অনুব্রত মণ্ডল সশরীরে উপস্থিত না থাকলেও জেলা সভাপতিদের তালিকায় জায়গা হল তাঁর। আবারও বীরভূমের দায়িত্ব ফিরে পেলেন তিনি। গরু পাচার মামলায় জেলে যাওয়ার পর বীরভূমের সভাপতি পদ গিয়েছিল অনুব্রতর। যদিও মমতা অন্য কাউকে আর ওই পদ দেননি।
বীরভূমে অনুব্রত, বসিরহাটে লিটন, ঠিক হয়ে গেল ঋত-শিবিরের জেলা সভাপতিদের নাম
জেলা সভাপতিদের তালিকা
নিজের নিজের পক্ষের যুক্তি ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, কার নেতৃত্বে এগোবে ভবিষ্যতের তৃণমূল, তা জানা এখন সময়ের অপেক্ষা। এরই মধ্যে সংগঠন সাজিয়ে ফেলেছেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত। আর শনিবার জেলা সভাপতিদের তালিকাও তৈরি করে দিল ঋত-শিবির।
এদিন দুপুরের পর তপসিয়ার বৈঠকে একে একে হাজির হতে দেখা গেল তৃণমূলের বহু পুরনো মুখকে। উল্লেখ্যযোগ্য নাম শান্তনু সেন, অশোক রুদ্র, নারায়ণ গোস্বামী প্রমুখ। দেখা গেল প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকেও। পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ককে নির্মলকে ভোটের পর থেকে কোথাও দেখা যাচ্ছিল না। কেউ কেউ বলছিলেন, গা ঢাকা দিয়েছে নির্মল। এদিন বৈঠকে প্রবেশের আগে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “মমতার উপর আস্থা আছে। মমতা আমাদের হৃদয়ে আছে। অভিষেকের ব্যাপারে বলতে পারব না।”
তৎকাল টিকিট বুকিংয়ে বড় বদল! আসছে IRCTC ওয়েবসাইট, নয়া নিয়ম জানেন?
এদিনের বৈঠকে জেলা সভাপতিদের নাম নির্ধারণ করা হয়। অনুব্রত মণ্ডল সশরীরে উপস্থিত না থাকলেও জেলা সভাপতিদের তালিকায় জায়গা হল তাঁর। আবারও বীরভূমের দায়িত্ব ফিরে পেলেন তিনি। গরু পাচার মামলায় জেলে যাওয়ার পর বীরভূমের সভাপতি পদ গিয়েছিল অনুব্রতর। যদিও মমতা অন্য কাউকে আর ওই পদ দেননি। কেষ্টর অনুপস্থিতিতে নিজেই দেখতেন ওই জেলা।
কে কোন দায়িত্ব পেলেন, একনজরে
কৃষ্ণনগর (জেলার সভাপতি)- জেবের শেখ
আলিপুরদুয়ার (জেলার সভাপতি)- বিনোদ মিঞ্জ
জলপাইগুড়ি (জেলার সভাপতি)- মহুয়া গোপ
দার্জিলিং (জেলার সভাপতি)- রঞ্জন সরকার
বহরমপুর (জেলার সভাপতি)- ডেভিড
মালদা (জেলার সভাপতি)- প্রসূন
যাদবপুর, ডায়মন্ড হারবার (জেলার সভাপতি)- শুভাশিস দাস
মুখপাত্র-
প্রধান মুখপাত্র প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়
এছাড়া মুখপাত্র আখরুজ্জামান, ডেভিড, সুদীপ রাহা, কোহিনুর


Post A Comment:
0 comments so far,add yours