি ভ্রমণের সময়। সেখানে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় সাই পল্লবীর চরিত্রটি ‘ট্রানজিয়েন্ট গ্লোবাল অ্যামনেসিয়া’ (TGA) বা সাময়িক স্মৃতিভ্রমের শিকার হয়।


কীভাবে সিনেমার নায়ক হয়ে উঠলেন আমির? গোপন গল্প নিজেই জানিয়ে দিলেন
আকাশ মিশ্র


“কখনও কখনও আপনার পুরো জীবন পরিবর্তন করার জন্য মাত্র একটি দিনই যথেষ্ট”— এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই বড় পর্দায় আসছে রোম্যান্টিক ড্রামা ‘এক দিন’। আগামী ১ মে ২০২৬-এ মুক্তি পেতে চলা এই ছবিটির প্রচার শুরু করতে গিয়ে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এক অম্লমধুর স্মৃতি ভাগ করে নিলেন আমির খান।


ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে আমির জানান, কেরিয়ারের শুরুর দিকে একটি নাটকে অভিনয়ের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। যে কাজটির জন্য তিনি জানপ্রাণ লড়িয়ে দিয়েছিলেন, সেটি না পাওয়ায় নিজেকে ব্যর্থ মনে হয়েছিল তাঁর। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, সেই ব্যর্থতার দিনটিই তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ওই দিনটির রেশ ধরেই তিনি তাঁর প্রথম বড় ব্রেক পেয়েছিলেন। আমির বলেন, “জীবনের অপ্রত্যাশিত বাঁকগুলো আসলে লুকানো সুযোগ। একটি দিনই আপনার সফরের সংজ্ঞা নতুন করে লিখে দিতে পারে।”



'আমি বিশ্বাসঘাতকতা করেছি', অধীরকে 'গুরু' মেনে ভোটের আগে বিস্ফোরক সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী বায়রন
সিনেমায় জুনায়েদ খানকে দেখা যাবে একজন লাজুক প্রেমিকের চরিত্রে, যে তাঁর সহকর্মী সাই পল্লবীকে মনে মনে পছন্দ করলেও মুখ ফুটে বলতে পারে না। কিন্তু গল্পের মোড় ঘোরে জাপানে একটি ভ্রমণের সময়। সেখানে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় সাই পল্লবীর চরিত্রটি ‘ট্রানজিয়েন্ট গ্লোবাল অ্যামনেসিয়া’ (TGA) বা সাময়িক স্মৃতিভ্রমের শিকার হয়। অদ্ভুতভাবে, সেই দুর্ঘটনার পর সে কেবল জুনায়েদকেই চিনতে পারে, কারণ জুনায়েদই তাঁর প্রাণ বাঁচিয়েছিল। এই পরিস্থিতির পর তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে যায়।



এই ছবির হাত ধরে দীর্ঘ সময় পর ফের একসঙ্গে কাজ করছেন দুই ভাই আমির খান ও মানসুর খান। এর আগে ‘জো জিতা ওহি সিকান্দার’ এবং ‘অকেলে হাম অকেলে তুম’-এর মতো ক্লাসিক ছবি উপহার দিয়েছেন তাঁরা। রোম্যান্টিক ঘরানার এই ছবিটির পরিচালনা করেছেন সুনীল পাণ্ডে। সহ-প্রযোজক হিসেবে রয়েছেন অপর্ণা পুরোহিত।

সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। বিশেষ করে সাই পল্লবীর বলিউড অভিষেক এবং জুনায়েদের নতুন অবতার বড় পর্দায় দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন ভক্তরা।

ছবিটির ক্লিপটি শেয়ার করে অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, “ভাগ্যের একটা বিশেষ গুণ হলো, এটি কখনও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না।” ২০০৭ সালের একটি সিনেমার সংলাপ কেন ২০২৬-এ এসে অস্কারের মঞ্চে জায়গা পেল, তা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই ভক্তদের মধ্যে।


অস্কারে শাহরুখ! খবর পেয়েই কী করলেন বলিউড বাদশা?


ভাগ্য যে কখনও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না, তা যেন আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল অস্কারের আয়োজক সংস্থা ‘অ্যাকাডেমি অফ মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস’। সম্প্রতি অ্যাকাডেমির ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে শাহরুখ খানের ২০০৭ সালের সুপারহিট ছবি ‘ওম শান্তি ওম’-এর একটি বিশেষ দৃশ্য শেয়ার করা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, অভিনেতা ওম পুরস্কার জেতার পর আবেগঘন কণ্ঠে সেই বিখ্যাত ডায়লগটি বলছেন— “ইতনি শিদ্দত সে ম্যায়নে তুমহে পানে কি কোশিশ কি হ্যায়, কি হর জরে নে মুঝে তুমসে মিলানে কি সাজিশ কি হ্যায়…।”

ছবিটির ক্লিপটি শেয়ার করে অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, “ভাগ্যের একটা বিশেষ গুণ হলো, এটি কখনও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না।” ২০০৭ সালের একটি সিনেমার সংলাপ কেন ২০২৬-এ এসে অস্কারের মঞ্চে জায়গা পেল, তা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই ভক্তদের মধ্যে। একাংশের মতে, এটি কেবল শাহরুখের জনপ্রিয়তা নয়, বরং ভারতীয় সিনেমার বিশ্বজয়ের ইঙ্গিত।


'চোখ ট্যারা' বনাম 'সোজা হয়ে দাঁড়ানো', ভোটের আগে হুমকিতে তপ্ত বীরভূম
Shahrukh Khan (1)

অ্যাকাডেমির এই পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেরি করেননি খোদ বাদশা। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভিডিওটি পুনরায় শেয়ার করে শাহরুখ তাঁর চিরচেনা রসবোধের সাথে লিখেছেন, “ধন্যবাদ অ্যাকাডেমি, ওম-এর বক্তৃতার মাধ্যমে আমাকে স্মৃতির সরণিতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। এখন নিজেকে সত্যিই পৃথিবীর রাজা (King of the world) মনে হচ্ছে।”

ছবির পরিচালক ফারহা খানও এই ঘটনায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘ ১৯ বছর পর অ্যাকাডেমির এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে যে ‘ওম শান্তি ওম’-এর আবেদন আজও ফিকে হয়নি। সিনেমার সেই সংলাপ— যেখানে বলা হয়েছিল মন থেকে কিছু চাইলে পুরো ব্রহ্মাণ্ড তা মিলিয়ে দিতে সাহায্য করে— আজ যেন খোদ শাহরুখের জন্যই সত্যি প্রমাণিত হল।

হলিউড আর বলিউডের এই সেতুবন্ধন দেখে অনুরাগীদের মধ্যে এখন একটাই গুঞ্জন— তবে কি খুব শীঘ্রই অস্কারের মূল মঞ্চে কোনও বিশেষ সম্মানে ভূষিত হতে চলেছেন কিং খান? সময় বলবে উত্তর, তবে আপাতত ‘ম্যাজিক অফ বলিউড’ শাসন করছে খোদ হলিউডের আঙিনা।

গানের সুরকার হিমেশ রেশমিয়া তখন অন্য একটি কাজে ব্যস্ত ছিলেন। স্টুডিওতে রেকর্ডিং সামলাচ্ছিলেন হিমেশের বাবা। কুণাল জানান, হিমেশ তাঁকে ফোন করে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে গানটি কেমন হওয়া চাই। হিমেশ বলেছিলেন, "আমাদের ‘হামদম সুনিয়ো রে’ গানের মতো একটা রোমান্টিক আর ইয়ুথফুল ভাইব চাই, কারণ এই গান সলমন ভাইয়ের জন্য।"
সলমনের ছবির 'দিল কহে রাহা হ্যায়' গান রেকর্ডে কী ঘটেছিল জানেন?


কালজয়ী গানটির রেকর্ডের গল্প শুনিয়েছেন কুণাল।


বলিউডের সুপারহিট ছবি ‘কিউ কি’-র সেই মন ছুঁয়ে যাওয়া গান ‘দিল কহে রাহা হ্যায়’ শোনেননি এমন শ্রোতা মেলা ভার। সলমন খান আর করিনা কাপুর খান পর্দার সেই রসায়ন আজও দর্শক ভোলেননি। কিন্তু জানেন কি কুণাল গাঞ্জাওয়ালা এই কালজয়ী গানটি রেকর্ড করেছিলেন মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিটে? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই কালজয়ী গানটির রেকর্ডের গল্প শুনিয়েছেন কুণাল।


সাধারণত গায়করা স্টুডিওতে গিয়ে হার্ডকপিতে গানের লিরিক্স বা কথা পান। কিন্তু এই গানের ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি। কুণালের মোবাইলে এসএমএস (SMS) করে পাঠানো হয়েছিল গানের লাইনগুলো। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে এটা স্বাভাবিক মনে হলেও, সেই সময়ে দাঁড়িয়ে বিষয়টা ছিল বেশ চমকপ্রদ।



গানের সুরকার হিমেশ রেশমিয়া তখন অন্য একটি কাজে ব্যস্ত ছিলেন। স্টুডিওতে রেকর্ডিং সামলাচ্ছিলেন হিমেশের বাবা। কুণাল জানান, হিমেশ তাঁকে ফোন করে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে গানটি কেমন হওয়া চাই। হিমেশ বলেছিলেন, “আমাদের ‘হামদম সুনিয়ো রে’ গানের মতো একটা রোমান্টিক আর ইয়ুথফুল ভাইব চাই, কারণ এই গান সলমন ভাইয়ের জন্য।”


হিমেশ স্টুডিওতে আসার পর প্রথমে রেকর্ড করা অংশটি তাঁর মনের মতো হয়নি। তিনি বুঝতে পারেন তাঁর বাবা যেভাবে কাজটা করাচ্ছিলেন, সেখানে কোথাও একটা খামতি থেকে গিয়েছে। এরপর হিমেশ নিজে দায়িত্ব নেন। কুণাল গাঞ্জাওয়ালাও আর দেরি করেননি। হিমেশের নির্দেশমতো মাত্র ১৫-২০ মিনিটের মধ্যেই গোটা গানটির রেকর্ডিং শেষ করে ফেলেন তিনি।

২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া প্রিয়দর্শন পরিচালিত ‘কিউ কি’ ছবিটি ছিল ওঁরই এক মালয়ালম ছবির রিমেক। মানসিক হাসপাতালের রোগী আনন্দ (সলমন খান) এবং চিকিৎসক তনভির (করিনা কাপুর) সেই ট্র্যাজিক প্রেমের গল্প আজও মানুষের মনে গেঁথে আছে। জ্যাকি শ্রফ, সুনীল শেট্টি ও ওম পুরির মতো তারকাদের ভিড়েও এই ছবির গানগুলো ছিল অন্যতম প্রাণভোমরা। আর সেই গানের নেপথ্যে যে এমন এক রুদ্ধশ্বাস গল্প ছিল, তা কুণালের এই স্মৃতিচারণায় আরও একবার পরিষ্কার হয়ে গেল।

আশা ভোঁসলে ১৯৪৮ সালে 'চুনারিয়া' ছবির 'সাওয়ান আয়া' গানটির মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি তাঁর কর্মজীবনে এ পর্যন্ত প্রায় ১৬০০০ গান গেয়েছেন। তিনি শুধু হিন্দিতেই নয়, মারাঠি, বাংলা, গুজরাটি, পঞ্জাবি, ভোজপুরি, তামিল, মালয়ালম, ইংরেজি এবং রুশ ভাষার মতো আরও অনেক ভাষায় নিজের ছাপ রেখেছেন। তাই ভারত এবং বিশ্বের প্রতিটি কোণায় তাঁর ভক্ত রয়েছে।


হাসপাতালে ভর্তি করতে হল আশা ভোঁসলকে, কী হয়েছে?
আশা ভোসলে


হাসপাতালে ভর্তি কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলে। বছর বিরানব্বইয়ের শিল্পীকে মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালের ICU-তে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং বুকে সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আশা ভোঁসলে।

আশা ভোঁসলের নাতনি জানাই ভোঁসলে এক্স হ্যান্ডলে কিংবদন্তি শিল্পীর হাসপাতালে ভর্তির কথা স্বীকার করেছেন। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, “আমার ঠাকুমা আশা ভোঁসলে অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং বুকে সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এই সময়ে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করার জন্য আপনাদের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং আমরা আশা করছি খুব শীঘ্রই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।”


বাস,ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষ, ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১০ জনের
মমতার নমিনেশন কাটার চেষ্টা? বিস্ফোরক অভিযোগ
আশা ভোঁসলে ১৯৪৮ সালে ‘চুনারিয়া’ ছবির ‘সাওয়ান আয়া’ গানটির মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি তাঁর কর্মজীবনে এ পর্যন্ত প্রায় ১৬০০০ গান গেয়েছেন। তিনি শুধু হিন্দিতেই নয়, মারাঠি, বাংলা, গুজরাটি, পঞ্জাবি, ভোজপুরি, তামিল, মালয়ালম, ইংরেজি এবং রুশ ভাষার মতো আরও অনেক ভাষায় নিজের ছাপ রেখেছেন। তাই ভারত এবং বিশ্বের প্রতিটি কোণায় তাঁর ভক্ত রয়েছে।

বিবাহ সূত্রে বাংলার সঙ্গে নিবিড় যোগ রয়েছে আশা ভোঁসলের। বলিউডের কিংবদন্তি সঙ্গীত পরিচালক আরডি বর্মনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। আরডি বর্মন সঙ্গীত জগতের একজন সুপারস্টার ছিলেন এবং হিন্দি চলচ্চিত্রে তাঁর সঙ্গীত আজও সমান জনপ্রিয়। সঙ্গীত জগতের সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের বোন আশা ২০০৮ সালে পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত হন। এ ছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে আরও অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা।


মজার বিষয় হল, এই সিনেমার জন্য কাজল কিন্তু পরিচালকের প্রথম পছন্দ ছিলেন না। তখন কাজল সদ্য মা হয়েছেন। নিসা তখন খুবই ছোট। কুনাল ভেবেছিলেন, এই অবস্থায় হয়তো কাজল কাজ করতে চাইবেন না। কিন্তু চিত্রনাট্য শোনার পর অভিনেত্রী নিজেই চমকে দেন পরিচালককে। রাজি হয়ে যান জুনির চরিত্রে অভিনয় করতে।

আমির খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ে ভয়! পরিচালককে অদ্ভুত শর্ত দেন কাজল



বলিউডের রোমান্টিক থ্রিলার বললেই অবধারিতভাবে উঠে আসে ২০০৬ সালের সুপারহিট সিনেমা ‘ফানা’র নাম। কাশ্মীরি কন্যা জুনি আর রেহানের সেই জমাট প্রেম আজও দর্শকদের মনে জীবন্ত হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে ‘দেখো না’ গানের সেই বৃষ্টিভেজা রোমান্স। সেই গানের ভিডিয়ো আজও দেখতে পছন্দ করেন দর্শক। কিন্তু জানেন কি, আমির খানের সঙ্গে এই ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করার আগে পরিচালক কুণাল কোহলির সামনে এক অদ্ভুত শর্ত রেখেছিলেন কাজল? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই গোপন তথ্যই ফাঁস করলেন পরিচালক।


আসলে ‘ফানা’ সিনেমার ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্মৃতির পাতা উল্টাচ্ছিলেন পরিচালক। সেখানেই উঠে আসে কাজলের সেই শর্তের কথা। শ্যুটিংয়ের প্রথম দিনেই কাজল পরিচালককে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, “দেখো কুণাল, সেনসুয়াল দৃশ্য তুমি যেমন খুশি শুট করো, কিন্তু একটা কথা মাথায় রেখো— এই গানটা কিন্তু আমাকে আমার শ্বশুরবাড়ির লোকেদের সঙ্গে বসে দেখতে হবে!” অর্থাৎ ঘনিষ্ঠতা যেন শালীনতার গণ্ডি না ছাড়ায়, সেদিকেই ছিল অভিনেত্রীর কড়া নজর।


মজার বিষয় হল, এই সিনেমার জন্য কাজল কিন্তু পরিচালকের প্রথম পছন্দ ছিলেন না। তখন কাজল সদ্য মা হয়েছেন। নাইসা তখন খুবই ছোট। কুণাল ভেবেছিলেন, এই অবস্থায় হয়তো কাজল কাজ করতে চাইবেন না। কিন্তু চিত্রনাট্য শোনার পর অভিনেত্রী নিজেই চমকে দেন পরিচালককে। রাজি হয়ে যান জুনির চরিত্রে অভিনয় করতে।




ছবির সঙ্গে যুক্ত যে সমস্ত কলাকুশলী আজ আর বেঁচে নেই, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন আমির। তিনি জানান, আজ এই সাফল্য যতটা তাঁদের, ততটাই সেই মানুষগুলোরও, যাঁরা পর্দার সামনে বা পেছনে থেকে এই ছবিটিকে কালজয়ী করে তুলেছিলেন।
সিনেমার শুটিংয়ে রোজ কেন গায়ত্রী মন্ত্র শুনতেন আমির খান? কারণটা চমকে দেওয়ার মতো
আকাশ মিশ্র

ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে ‘লগান’ কেবল একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং একটি মাইলফলক। সেই ঐতিহাসিক সফরের ২৫ বছর উদযাপনে সম্প্রতি একজোট হয়েছিলেন পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর এবং অভিনেতা-প্রযোজক আমির খান। তাঁদের সঙ্গে রেড লরি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে উপস্থিত ছিলেন রঘুবীর যাদব, অখিলেন্দ্র মিশ্র, আমিন হাজি এবং প্রদীপ রাম সিং রাওয়াতের মতো ছবির সেই জনপ্রিয় মুখেরা। দীর্ঘ সময় পর ভুবন আর তাঁর দলকে একসঙ্গে দেখে মঞ্চে যেন ফিরে এসেছিল সেই পুরনো চম্পানের গ্রাম।

ছবির প্রদর্শনী শেষে পরিচালক আশুতোষের সঙ্গে দীর্ঘ আড্ডায় মাতেন আমির খান। দীর্ঘ কয়েক দশকের এই যাত্রাপথের কথা বলতে গিয়ে বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’। ছবির সঙ্গে যুক্ত যে সমস্ত কলাকুশলী আজ আর বেঁচে নেই, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন আমির। তিনি জানান, আজ এই সাফল্য যতটা তাঁদের, ততটাই সেই মানুষগুলোরও, যাঁরা পর্দার সামনে বা পেছনে থেকে এই ছবিটিকে কালজয়ী করে তুলেছিলেন।


পুলিশ খুঁজেই পাচ্ছে না, অথচ সেই সোনা পাপ্পুরই ইফতারে 'হেভিওয়েট' দাওয়াত!
এদিন আমির খান শুটিং চলাকালীন এক অদ্ভুত ও অনুপ্রেরণামূলক অভ্যাসের কথা ফাঁস করেন। তিনি জানান, শুটিং চলাকালীন প্রতিদিন ভোরে ইউনিটের সবাই মিলে যখন সেটের দিকে রওনা হতেন, তখন বাসে করে যাওয়ার সময় সবাই মিলে ‘গায়েত্রী মন্ত্র’ শুনতেন। আমির বলেন, “শুরুতে এটি একটি সাধারণ অভ্যাসের মতো মনে হলেও, ধীরে ধীরে তা আমাদের নিত্যদিনের রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল।” এই বিশেষ রীতিটি গোটা টিমের মধ্যে এক ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করত এবং একে অপরের প্রতি টান ও বন্ধন আরও মজবুত করেছিল।

আজ থেকে আড়াই দশক আগে মুক্তি পাওয়া এই ছবি অস্কারের দৌড়েও শামিল হয়েছিল। ব্রিটিশদের কর বা ‘লগান’ মকুবের দাবিতে এক কাল্পনিক গ্রামের ক্রিকেট ম্যাচের সেই রোমহর্ষক লড়াই আজও দর্শকদের রক্তে দোলা দেয়। ২৫ বছর পরেও আমির এবং আশুতোষের জুটির সেই ম্যাজিক যে বিন্দুমাত্র ফিকে হয়নি, উৎসবের মেজাজই তা প্রমাণ করে দিল।


রিচালক ড্যানি বয়েলের এই ছবির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার নেপথ্যে এক মজার কাহিনি শোনালেন ৬৯ বছর বয়সী এই তারকা। তিনি বলেন, “আমি নিজেকে শিক্ষিত করতে এই সিনেমাটি করেছিলাম। আমি সবসময় শিখতে চাই, আর এটাই আমাকে আজও প্রাসঙ্গিক রেখেছে।” অনিল জানান, ছবিটির কাজ শুরুর সময় নির্মাতারা তাঁকে বলেছিলেন যে তাঁর যা পারিশ্রমিক, তা দেওয়ার ক্ষমতা তাঁদের নেই।


দেড় দশক পেরিয়েও আসছে চেক! জানেন কোন ছবির জন্য এখনও টাকা পেয়ে চলেছেন অনিল?


তিনি বলিউডের ঝাকাস কাপুর। এখনও দেখলে বোঝা যায় না, তাঁর বয়স প্রায় সত্তর। ফিটনেসে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে পারে নতুন প্রজন্মের নায়কদের। জানেন সেই অনিল কাপুর, বহু আগে একটি ছবিতে অভিনয় করার পর, এখনও সেই ছবির পারিশ্রমিক পেয়ে চলেছেন! নাহ, কোনও গুঞ্জন নয়। বরং অনিল নিজেই জানালেন সেকথা।


২০০৮ সালের ‘স্লামডগ মিলিওনেয়ার’ বদলে দিয়েছিল ভারতীয় সিনেমার বিশ্বজনীন সংজ্ঞা। সেই ছবির কুইজ মাস্টার প্রেম কুমারের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অনিল কাপুর। মজার বিষয় হল, ছবিটি মুক্তির ১৮ বছর পরেও সেই কাজ থেকে রয়্যালটি বাবদ মোটা টাকা পাচ্ছেন অভিনেতা। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে অনিল কাপুর নিজেই এই কথা খোলসা করে উপস্থিত দর্শকদের চমকে দিয়েছেন।



ওসমান হাদি খুনের ঘটনায় বাংলা থেকে গ্রেফতার বাংলাদেশি, কীভাবে নদিয়ায় এল ধৃত?
কনক্লেভের একটি বিশেষ অধিবেশনে অনিল অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, “একটি খুব গোপন কথা আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। দেড় দশকেরও বেশি সময় হয়ে গিয়েছে ছবিটির, কিন্তু বিশ্বাস করবেন না, গতকালই আমি ‘স্লামডগ মিলিওনেয়ার’-এর জন্য একটি পে-চেক পেয়েছি।” কত টাকা পেলেন? উত্তরে অভিনেতা জানান, গতকালের চেকে ৩০০০ পাউন্ড (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩ লক্ষ টাকার বেশি) ছিল। এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও যোগ করেন, “আমি সব ট্যাক্স দিয়ে দিই, তাই বুক ফুলিয়ে বলতে পারি যে আমি প্রায় ৫ লক্ষ পাউন্ড (প্রায় সাড় ৫ কোটি টাকা) পেতে চলেছি। আমি নিজেই এখন একজন মিলিওনেয়ার! আমি এই টাকা চাইনি, ওঁরা নিজেরাই আমায় দিচ্ছেন।”

পরিচালক ড্যানি বয়েলের এই ছবির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার নেপথ্যে এক মজার কাহিনি শোনালেন ৬৯ বছর বয়সী এই তারকা। তিনি বলেন, “আমি নিজেকে শিক্ষিত করতে এই সিনেমাটি করেছিলাম। আমি সবসময় শিখতে চাই, আর এটাই আমাকে আজও প্রাসঙ্গিক রেখেছে।” অনিল জানান, ছবিটির কাজ শুরুর সময় নির্মাতারা তাঁকে বলেছিলেন যে তাঁর যা পারিশ্রমিক, তা দেওয়ার ক্ষমতা তাঁদের নেই। অনিল তখন পাল্টা প্রশ্ন করেছিলেন, “আমি কি টাকা চেয়েছি? আমি বিনা পয়সায় কাজ করতে রাজি।” অভিনেতার এই উদারতা আর ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবেই সম্ভবত আজ লভ্যাংশের চেক পৌঁছে যাচ্ছে তাঁর ঠিকানায়।

বয়স কেবলই একটা সংখ্যা মাত্র, মঞ্চে দাঁড়িয়ে যেন সেটাই প্রমাণ করলেন ‘ঝাকাস’ অভিনেতা। নিজের অভিজ্ঞতা এবং অদম্য জেদ নিয়ে আজও বলিউডে নিজের দাপট বজায় রেখেছেন অনিল কাপুর।


অনেকেই হয়তো জানেন না, আমিশার প্রথম ছবি ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’-এর পেছনেও রয়েছে সানি দেওলের বড় অবদান। আমিশা জানান, হৃতিক রোশনের বিপরীতে কাজ করার আগে তিনি সানির প্রযোজনা সংস্থা ‘বিজেতা ফিল্মস’-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। আমিশার কথায়, “যখন আমি সানিকে গিয়ে বললাম যে আমি ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’ করতে চাই, সে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে আমার সামনেই কন্টাক্ট পেপার ছিঁড়ে ফেলেছিল।


কেন আমিশা প্যাটেলকে আমিশা দেওল বলে ডাকতেন ধর্মেন্দ্র? ছেলের বউ বানাতে চেয়েছিলেন?
আকাশ মিশ্র


পর্দায় তাঁরা তারা সিং আর সাকিনা। কিন্তু পর্দার বাইরেও সানি দেওল এবং আমিশা প্যাটেলের রসায়ন দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অমলিন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আমিশা কেবল সানি নয়, বরং গোটা দেওল পরিবারের সঙ্গে তাঁর আত্মার সম্পর্কের কথা তুলে ধরলেন। ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণ থেকে শুরু করে কেরিয়ারের কঠিন সময়ে সানির পাশে থাকা— সবকিছু নিয়েই অকপট অভিনেত্রী।

ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু প্রসঙ্গে আমিশা জানান, “ধরমজি যখন আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন, আমার মনে হয়েছিল আমি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে হারালাম। যদিও তাঁর সঙ্গে আমার খুব নিয়মিত কথা হতো না, কিন্তু তিনি আমাকে সব সময় পরিবারের অংশ মনে করতেন। তিনি আমাকে ‘আমিশা দেওল’ বলে সম্বোধন করতেন।”



২০০১ সালের ‘গদর’ হোক বা ২০২৩-এর ‘গদর ২’— বক্স অফিসে সানি- আমিশা জুটি মানেই ইতিহাস। তাঁদের বন্ধুত্বের গভীরতা বোঝাতে গিয়ে আমিশা বলেন, “আমি সানিকে সবসময় বলি, অন্য কেউ তোমার সঙ্গে কাজ করতে চাক বা না চাক, আমি আছি। সানি যদি আমাকে কোনও ছবিতে সংলাপহীন একটি ‘গাছ’-এর চরিত্রে অভিনয় করতে বলে, আমি একমাত্র তাঁর জন্যই সেটা করব। পেশাদার বা ব্যক্তিগত যেকোনও পরিস্থিতিতেই আমাদের বন্ধুত্ব অটুট থাকবে।”

অনেকেই হয়তো জানেন না, আমিশার প্রথম ছবি ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’-এর পেছনেও রয়েছে সানি দেওলের বড় অবদান। আমিশা জানান, হৃতিক রোশনের বিপরীতে কাজ করার আগে তিনি সানির প্রযোজনা সংস্থা ‘বিজেতা ফিল্মস’-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। আমিশার কথায়, “যখন আমি সানিকে গিয়ে বললাম যে আমি ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’ করতে চাই, সে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে আমার সামনেই কন্টাক্ট পেপার ছিঁড়ে ফেলেছিল। সে বলেছিল, ‘যাও আমিশা, কাজটা কর।’ সে অত্যন্ত বড় মনের মানুষ।”

পরিশেষে আমিশা জানান, তারা সিং এবং সাকিনা হিসেবে তাঁরা যে মর্যাদা পেয়েছেন, তা তাঁদের একে অপরের প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসারই ফল। ‘গদর ২’-এর ব্লকবাস্টার সাফল্যের পর এই দুই তারকার অটুট বন্ধন আরও একবার দর্শকদের মন জয় করে নিল।


কুমার শানু জানিয়েছেন, একজন শিল্পী হিসেবে তাঁর কাছে তাঁর সম্মানই শেষ কথা। দিনের পর দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে চলা ট্রোলিং এবং অপপ্রচারের ফলে তাঁর পেশাদার জীবনেও এর প্রভাব পড়ছিল। ভক্তদের মনে ভুল ধারণা তৈরি হচ্ছিল।
৫০ কোটির মানহানি মামলা! কী ঘটেছে কুমার শানুর সঙ্গে?


নব্বইয়ের দশকের সেই কন্ঠস্বর, যাঁর জাদুতে আজও আট থেকে আশি বুঁদ হয়ে থাকে, সেই কুমার শানু এখন আইনি লড়াইয়ের ময়দানে। তবে এই লড়াই কোনও মিউজিক চার্ট নিয়ে নয়, বরং নিজের কয়েক দশকের অর্জিত সম্মান বাঁচানোর লড়াই লড়ছেন গায়ক। প্রাক্তন স্ত্রী তাঁর নামে ‘চরিত্রহনন’ এর অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে এবার সরাসরি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ‘মেলোডি কিং’। আর সেই যুদ্ধেই প্রাথমিক ভাবে জয়ী হলেন গায়ক। দিল্লির এক আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, শানুর প্রাক্তন স্ত্রী এবং গুগল বা মেটার মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো এমন কোনও তথ্য বা ভিডিয়ো প্রচার করতে পারবে না যা গায়কের ভাবমূর্তি নষ্ট করে।

কী নিয়ে শুরু হয় বিবাদ?



বিবাদের সূত্রপাত বেশ কিছুদিন আগে। শানুর অভিযোগ ছিল, তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী ডিজিটাল দুনিয়ায় তাঁর নামে নানা আপত্তিকর, কুরুচিকর এবং ভিত্তিহীন মন্তব্য করে চলেছেন। স্রেফ জনপ্রিয়তার জন্য তাঁর দীর্ঘ বছরের কেরিয়ার ও সামাজিক অবস্থানকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় শেষমেশ ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা ঠুকে দেন শানু। শুক্রবার আদালত এই মামলার গুরুত্ব বুঝে একটি অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছে। বিচারক সাফ জানিয়েছেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রাক্তন স্ত্রী কুমার শানুর বিরুদ্ধে কোনও অবমাননাকর মন্তব্য করতে পারবেন না।

বর্তমানে সোশাল মিডিয়ায় করা কোনও অভিযোগ, বদনাম ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগে না। সেই কারণেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন গায়ক। আদালত এই রায়ের মাধ্যমে এক প্রকার কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, বাক-স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা যাবে না। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে যদি এমন কোনও আপত্তিকর কন্টেন্ট থাকে, তবে তা সরিয়ে ফেলা বা ব্লক করার বিষয়েও ইঙ্গিত দিয়েছে আদালত।

কুমার শানু জানিয়েছেন, একজন শিল্পী হিসেবে তাঁর কাছে তাঁর সম্মানই শেষ কথা। দিনের পর দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে চলা ট্রোলিং এবং অপপ্রচারের ফলে তাঁর পেশাদার জীবনেও এর প্রভাব পড়ছিল। ভক্তদের মনে ভুল ধারণা তৈরি হচ্ছিল। আদালতের এই রায় গায়কের ইমেজ যে কিছুটা রক্ষা করেছে তা বলাই বাহুল্য। আপাতত আইনি কবচে সুরক্ষিত কুমার শানু। ভক্তরাও খুশি যে তাঁদের প্রিয় গায়কের পাশে আদালত দাঁড়িয়েছে। এখন দেখার, এই আইনি লড়াই আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়।


শাহরুখের লুক নিয়ে বরাবরই কাটাছেঁড়া হয়েছে। তিনি নিজেই স্বীকার করেছিলেন, তাঁর চেহারাটা সাধারণ ‘চকলেটি বয়’ বা‘অ্যাকশন হিরো’র মতো নয়। বরং একটা অদ্ভুত মিশ্রণ। আর এই চেহারার কারণেই তিনি ‘দিওয়ানা’-র মতো রোমান্টিক ছবি থেকে শুরু করে যেকোনও সাদামাটা চরিত্রে অনায়াসেই মানিয়ে যেতে পেরেছিলেন।
'

আমি কি কারও জায়গা কেড়েছি?' সলমন-আমিরকে নিয়ে বিস্ফোরক শাহরুখ


বলিউডের সিংহাসন কার? এই লড়াই নতুন নয়। নব্বইয়ের দশক থেকে আজ পর্যন্ত ‘তিন খান’-এর দাপট রমরমিয়ে চলছে বি-টাউনে। তবে জানেন কি, কেরিয়ারের শুরুর দিকেই সলমন খান এবং আমির খানকে নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন শাহরুখ খান? যখন বাকিরা একে অপরকে টেক্কা দিতে ব্যস্ত, তখন ‘বাদশা’ অকপটে স্বীকার করেছিলেন তাঁর সীমাবদ্ধতা আর অন্যদের শ্রেষ্ঠত্ব।

কার জায়গা কেড়েছেন শাহরুখ?



অনেকেই বলেন শাহরুখ নাকি অনেকের জায়গা দখল করে আজ এই জায়গায় পৌঁছেছেন। কিন্তু কিং খান নিজে কী ভাবেন? এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে শাহরুখ সাফ জানিয়েছিলেন, তিনি কারও জায়গা কেড়ে নেননি। তাঁর কথায়, “খুবই অভদ্রভাবে লোকে বলে যে আমি অমুক বা তমুককে সরিয়ে দিয়েছি। এটা একেবারেই ভুল। প্রত্যেকে নিজের স্টাইলে কাজ করে। অজয় দেবগণ বা সলমনকে কেউ পছন্দ করেন মানেই যে তাঁরা অন্য কারও চেয়ে খারাপ বা ভালো, বিষয়টা তেমন নয়।”


সলমন ও আমিরকে নিয়ে অকপটে শাহরুখ বলেন, সলমন খান এমন একজন তারকা যাঁর স্টারডম সময়ের হিসেবে অতুলনীয়। তিনি সলমনকে ‘বিগেস্ট স্টার’ হিসেবে মান্যতা দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, আমির খানের অভিনয়ের বেশ প্রশংসা করেন কিং খান। তিনি আমিরকে দেশের ‘সেরা অভিনেতা’ (Finest Actor) বলে অভিহিত করেন। তাহলে নিজের অবস্থান নিয়ে কী মনে করেন অভিনেতা? শাহরুখ মৃদু হেসে জানিয়েছিলেন, “আমি কেবল আমার নিজের একটা আলাদা জায়গা তৈরি করতে পেরেছি।”

শাহরুখের লুক নিয়ে বরাবরই কাটাছেঁড়া হয়েছে। তিনি নিজেই স্বীকার করেছিলেন, তাঁর চেহারাটা সাধারণ ‘চকলেটি বয়’ বা‘অ্যাকশন হিরো’র মতো নয়। বরং একটা অদ্ভুত মিশ্রণ। আর এই চেহারার কারণেই তিনি ‘দিওয়ানা’-র মতো রোমান্টিক ছবি থেকে শুরু করে যেকোনও সাদামাটা চরিত্রে অনায়াসেই মানিয়ে যেতে পেরেছিলেন।

অনেকেই হয়তো ভুলে গিয়েছেন, শাহরুখের শুরুটা হয়েছিল ছোট পর্দা দিয়ে। ‘ফৌজি’র অভিমন্যু রাই কিংবা ‘সার্কাস’-এর সেই ছেলেটি আজ বিশ্বসেরা। হেমা মালিনী তাঁর প্রতিভা চিনতে পেরে ‘দিল আশনা হ্যায়’ ছবিতে সুযোগ দিয়েছিলেন, যদিও মুক্তি পেয়েছিল ‘দিওয়ানা’র আগে। তারপর বাজিগর, ডিডিএলজে থেকে আগামীর ‘কিং’ —বলিউডের রাজপুত্রের দৌড় আজও থামেনি।


নিক-প্রিয়াঙ্কা চেয়েছিলেন এই কঠিন সময়টি ব্যক্তিগত রাখতে। তবে খবর লিক হয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়েই তিন ঘণ্টার নোটিশে প্রিয়াঙ্কা নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় মালতীর আগমনের কথা জানান। সেই সময় তাঁরা নিজেরাও জানতেন না মালতী শেষ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে কি না।

সন্তানের গায়ে রং হয়ে গিয়েছিল নীলচে-বেগুনি, ভয়াবহ অভিজ্ঞতা প্রিয়াঙ্কার


মা হওয়ার আনন্দ নয়, বরং এক চরম মৃত্যুভয় গ্রাস করেছিল প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে। সম্প্রতি এক পডকাস্টে নিজের জীবনের অন্ধকারতম অধ্যায় নিয়ে মুখ খুললেন গ্লোবাল আইকন। সারোগেসির মাধ্যমে মা হলেও, কন্যা মালতী মেরি চোপড়া জোনাসের জন্মের সময় যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তাঁদের যেতে হয়েছিল, তা শুনলে শিউরে উঠবেন।


সাধারণত একটি সুস্থ শিশুর জন্ম হয় ৪০ সপ্তাহের পর। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, মাত্র ২৭ সপ্তাহে অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই জন্ম হয় মালতীর। জন্মের সময় তার ওজন ছিল মাত্র ৭৬৬ গ্রাম। চিকিৎসকরাও নিশ্চিত ছিলেন না যে সে আদৌ বেঁচে ফিরবে কি না। প্রিয়াঙ্কার কথায়, জন্মের সময় মালতীর গায়ের রঙ নীলচে-বেগনি হয়ে গিয়েছিল। হাসপাতালের ইনকিউবেটরে শুয়ে থাকা একরত্তি মেয়ের অবস্থা দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন নিক ও প্রিয়াঙ্কা। অভিনেত্রী স্মৃতিচারণ করে বলেন, “হাসপাতালের নার্সদের আঙুলের চেয়েও ছোট ছিল আমার মেয়ের মুখ। আমরা ১০০ দিন ধরে প্রতিদিন নিয়ম করে হাসপাতালে যেতাম এবং কাঁচের ওপারে ওর বেঁচে থাকার লড়াই দেখতাম।”


নিক-প্রিয়াঙ্কা চেয়েছিলেন এই কঠিন সময়টি ব্যক্তিগত রাখতে। তবে খবর লিক হয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়েই তিন ঘণ্টার নোটিশে প্রিয়াঙ্কা নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় মালতীর আগমনের কথা জানান। সেই সময় তাঁরা নিজেরাও জানতেন না মালতী শেষ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে কি না।


লন্ডনের বাড়িতে একটি বড় শিবের মূর্তি আছে প্রিয়াঙ্কার। জীবনের কঠিনতম সময়ে সেই ঈশ্বরের কাছেই নিজেদের সঁপে দিয়েছিলেন এই তারকা দম্পতি। প্রিয়াঙ্কা জানান, “আমি এমনিতে খুব শক্ত মনের মানুষ, সব সমস্যার সমাধান খুঁজি। কিন্তু মালতী যেদিন প্রথম সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরল, সেদিন শিবমূর্তির সামনে বসে আমি অঝোরে কেঁদে উঠেছিলাম। তবে সেটা ভয়ের কান্না ছিল না, ছিল এক অসীম কৃতজ্ঞতার কান্না।”
বর্তমানে মালতী মেরি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং বাবা-মায়ের চোখের মণি। তবে সেই ১০০ দিনের যন্ত্রণার স্মৃতি আজও তাড়া করে বেড়ায় ‘দেশি গার্ল’-কে।


ইয়াসির উসমানের বই অনুযায়ী, অমিতাভ-রেখার সম্পর্কের রটনা নিয়ে জয়া বচ্চন ছিলেন অত্যন্ত সংযত। এক সাক্ষাৎকারে জয়া বলেছিলেন, “সারা দুনিয়া কী বলছে তাতে আমার কিছু যায় আসে না। অমিতাভ আমার কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদি ও অন্য কাউকে ভালোবাসে, তবে সেই কথা বলার সাহস ওর থাকা উচিত। আর যদি ও আমার অগোচরে কিছু করে থাকে, তবে সেটা ওর সমস্যা, আমার নয়। ওকেই ওর বিবেক নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে।”


দাম্পত্য জীবনের টানাপড়েন নিয়ে সরাসরি রেখার নাম না নিলেও অমিতাভ বচ্চন একবার মুখ খুলেছিলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট। অমিতাভ বলেছিলেন, “আমাদের ক্ষেত্রে বিচ্ছেদ বা ডিভোর্স শব্দটা কখনওই আসবে না। আমি ডিভোর্সে বিশ্বাসী নই। জয়াকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে বেছে নেওয়াটা ছিল আমার জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত।” মূলত এই বক্তব্যের মাধ্যমেই তিনি সব জল্পনার অবসান ঘটাতে চেয়েছিলেন।

অন্যদিকে, রেখাও কিন্তু সংবাদমাধ্যমের চর্চা জিইয়ে রাখতে পিছপা হননি। ‘স্টারডাস্ট’ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রেখা এক অদ্ভুত দাবি করেন। তিনি জানান, একদিন জয়া বচ্চন তাঁকে নিজের বাড়িতে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। রেখার কথায়, “যতদিন জয়া ভেবেছিলেন এটা একটা সাধারণ সম্পর্কের টানাপড়েন, ততদিন তাঁর আপত্তি ছিল না। কিন্তু যখন তিনি বুঝলেন অমিতাভ মানসিকভাবে জড়িয়ে পড়েছেন, তখন থেকেই ওঁর কষ্ট শুরু হয়। সেদিন ডিনারে আমাদের মধ্যে সব বিষয় নিয়ে কথা হয়েছিল শুধু অমিতাভকে বাদ দিয়ে। কিন্তু বাড়ি ফেরার আগে জয়া আমাকে একটি কথা পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন— ‘যাই হয়ে যাক, আমি অমিতকে কখনওই ছেড়ে যাব না’।”

আটের দশকের সেই ত্রিকোণ প্রেমের গুঞ্জন আজও বলিউডের ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। সম্পর্কের টানাপড়েন, মর্যাদার লড়াই এবং শেষ পর্যন্ত জয়া বচ্চনের অটল সিদ্ধান্ত— সব মিলিয়ে এই কাহিনী কোনও সিনেমার চিত্রনাট্যের চেয়ে কম নয়। আজও ‘সিলসিলা’ যখন টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যায়, দর্শকরা তাতে খুঁজে পান সেই সময়ের রক্ত-মাংসের আবেগ আর আভিজাত্যের লড়াইকে।


সম্প্রতি ক্যারি মিনাটি তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে ‘কফি উইথ জালান’ নামক একটি সিরিজ শুরু করেন। এই সিরিজের নাম থেকে শুরু করে সেট— সবটাই করণের বিখ্যাত টক-শো’র আদলে তৈরি। ভিডিওটিতে করণের মতো দেখতে এবং তাঁর বাচনভঙ্গি নকল করা একটি চরিত্রকেও ব্যবহার করা হয়।

ইউটিউবার ক্যারি মিনাটির বিরুদ্ধে আদালতে করণ জোহর! পরিচালকের সঙ্গে ঘটল কী?


বলিউড আর ইউটিউবের ঠাণ্ডা লড়াই এবার আইনি লড়াইয়ে রূপ নিল। করণের জনপ্রিয় টক-শো ‘কফি উইথ করণ’-এর প্যারোডি বা বিদ্রূপাত্মক ভিডিও তৈরি করে বিপাকে পড়লেন ইউটিউব সেনসেশন ক্যারি মিনাটি। তাঁর বিরুদ্ধে মুম্বই আদালতের দ্বারস্থ হলেন পরিচালক কর্ণ জোহর। তাঁর দাবি, হাস্যকৌতুকের ছলে তাঁর সম্মানহানি করার চেষ্টা করছেন এই ইউটিউবার।

সম্প্রতি ক্যারি মিনাটি তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে ‘কফি উইথ জালান’ নামক একটি সিরিজ শুরু করেন। এই সিরিজের নাম থেকে শুরু করে সেট— সবটাই করণের বিখ্যাত টক-শো’র আদলে তৈরি। ভিডিওটিতে করণের মতো দেখতে এবং তাঁর বাচনভঙ্গি নকল করা একটি চরিত্রকেও ব্যবহার করা হয়। সেখানেই মূলত ইন্ডাস্ট্রির ‘স্টার কিড’ এবং নেপোটিজম বা স্বজনপোষণ নিয়ে কটাক্ষ করা হয়। এই বিষয়টিকেই ‘অসম্মানজনক’ এবং ‘মানহানিকর’ বলে চিহ্নিত করেছে করণের আইনি দল।


পরিচালকের আবেদনের ভিত্তিতে গত ৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার মুম্বই আদালতের পক্ষ থেকে একটি অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, ক্যারি মিনাটি, মেটা (Meta) এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলি যেন কর্ণের বিরুদ্ধে কোনও আপত্তিকর বা মানহানিকর বিষয় প্রচার না করে। করণের ভাবমূর্তি বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইউটিউবারদের মধ্যে ক্যারি মিনাটি বরাবরই তাঁর আগ্রাসী রোস্টিংয়ের জন্য পরিচিত। এর আগে বহু তারকাকে নিয়ে তিনি বিদ্রূপাত্মক ভিডিও তৈরি করেছেন। তবে করণের মতো প্রভাবশালীর আইনি পদক্ষেপ তাঁর জন্য বড়সড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। যদিও এই আইনি নোটিশ বা আদালতের নির্দেশ নিয়ে ক্যারি বা তাঁর টিমের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। বলিউড আর ডিজিটাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের এই সংঘাত ভবিষ্যতে রোস্টিং বা প্যারোডি ভিডিওর পরিধি কতটা কমিয়ে দেবে, তা নিয়ে এখন শুরু হয়েছে জোর চর্চা।





এই মুহূর্তে পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীর রয়েছেন তিনি। দেবলীনার পরিবারের লোকজনের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, আগের থেকে শারীরিক দিক থেকে সুস্থ হয়েছেন তিনি। তবে মানসিক দিক থেকে একেবারেই ভাল নেই। মারাত্মক ট্রমায় রয়েছেন দেবলীনা।
কেমন আছেন দেবলীনা? পরিবারকে ভয়ঙ্কর কথা জানিয়ে দিলেন ডাক্তার
আকাশ মিশ্র


গত কয়েকদিন ধরেই সোশাল মিডিয়া উত্তাল, গায়িকা, অভিনেত্রী, সোশাল মিডিয়া সেনসেশন দেবলীনা নন্দীর খবরে। দাম্পত্য কলহের জেরে, ৭৮ টি ঘুমের ওষুধ খেয়ে নিজেকে শেষ করার চেষ্টা করেছিলেন দেবলীনা। কাঠগড়ায় তাঁর স্বামী প্রবাহ নন্দী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এই মুহূর্তে হাসপাতালে চিকিৎসাধীর রয়েছেন তিনি। দেবলীনার পরিবারের লোকজনের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, আগের থেকে শারীরিক দিক থেকে সুস্থ হয়েছেন তিনি। তবে মানসিক দিক থেকে একেবারেই ভাল নেই। মারাত্মক ট্রমায় রয়েছেন দেবলীনা।

বুধবার ফেসবুক লাইভে এসে দেবলীনার দিদি শর্মিষ্ঠা জানালেন, কতটা মানসিক দিক থেকে ভেঙে পড়েছেন দেবলীনা। কারও সঙ্গে কথা বলার মতো অবস্থা নেই তাঁর। কেঁদেই চলেছেন অনবরত। আর মুখে একটাই কথা, প্রবাহর সঙ্গে একবার কথা বলতে চাই। দেবলীনার পরিবারের অভিযোগ, দেবলীনার শারীরিক অবস্থার কথা জেনেও তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন একবার ফোনও করেননি। প্রবাহ তো নয়ই। দেবলীনার দিদির কথায়, আমাদের ভয় দেবলীনা আবার কিছু করে না বসে। মানসিক অবস্থা খুবই খারাপ। কারও সঙ্গে কথা বলতে চাইছে না। মারাত্মক ট্রমায় রয়েছে দেবলীনা।



 ওষুধের দোকানেই ডাক্তারের চেম্বার, দু'মাসের অন্তঃসত্ত্বা, তাঁর সঙ্গেই কিনা...খবর চাউর হতেই জড়ো হল গ্রামের লোক
দেবলীনার দিদি জানিয়েছেন, চিকিৎসকরা দেবলীনার মানসিক অবস্থা নিয়ে খুবই চিন্তায় রয়েছেন। তাঁর পরিবারকে চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন। তাঁদের ভয় দেবলীনা ফের আত্নহননের ট্রাই করতে পারেন। কারণ, মানসিক দিক থেকে একেবারেই সুস্থ নয়, দেবলীনা। দেবলীনার দিদি লাইভে এসে জানান, ”এখনও প্ল্য়ান করে যাচ্ছে। আমাকে জিজ্ঞাসা করছে, দিদিভাই সবথেকে সহজে কীভাবে মারা যায় বল তো! দিদি হয়ে কীভাবে সহ্য করব এই কথা!”

 



স্বাধীনচেতা মনোভাব একদিকে যেমন অনেকের পছন্দ, আবার অনেকেই অপছন্দ করেন তাঁকে। এমনকী, অনেকে তাঁর এই আজব ফ্যাশনকে অশ্লীল বলে দাগিয়ে নানা হুমকিও দিয়েছেন। তবে সে সবে ভ্রুক্ষেপ করেননি উরফি। কিন্তু এবার সেই উরফিই ভয়ে কেঁপে উঠলেন। সারারাত চোখের পাতা এক না করে, দুশ্চিন্তায়। তারপর ভোর হতেই ছুটলেন পুলিশে!

সারারাত বিছানায় শুয়ে ছটফট! ভোর হতেই ছুটলেন পুলিশে, উরফির সঙ্গে আচমকা কী ঘটল?


তিনি সোশাল মিডিয়ার সেনসেশন। আজব ফ্যাশনে এক সেকেন্ডেই ভাইরাল হয়ে যান। ঠোঁটকাটা বিন্দাস উরফির এমন স্বাধীনচেতা মনোভাব একদিকে যেমন অনেকের পছন্দ, আবার অনেকেই অপছন্দ করেন তাঁকে। এমনকী, অনেকে তাঁর এই আজব ফ্যাশনকে অশ্লীল বলে দাগিয়ে নানা হুমকিও দিয়েছেন। তবে সে সবে ভ্রুক্ষেপ করেননি উরফি। কিন্তু এবার সেই উরফিই ভয়ে কেঁপে উঠলেন। সারারাত চোখের পাতা এক না করে, দুশ্চিন্তায়। তারপর ভোর হতেই ছুটলেন পুলিশে!

হ্যাঁ, উরফির জীবনে এক নতুন বিপদ। যার কারণে রবিবার সারারাত ঘুমতে পারেননি উরফি ও তাঁর বোন। তারপর সকাল হতেই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন উরফি ও তাঁর বোন। সোশাল মিডিয়ায় সে কথা জানিয়েছেন উরফি। সঙ্গে লিখেছেন, ভেবেছিলাম মুম্বই শহর খুবই নিরাপদ! তবে ঠিক কী ঘটেছে উরফির সঙ্গে তা স্পষ্ট করে জানাননি উরফি।


উরফি জাভেদ—নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে একের পর এক বিচিত্র ও নজরকাড়া পোশাক। তবে শুধুমাত্র ফ্যাশন নয়, উরফির বিনোদন জগতে পথচলা শুরু হয়েছিল বেশ শক্তপোক্ত অভিনয়ের হাত ধরেই। বর্তমানে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় সেনসেশন হলেও তাঁর কেরিয়ারের গ্রাফ বেশ দীর্ঘ।

টেলিভিশন সফর: উরফির অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল সনি টিভির জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘বড়ে ভাইয়া কি দুলহানিয়া’র মাধ্যমে। এরপর একে একে ‘কসৌটি জিন্দেগি কি ২’, ‘চন্দ্র নন্দিনী’ এবং ‘মেরি দুর্গা’র মতো একাধিক হিট মেগা সিরিয়ালে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গেছে। ছোট পর্দার গণ্ডি ছাড়িয়ে উরফি পা রেখেছেন বড় পর্দাতেও। দিবাকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের চর্চিত ছবি ‘লাভ সেক্স অউর ধোকা ২’-তে একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

২০২১ সালে ‘বিগ বস ওটিটি’-তে অংশগ্রহণ করার পরই রাতারাতি উরফির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে পৌঁছায়। যদিও তিনি বেশিদিন সেই শো-তে টিকতে পারেননি, কিন্তু তাঁর সাহসী ব্যক্তিত্ব দর্শকদের নজর কেড়ে নেয়। সম্প্রতি করণ জোহরের সঞ্চালনায় জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘দ্য ট্রেটার্স’-এও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। এছাড়া প্রাইম ভিডিও-র সিরিজ ‘ফলো কর লো ইয়ার’-এ নিজের তিন বোন ডলি, আসফি এবং উরুসার সঙ্গে ধরা দিয়েছেন উরফি, যেখানে তাঁদের পারিবারিক রসায়ন দর্শকদের বেশ পছন্দ হয়েছে।

উরফির ভক্তদের জন্য বড় খবর হলো, তাঁকে খুব শীঘ্রই দেখা যাবে জনপ্রিয় ডেটিং রিয়ালিটি শো ‘স্প্লিটসভিলা’-র নতুন সিজনে। তবে প্রতিযোগিনী হিসেবে নয়, উরফিকে সেখানে দেখা যাবে ‘মিসচিফ মেকার’ হিসেবে। অর্থাৎ, স্প্লিটসভিলার প্রতিযোগীদের নাজেহাল করতে এবার উরফি কোন নতুন চাল চালেন, সেটাই দেখার অপেক্ষায় দর্শকরা।