এরপর বিধানসভার সচিব সৌমেন্দ্রনাথ দাস পদাধিকার বলে এই নির্বাচনে রির্টানিং অফিসার এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। এ দিন, মনোনয়ন পত্র পেশের সময় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। 


একদিকে শুভেন্দু অন্য়দিকে শমীক, মাঝে সদ্য বিজেপিতে আসা ৩ প্রার্থী, জমা দিলেন মনোনয়ন
মনোনয়ন পেশ


আগে ছিলেন তৃণমূলের (TMC) রাজ্য সভার সাংসদ (MP)। তারপর পালা বদলের পর দল ছাড়েন। এরপর বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত থেকে বিজেপির (BJP) পতাকা তুলে নেন। এরপর সোমবার রাজ্যসভার ভোটে মনোনয়ন পেশ করলেন তৃণমূল ত্যাগী সুস্মিতা দেব, সুখেন্দু শেখর রায় ও প্রকাশ চিক বড়াইক। বর্তমান সমীকরণ অনুযায়ী তৃণমূল ত্যাগী তিনজনেরই জয় নিশ্চিত।


সমীকরণ কী বলছে?



এই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থাকলেই ঢুকছে ৭৫৯ কোটি টাকা! কেন ঢুকছে জেনে নিন

৬০টি রথযাত্রা কমিটিকে ৫ লক্ষ করে অনুদান, জানালেন শুভেন্দু
বিধানসভায় অখন্ড তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রয়েছেন ৮০ জন। কংগ্রেসের ২ জন বিধায়ক, আইএসএফ ও সিপিএম জোটের ২ জন বিধায়ক রয়েছেন। এছাড়া আমজনতা উন্নয়ন পার্টি দু’টি আসনে জিতলেও বিধায়ক এক জন। এ দিকে, বিজেপির একার ২০৭ জন বিধায়ক রয়েছে। রাজ্যসভার নির্বাচনে যে অঙ্ক রয়েছে, এক-একজন প্রার্থীকে ১৪৭টি ভোট পেতে হবে। ফলে বিজেপির কাছে সেই সংখ্যা রয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধীরা সবাই একজট হলেও সেই সংখ্যা তৈরি হচ্ছে না। ফলত, এই তিনজনের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা হবে।


মঙ্গলবার এই প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র পরীক্ষা হবে। আগামী ১৭ তারিখ বেলা তিনটের মধ্যে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের সময় রয়েছে। তারপরই তাঁদের হাতে জয়ের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হবে। এরপর বিধানসভার সচিব সৌমেন্দ্রনাথ দাস পদাধিকার বলে এই নির্বাচনে রির্টানিং অফিসার এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। এ দিন, মনোনয়ন পত্র পেশের সময় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর শমীক বলেছিলেন তৃণমূল কর্মীদের দলে জায়গা হবে না। পরে যদিও তিনি বলেছিলেন, ‘ভাল তৃণমূলের জন্য দরজা খোলা’। এরপর দেখা যায় এই তিন তৃণমূলত্যাগীকে যোগদান করান বিজেপির রাজ্য সভাপতি নিজের হাতে। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন তৃণমূলে থেকে যাঁরা দুর্নীতি করেননি,তাঁদের আগেই পাশে চেয়েছে বিজেপি।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours