MOU হস্তান্তর করা হল। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনকে প্রণাম। ওদের আর্শীবাদেই আমরা ক্ষমতায়। এই অনুষ্ঠান কলকাতাতে হতে পারত। তবে নাড্ডাজি এই অনুষ্ঠান রাজধানীতে করার কথা বলেন। এবং বোঝান রাজধানী দিল্লিতে এই অনুষ্ঠান করার গুরুত্ব। তার জন্য 

আয়ুষ্মান ভারতের কার্ডে নাকি সুবিধা মেলে না', সব 'মিথ' ভেঙে শুভেন্দু ধরে-ধরে বোঝালেন পুরোটা
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী


দিল্লিতে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিমা আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) নিয়ে বক্তব্য রাখলেন। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসানের পর বাংলায় চালু হচ্ছে কেন্দ্রের ‘আয়ুষ্মান যোজনা’। বাংলায় ১ লক্ষ ৪৬ হাজার পরিবার এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এই সুবিধা মিলবে। আজ শুভেন্দু অধিকারী MOU স্বাক্ষর করেন। তারপর একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন দিল্লি থেকে।


আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে এক নজরে সবটা

২৮ হাজার ফুট উচ্চতায় মুখে ঘুষি মেরেছে, এমনকী আমার...', মৃতদেহের টাকা আত্মসাৎ থেকে অরূপের লোকজন আর কী কী করেছেন, হাড়হিম অভিজ্ঞতা বললেন পিয়ালী
শুভেন্দু অধিকারী: বাংলার মানুষকে বলছি ২০১৮ সালে শুরু হওয়া কর্মসূচিতে ব্যক্তিগত কার্ড বিতরণ হয়েছে ৪৪ কোটি। মোট ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত, দেশের ৩৬ হাজার ১৯৩ হাসপাতাল এতে যুক্ত হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতাল আছে ১৬, ৫৫৭। বাংলায় প্রচার আছে, আষুষ্মান ভারতের কার্ডে নাকি সুবিধা পাওয়া যায় না। আমি পশ্চিমবঙ্গে মানুষদের বলছি, মোদীজির নেতৃত্বে ভারত সরকার ১২.১৭ কোটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মানুষকে ১.৮২ লক্ষ কোটি টাকা দিয়েছেন এই কর্মসূচিতে। যেটা থেকে বাংলা বঞ্চিত হয়েছে আট বছর ধরে শুধু রাজনীতির কারণে। এর মধ্যে ৪৯ শতাংশ আয়ুষ্মান কার্ড মহিলাদের জন্যই অনুমোদিত হয়েছিল। হাসপাতালে যাঁরা উপকৃত হয়েছেন তাঁদের মধ্যে ৪৯ শতাংশ মহিলা রয়েছে। তাই ৮ বছর ধরে বাংলার মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন এবার তাঁরাও এই সুবিধা পাবেন।
শুভেন্দু অধিকারী: ৫৭০ কোটি টাকা পশ্চিমবঙ্গে ট্রান্সফার করা হয়েছে। ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার সুবিধা পাবেন। HPV ভ্যাকসিনেশন চালু করার কথা ছিল। তৃণমূল এই ভ্যাকশিন চালু করেনি। আমরা এসেই চালু করেছি। আমাদের আবেদন, ‘৪৬৭ জন ঔষুধি যোজনা’ কেন্দ্রের অনুমতি মিললে গরিব মানুষ উপকারি হবে। এছাড়াও কেন্দ্র স্বাস্থ্যে যা যা উন্নয়ন করছে সেই সুবিধা যাতে বাংলার মানুষ পান সেই আবেদনও করব।
শুভেন্দু অধিকারী: আষুষ্মান শুরু হওয়ার পর ওড়িশা, দিল্লি ও বাংলা-এই তিনটে রাজ্য প্রথমে এর সুবিধা রাজ্যবাসীকে দিতে দেয়নি। তবে জনগণ এই তিন সরকারকেই টাটা বাই-বাই বলে দিয়েছে। এবার ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা বাংলা পাবে।
শুভেন্দু অধিকারী: MOU স্বাক্ষর করা হল। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনকে প্রণাম। ওদের আর্শীবাদেই আমরা ক্ষমতায়। এই অনুষ্ঠান কলকাতাতে হতে পারত। তবে নাড্ডাজি এই অনুষ্ঠান রাজধানীতে করার কথা বলেন। এবং বোঝান রাজধানী দিল্লিতে এই অনুষ্ঠান করার গুরুত্ব।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours