২০১০ সালের পর ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ৭৭টি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্তি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। যে ৭৭টি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্তি বাতিল করে হাইকোর্ট, তার মধ্যে ৭৫টি মুসলিম সম্প্রদায়। ২০২৪ সালের মে মাসের হাইকোর্টের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল পূর্বতন তৃণমূল সরকার।

চাকরির দুয়ার খুলল! ওবিসি মামলা কফিনে বন্দি করে দিল শুভেন্দু-সরকার
কী পদক্ষেপ করল শুভেন্দু-সরকার?



 একদিন আগেই বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বলেছিলেন, পূর্বতন তৃণমূল সরকারের ওবিসি সংক্রান্ত মামলা সুপ্রিম কোর্ট থেকে প্রত্যাহার করা হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শীর্ষ আদালত থেকে ওবিসি মামলা প্রত্যাহার করে নিল রাজ‍্য সরকার। মঙ্গলবার সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চকে জানান, রাজ্য মন্ত্রিসভা এই মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইসঙ্গে, রাজ্য অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনও তাদের পৃথক আপিলও প্রত্যাহার করেছে। কমিশনের তরফে আইনজীবী কুণাল চট্টোপাধ্যায় এই সিদ্ধান্তের কথা সুপ্রিম কোর্টকে জানান। মামলা প্রত্যাহারের অনুমতি দিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে এই মামলায় অন্য কোনও ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ চাইলে তাদের নিজস্ব মামলা দায়ের করতে পারবে বলে এদিন জানিয়েছে প্রধান বিচারপতি বেঞ্চ।


২০১০ সালের পর ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ৭৭টি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্তি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। যে ৭৭টি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্তি বাতিল করে হাইকোর্ট, তার মধ্যে ৭৫টি মুসলিম সম্প্রদায়। ২০২৪ সালের মে মাসের হাইকোর্টের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল পূর্বতন তৃণমূল সরকার। কিন্তু, বিজেপি ক্ষমতায় এসেই জানিয়ে দেয়, ওবিসি তালিকা নিয়ে পূর্বতন সরকারের মামলা সুপ্রিম কোর্ট থেকে প্রত্যাহার করবে তারা। সেইমতো এদিন মামলা প্রত্যাহার করে নিল বর্তমান রাজ্য সরকার।



অযধ্যার পর এবার পুণে, ২৫.৭ একর জমি কিনলেন রণবীর কাপুর! কত টাকা খরচা হল জানেন?
নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে থাকার জন্য এই ওবিসি মামলার কথা গতকাল উল্লেখ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিক্ষক নিয়োগ কবে হবে, সেই প্রশ্নের উত্তরে গতকাল মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ওবিসি সংরক্ষণের জটিলতায় নিয়োগ প্রক্রিয়া কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। সেজন্য ওবিসি সংক্রান্ত আইন বিধানসভায় পাশ করা হয়েছে। আগের তৃণমূল সরকার যে ভুল করেছিল, সেটা প্রথমে ঠিক করা হয়েছে। তখনই মুখ্যমন্ত্রী জানান, সুপ্রিম কোর্টে ওবিসি সংক্রান্ত যে মামলা আগের সরকার করেছিল, সেখান থেকে বর্তমান সরকার সরে আসবে। ফলে নিয়োগের ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা থাকবে না। গতকাল তিনি বলেছিলেন, “যে ৬ হাজারের মৌখিক হয়ে গিয়েছে, আর যে ৬ হাজারের মৌখিক বাকি রয়েছে, সেটা হয়ে যাবে। আর আমাদের সংকল্পপত্র অনুসারে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও রাজনীতির লোক থাকবে না।” 
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours