তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ নিয়ে সুমিত রায় বলেন, "আমি মন্তব্য করতে পারব না।" প্রশ্ন করা হয়, সেবাশ্রয় থেকে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে কেন আপনার নাম জড়াচ্ছে? সেবাশ্রয় নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রইলেন। বললেন, "বলতে পারব না। সেবাশ্রয় নিয়ে মন্তব্য করতে পারব না।"

পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে ২ মাস কোথায় লুকিয়ে ছিলেন? জানিয়ে দিলেন অভিষেকের PA
কী বললেন সুমিত রায়?

গত ২ মাস ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে লুকিয়ে ছিলেন তিনি। পুলিশ তাঁকে কোথাও খুঁজে পায়নি। এমনকি, তাঁর খোঁজে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও হানা দিয়েছিল পুলিশ। শেষপর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে রক্ষাকবচ পাওয়ার পর সিআইডি-র তলবে ভবানী ভবনে পরপর দু’দিন হাজিরা দিলেন। আর রবিবার হাজিরা শেষে অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায় জানিয়ে দিলেন, গত ২ মাস কোথায় ছিলেন তিনি। মুখ খুললেন তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ নিয়েও।


কী বললেন সুমিত রায়?



পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গতকাল সিআইডি ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করে সুমিত রায়কে। রবিবার ফের তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এদিন ফের ৮ ঘণ্টার মতো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেকের পিএ-কে। ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের একের পর এক প্রশ্নের মুখে পড়েন সুমিত। বেশিরভাগ প্রশ্নে মুখ খুলতে চাইলেন না। বিচারাধীন বলে পাশ কাটিয়ে গেলেন। আর অনেক প্রশ্নে সংক্ষিপ্ত উত্তর দিলেন।


এদিন সাংবাদিকরা তাঁর কাছে জানতে চান, এই ২ মাস আপনি কোথায় ছিলেন? প্রথমে সুমিত বলেন, “আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারব না।” তারপর ফের প্রশ্ন করায় বললেন, “এদিকে, আশপাশেই ছিলাম।” তাহলে কি কলকাতাতেই ছিলেন অভিষেকের পিএ, উঠছে প্রশ্ন। তাঁকে আরও প্রশ্ন করা হয়, এতদিন আত্মগোপন করে থাকলেন কেন? জবাবে সুমিত বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট যেমন নির্দেশ দিয়েছে, তা-ই তো মেনে চলছি।”

তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ নিয়ে বলেন, “আমি মন্তব্য করতে পারব না।” প্রশ্ন করা হয়, সেবাশ্রয় থেকে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে কেন আপনার নাম জড়াচ্ছে? সেবাশ্রয় নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রইলেন। বললেন, “বলতে পারব না। সেবাশ্রয় নিয়ে মন্তব্য করতে পারব না।”

তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি মনে করেন হেনস্থা করা হচ্ছে? এবার বললেন, “হতে পারে। কিন্তু, এই নিয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না। কারণ, মামলা আদালতে বিচারাধীন। সব কিছুতে মন্তব্য করতে পারব না।” তারপরই বলেন, “হতে পারে। কারা করাচ্ছে বলতে পারব না। পুলিশ যখনই ডাকবে সহযোগিতা করব। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি।”

তাঁর বিরুদ্ধে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, “বাজে কথা।” তারপরই বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যা অভিযোগ, তা মিথ্যে।” গতকাল তৃণমূলের গাড়িতে করে তাঁর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়া নিয়ে সুমিত বলেন, “যে অফিসে কাজ করি, সেই অফিস থেকে গাড়িটা দিয়েছে।”

আগামিকাল চাকরি দুর্নীতি নিয়ে ডেবরার মামলায় তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে। নিজেই একথা জানান। বললেন, “কাল ১১টার সময় ডেকেছে।” এদিন তাঁকে কোনও ডকুমেন্ট আনতে বলা হয়নি বলে জানালেন।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours