গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে সন্দেহের বাতাবরণ। খুনের দিকেই ইঙ্গিত করছেন পরিবারের সদস্যরা। মৃত ছাত্রীর বাবা অনিমেষ কুমার বলছেন, “আমাকে যখন ডেকেছিল আমি তখন হাসপাতালে গিয়ে দেখি ওর হাত অনেকটা কাটা রয়েছে।”


‘মনে হচ্ছে খুন করেছে, স্কুলের কেউ কিছু বলছে না’, কৃষ্ণনগরে ক্লাস ওয়ানের ছাত্রীর মৃত্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ
শোরগোল এলাকায়

প্রথম শ্রেণির ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে চাঞ্চল্য কৃষ্ণনগরে। হস্টেলের শৌচালয় থেকে উদ্ধার ৭ বছরের সঞ্জনা মণ্ডল নামে ওই ছাত্রীর মৃতদেহ। খুন নাকি অন্য কোন ঘটনা, তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কৃষ্ণনগর কুইন্স বালিকা বিদ্যালয়ের এ ঘটনায় স্বভাবতই শুরু হয়েছে চাপানউতোর। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। দেহ উদ্ধারের পর প্রথমে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালে। সেখান থেকে পাঠানো হয় শক্তিনগরের পুলিশ মর্গে।


মৃত ছাত্রীর বাড়ি কৃষ্ণনগর থানার অধীন রুদ্ধদহ সোনাতলা পূর্ব পাড়ায়। শিশুটির মা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। দেখাশোনা করতেন সৎ বাবা। আকস্মিক এ ঘটনায় পরিবারেও শোকের ছায়া। কৃষ্ণনগর কুইন্স বালিকা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা হয় দশম শ্রেণি পর্যন্ত। স্কুলের সঙ্গেই বহুদিন থেকে রয়েছে হস্টেল। আছে অনেক পড়ুয়াই। এই হস্টেলেই ছিল সঞ্জনা। কিন্তু এই ছবি কোনওদিনই দেখা যায়নি স্কুলে। আচমকা এ ঘটনা ঘটায় হতবাক সকলেই। 


টলিউডের পাশাপাশি ময়দানেও দাদাগিরি স্বরূপের! এবার রাজ্য গেমসে আর্থিক তছরূপের অভিযোগ
গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে সন্দেহের বাতাবরণ। খুনের দিকেই ইঙ্গিত করছেন পরিবারের সদস্যরা। মৃত ছাত্রীর বাবা অনিমেষ কুমার বলছেন, “আমাকে যখন ডেকেছিল আমি তখন হাসপাতালে গিয়ে দেখি ওর হাত অনেকটা কাটা রয়েছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাও কিছু বলতে চাননি। আমি স্কুলে যখন মেয়েটাকে দেখতে যাই তখন স্কুল থেকে বলে পুলিশ নিষেধ করেছে, ওর গায়ে হাত দেওয়া যাবে না। ওরা বলছে বাথরুম করতে গিয়ে ও নাকি মুখ থুবড়ে পড়ে গিয়ে মরে যেতে পারে। কিন্তু ওর হাত অনেকটা কাটা দেখে মনে হচ্ছে ওকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। কে করেছে আমরা বুঝতে পারছি না।” যদিও স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা এ বিষয়ে কোনও কথাই বলতে চাননি। তিনি বলছেন, “আমি এ নিয়ে কিছু বলতে পারবো না। পুলিশে কেস হয়েছে। যা বলার পুলিশ বলতে পারবে।” 
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours