শনিবার ভোরে মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গিয়েছে, গতকাল বিকেল থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। কোনও মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মিটে গেলেও শনিবার ভোরে ফের নতুন করে ঝামেলা শুরু হয় বলে খবর।
বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুনের (BJP Worker Allegedly Beaten to Death) অভিযোগ উঠল মেদিনীপুরে। বাঁশ, লাঠি দিয়ে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার ভয়াবহ সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। মৃত বিজেপি নেতার নাম শামসের বিশ্বাস। আরও এক বিজেপি কর্মী জখম হয়েছেন বলে খবর। কে বা কারা হামলা চালিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
কী নিয়ে ঝামেলা?
শনিবার ভোরে মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গিয়েছে, গতকাল বিকেল থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। কোনও মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মিটে গেলেও শনিবার ভোরে ফের নতুন করে ঝামেলা শুরু হয় বলে খবর। সেখানেই ওই বিজেপি নেতাকে পিটিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার মুহূর্তের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে।
'ভোটের আগে বলেননি কেন অন্নপূর্ণা যোজনা সবাই পাবে না?', 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' সকলে পেতেন মনে করালেন মমতা
Samik Bhattacharya: তোলাবাজি করলেই গ্রেফতার করুন, বার্তা শমীকের
প্রকাশ্যে সিসিটিভি ফুটেজ
সিসিটিভিতে দেখা গিয়েছে, একদল দুষ্কৃতী বাঁশ, লাঠি নিয়ে দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে। এক বার নয়, একাধিকবার হামলা করা হয়। তাতেই ওই বিজেপি কর্মীর মৃত্য়ু হয়ে বলে অভিযোগ। আরও একজন বিজেপি কর্মী জখম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।
ঘটনার পর থেকেই উত্তপ্ত রয়েছে মেদিনীপুরের ওই এলাকা। সকালেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ বাহিনী। তাঁরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আঁটোসাঁটো করা হয়েছে নিরাপত্তা। ঘটনাস্থলে চলছে পুলিশি টহল। আপাতত থমথমে রয়েছে ওই এলাকা।
কারা হামলা চালিয়েছে, কী বলছে বিজেপি?
তবে, কে বা কারা হামলা চালিয়েছে, তা জানা যায়নি। বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি অজয় জানার দাবি, ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক কোনও যোগ নেই। একদল দুষ্কৃতী হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই বিষয়ে বলেন, “কে করছে, কি করছে তাঁদের নাম আমাদের কাছে আসছে। থানায় পাঠিয়েছি। তদন্ত হোক। এখন তো আর কোনও বিরোধী রাজনৈতিক দল নেই। তৃণমূলও নেই , সিপিএমও নেই। দুষ্কৃতীরাই হামলা চালিয়েছে।
অন্যদিকে, জেলা সভাপতি সৌমেন তিওয়ারির দাবি, যাঁরা গত ১৫ বছর ধরে এলাকায় গোলমাল পাকিয়ে নিজেদের আয়ত্তে রাখার চেষ্টা করেছিল, তারাই ফের এলাকা দখলের চেষ্টা করছে। তাই এই ধরনের গোলমাল হয়েছে। তবে, মৃত শামসের আদৌ বিজেপি করতেন কি না, সেই নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours