জুলফিকরের কাকাও বাবা, শ্বশুরও বাবা! আসল বাবা কে? ধন্দে সবাই
দু'টি বুথে রয়েছেন ওই ব্যক্তির দু'জন বাবা। অভিযোগ, একটি বুথে নিজের কাকুকে বাবা বানিয়েছেন আবার অপর একটি বুথে নিজের শ্বশুরকে বাবা বানিয়েছেন। তবে নিজের আসল বাবারই নেই কোনও অস্বিত্ব। আর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নন্দীগ্রামে আলোচনা শুরু।
জুলফিকরের কাকাও বাবা, শ্বশুরও বাবা! আসল বাবা কে? ধন্দে সবাই
জুলফিকর
এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া বাংলায় চালু হতেই দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন ছবি। কখনও শ্বশুরকে বাবা বানানোর অভিযোগ সামনে এসেছে, কখনও খবর মিলছে একজন ব্যক্তির দু’জন স্ত্রী। আর এবার খোঁজ মিলল একজনের দু’দুজন বাবার। দু’টি বুথে রয়েছেন ওই ব্যক্তির দু’জন বাবা। অভিযোগ, একটি বুথে নিজের কাকুকে বাবা বানিয়েছেন আবার অপর একটি বুথে নিজের শ্বশুরকে বাবা বানিয়েছেন। তবে নিজের আসল বাবারই নেই কোনও অস্বিত্ব। আর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নন্দীগ্রামে আলোচনা শুরু।
পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের দাউদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা শেখ জুলফিকার। তাঁর আসল বাবা শেখ মণিরুল ইসলাম। এই মণিরুল ইসলামের ভাই অর্থাৎ জুলফিকারের কাকু শেখ মফিজুল ইসলাম দাউদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নয়নান গ্রামে ১৯৩ নম্বর বুথের বাসিন্দা। তিনিই প্রথম নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের বিডিওর কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। শেখ মফিজুলের অভিযোগ, তাঁর দাদা অর্থাৎ মণিরুল ইসলাম তিনি এখনো জীবিত রয়েছেন। তাঁর দাদার ছেলে শেখ জুলফিকার বর্তমানে নন্দীগ্রামের কেন্দামারি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার গোপীমোহনপুরে বিয়ে করেছেন। এখন নিজের শ্বশুরবাড়িতেই ২১৩ নম্বর বুথে বসবাস করেন। অথচ, তিনি দাউদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ১৯৩ নম্বর বুথে নিজের বাবাকে বাদ দিয়েছেন। আর কাকাকে বাবা সাজিয়ে মফিজুলের নাম তুলেছেন। আবার কেন্দ্রামারী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার গোপী মোহনপুর ২১৩ নম্বর বুথে বাবা হিসেবে শ্বশুরের নাম শেখ এনামুল হোসেনকে দেখিয়ে ভোটার লিস্টে তুলেছেন। অর্থাৎ দুটো বুথেই ভোটার কার্ড রয়েছে। আবার দু’জন বাবাও রয়েছেন। তিনি বলেন, “জুলফিকর আমার দাদার ছেলে। ভোটার লিস্টে দেখি আমায় বাবা বানিয়ে লিস্ট বানিয়েছে। ও যেই ঠিকানা দিয়েছে এখানে থাকে না। আর যেখানে থাকে সেখানে শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে দিয়েছে।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours