বর্তমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে কেন্দ্র সরকার আর কী কী নতুন প্রকল্প গ্রহণ করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা ও প্রস্তাব পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। কার্যকর পর্যালোচনার জন্য উপস্থিত মন্ত্রীদের মোট ৮টি গ্রুপে ভাগ করে দলগত আলোচনা (গ্রুপ ডিসকাশন) চালানো হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের সুবিধা দেশের শেষ প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে কি না, সেটাই সুনিশ্চিত করা লক্ষ্য সরকারের। আর তার মূল দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। সে কারণেই দিল্লির ‘সেবাতীর্থ’-এ আয়োজিত মন্ত্রীদের চিন্তন বৈঠক। বৃহস্পতিবার এই বৈঠকে আরও একবার এই স্পষ্ট বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মন্ত্রিসভার কাজের গতি বাড়ানো এবং ভবিষ্যতের প্রশাসনিক রূপরেখা তৈরিই এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। বৈঠকে প্রত্যেক মন্ত্রীর তাঁদের নিজ নিজ দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় কাজের পারফরম্যান্স পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পাশাপাশি, বর্তমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে কেন্দ্র সরকার আর কী কী নতুন প্রকল্প গ্রহণ করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা ও প্রস্তাব পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। কার্যকর পর্যালোচনার জন্য উপস্থিত মন্ত্রীদের মোট ৮টি গ্রুপে ভাগ করে দলগত আলোচনা (গ্রুপ ডিসকাশন) চালানো হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী নিজে বিভিন্ন টেবিলে ঘুরে ঘুরে মন্ত্রীদের সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন এবং সরাসরি মতামত আদান-প্রদান করছেন। গুরুত্বপূর্ণ এই প্রশাসনিক বৈঠকে ক্যাবিনেট সচিবসহ সরকারের শীর্ষ আধিকারিকরাও উপস্থিত রয়েছেন। এই চিন্তন বৈঠকে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন ও সরকারের ভবিষ্যৎ নীতি নিয়েও এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির রূপায়ণে দীর্ঘসূত্রতা কমানো এবং বিভিন্ন মন্ত্রকের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours