কিন্তু এত তরজা, বিতর্কের মধ্যেও বিশেষ মুখ খুলতে চাননি পশ্চিম মেদিনীপুরের নির্মল ঘোষ। তাঁর সাফ কথা, যা বলার রাজ্যের নেতারা বলবেন। তবে তিনি সাধারণ মানুষের স্বার্থে বর্তমান সরকারের পাশে থেকে কাজ করতে চান।


ঋতব্রতদের বৈঠকে ঢুকে পড়েছিলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। যদিও তাঁর উপস্থিতিতে রীতিমতো অস্বস্তিতে ঋত শিবির। তাঁদের দাবি, নির্মল অনাহুত। তাঁকে ডাকাই হয়নি। সোজা কথা, বিনা আমন্ত্রণেই তিনি নাকি চলে এসেছিলেন। এ নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই শোনা যায় গোটা ঘটনার নেপথ্যে নাকি রয়েছে নাম বিভ্রাট। আসলে ডাকা হয়েছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতা নির্মল ঘোষকে, কিন্তু আসরে দেখা যায় পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ককে। 


কিন্তু এত তরজা, বিতর্কের মধ্যেও বিশেষ মুখ খুলতে চাননি পশ্চিম মেদিনীপুরের নির্মল ঘোষ। তাঁর সাফ কথা, যা বলার রাজ্যের নেতারা বলবেন। তবে তিনি সাধারণ মানুষের স্বার্থে বর্তমান সরকারের পাশে থেকে কাজ করতে চান। আগে দলের অন্দরে তাঁর অবস্থান নিয়ে রীতিমতো আক্ষেপের সুরও শোনা যায় নির্মলের গলায়। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, আগে তৃণমূলে যতদিন ছিলেন ততদিন কোথাও সঠিক সম্মান পাননি। মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করার স্বার্থেই তিনি ঋতব্রত তৃণমূলে যোগদান করেছেন। কিন্তু আগামীতে গিয়ে তাঁকে পদ্ম শিবিরে দেখা যাবে? উত্তর যদিও সময়ের হাতেই ছাড়ছেন নির্মল। বলছেন, “শুভেন্দু অধিকারীর উন্নয়নের সঙ্গে আছি। সরকারি দলের উন্নয়নের সঙ্গে থেকেই মানুষের সেবা করতে চাই।”  



এককালে কংগ্রেসী হিসাবে পরিচিতি ছিল এলাকায়। ছিলেন কংগ্রেসের জেলা সভাপতি। পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। ছিলেন তৃণমূলের জেলা কমিটিতেও। পরবর্তী ক্ষেত্রে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি হন এই নির্মল ঘোষ। তাঁরই শনিবার ডাক পড়েছিল ঋতব্রতদের বৈঠকে। আর সেখানেই নাম বিভ্রাটের জেরে রাতারাতি চলে এলেন প্রচারের আলোয়। যদিও তিনি ছিলেন শনিবারের বৈঠকে। 
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours