এলাকায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সংযোগকারী রাস্তা ও প্রবেশপথে বসানো হয়েছে নাকা চেকিং পয়েন্ট। সন্দেহভাজন যানবাহন থামিয়ে চলছে কড়া তল্লাশি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই ভাঙড়ের বিভিন্ন এলাকায় বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র মজুত থাকার অভিযোগ উঠেছিল। সেই প্রেক্ষিতেই শওকত মোল্লার গ্রেপ্তারের পর ওই সব অস্ত্র বা বিস্ফোরক অন্যত্র সরিয়ে ফেলার চেষ্টা হতে পারে—এই আশঙ্কা থেকেই প্রশাসন বাড়তি সতর্কতা নিয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু তথ্যের ভিত্তিতেই এলাকায় বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। শুধু দিনে নয়, রাতেও টহলদারি বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহজনক ব্যক্তি ও যানবাহনের উপর নজরদারি আরও কঠোর করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা এবং কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি প্রশাসনের।
এদিকে পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ভাঙড়ের আইএসএফ নেতৃত্ব। তাঁদের বক্তব্য, অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারে প্রশাসনের এই কড়া অবস্থান সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই ধরনের অভিযান প্রয়োজনীয় বলেও মত তাঁদের।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours