তৃণমূলের পরাজয়ের পর বিদ্রোহ ঘোষণা করে দল ছাড়ার কথা বললেও, সংসদের খাতায়-কলমে ২০ জন সাংসদ এখন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ হিসেবেই স্বীকৃত। তাঁদের কী গতি হবে, তা নিয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট বার্তা নেই।
মমতা-ঋতব্রতর টানাটানির মাঝে বিরাট আশা নিয়ে তাকিয়ে আছে কাকলি-সুদীপরা, কোন পথে NCPI
কী হবে নয়া সমীকরণ
তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) নাম আর প্রতীক নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছে গত মে মাস থেকে। আসল তৃণমূল হিসেবে দলের সব অধিকার চায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। অন্যদিকে, অধিকার ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা কালীঘাট-শিবির। কিন্তু, এই দড়ি টানাটানির মাঝে আশা দেখতে শুরু করেছে এনসিপিআই। নিজেদের এনডিএ শরিক হিসেবে দাবি করা দল, যাদের স্বীকৃতি মেলেনি এখনও, তারা কেন তৃণমূলের মুখের দিকে তাকিয়ে?
তৃণমূলের পরাজয়ের পর বিদ্রোহ ঘোষণা করে দল ছাড়ার কথা বললেও, সংসদের খাতায়-কলমে ২০ জন সাংসদ এখন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ হিসেবেই স্বীকৃত। তাঁদের কী গতি হবে, তা নিয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট বার্তা নেই। এই অবস্থায় তাঁদের আশা সেই তৃণমূলকে ঘিরেই।
ভুল ইংরেজি বলে বিপাকে উত্তম কুমার, বাতিল হয়েছিল সাক্ষাৎকার, তারপর যা ঘটল...
প্রধান শিক্ষককে মারধর করে আটক ১, স্কুলে গিয়ে অভিযুক্ত ৪ ছাত্রকে 'ছুটি' দিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
ঋতব্রত শিবিরের উপর ভরসা করে বুক বাঁধছেন কাকলি-সুদীপরা
বিজেপি সূত্রে খবর, ঋতব্রতরা প্রকৃত তৃণমূলের তকমা পেলে এনসিপিআই মিশে যাবে সেই ঋতব্রত-তৃণমূলে। সূত্রের খবর, যেহেতু সংসদের রেকর্ডে কাকলি-সুদীপ ক্যাম্প খাতায়-কলমে এখনও AITC সাংসদ, তাই এনসিপিআই পরিচয়ের দাবি প্রত্যাহার করে মূল তৃণমূল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে তারা।
অভিষেকের তরফে সুপ্রিম কোর্টে ওই ২০ জনের সাংসদ পদ খারিজ করার দাবিতে মামলা করা হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেকের পদ খারিজ করার দাবি জানিয়ে পৃথক ২০টি আবেদন করা হয়েছে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার কাছে।
সূত্রের খবর, এনসিপিআই-এর পরিকল্পনা হল, তৃণমূল কংগ্রেসে মিশে যেতে পারলে অভিষেকের করা সেই মামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হবে। কাকলি-সুদীপ গোষ্ঠী সংসদে প্রকৃত তৃণমূল তকমা পেলে, এআইটিসির লোকসভার দলনেতা তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অভিষেকের আবেদনের দলগত কোনও বৈধতা থাকবে না।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours