দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের সম্পাদক দেবাশিস শ্যামল বলেন, “অনেক পাম্পেই একটা নির্দিষ্ট লিমিটের বেশি তেল মিলছিল না। কিন্তু অত অল্প তেলে তো মৎস্যজীবীদের চলবে না। এখন রাজ্যের ফুড অ্যান্ড সাপ্লাই ডিপার্টমেন্ট বিভিন্ন তেল কোম্পানিগুলির সঙ্গে কথা বলেছে।”
জামাইষষ্ঠীতে ইলিশ নিয়ে বড় সুখবর! মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কেটে গেল বড় বাধা
কেটে গেল কোন জট?
জামাইষষ্ঠীর বাজারে প্রতি বছরের মতো এ বছরও ইলিশের চাহিদা তুঙ্গে। এদিকে মাছ ধরতে চেয়েও তেলের যোগানে ঘাটতি থাকায় চাপে পড়েছিলেন মৎসজীবীরা। মিলছিল না প্রয়োজন মতো ডিজেল। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিতে বাধ্য হন মৎসজীবী সংগঠনের সদস্যরা। শেষ পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর হস্তক্ষেপেই সমস্যার সমাধান। হাসি ফুটল মৎসজীবীদের মুখে।
যুদ্ধের জেরে তেলের আমদানি কমে যাওয়ায় সমস্যা গোটা দেশেই। এরইমধ্যে তেল বিক্রিতে একাধিক পাম্পে রাশ টানা হচ্ছে বলে খবর। এই যেমন পূর্ব মেদিনীপুরেই একাধিক পাম্পে কোথায় একবারে সর্বোচ্চ ২০০০ টাকার ডিজেল, ৫০০ টাকার পেট্রোল মিলছিল। কোথায় আবার ১০০০ টাকার ডিজেল, ২০০টাকার পেট্রোল মিলছিল সধারণ যানের ক্ষেত্রে। এদিকে ট্রলারের ক্ষেত্রে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলে অন্তত ৫ থেকে ৭ হাজার লিটার ডিজেলেরে প্রয়োজন হয়। কিন্তু ২ হাজার লিটারের বেশি ডিজেল মিলছিল না। এতেই চাপে পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হন মৎসজীবীরা। শেষ পর্যন্ত রাজ্যের হস্তক্ষেপে সেই সমস্যার সমাধান হয়ে গেল। দিঘা-সহ রাজ্যের ট্রলার সংগঠন, দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের আবেদনের ভিত্তিতে উঠে গেল ঊর্ধ্বসীমা।
কেন স্বামী প্রবাহর 'নন্দী' পদবি ছাড়ছেন না দেবলীনা?
মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ কে সাধুবাদ জানিয়েছেন মৎস্যজীবী সংগঠনগুলি। দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের সম্পাদক দেবাশিস শ্যামল বলেন, “অনেক পাম্পেই একটা নির্দিষ্ট লিমিটের বেশি তেল মিলছিল না। কিন্তু অত অল্প তেলে তো মৎস্যজীবীদের চলবে না। এখন রাজ্যের ফুড অ্যান্ড সাপ্লাই ডিপার্টমেন্ট বিভিন্ন তেল কোম্পানিগুলির সঙ্গে কথা বলেছে। ট্রলারগুলির ডিজেল পেতে যাতে কোনও সমস্যা না হয় তা দেখতে বলা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের জন্য রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ খুব ইতিবাচক। আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”
প্রতি মাছ ধরার মরশুমে ইলিশের খোঁজে পাড়ি দেয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রায় ৩ হাজারের বেশি মাছ ধরার ট্রলার, লঞ্চ ও যন্ত্র চালিত নৌকো। ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যান পিরিয়ড কাটিয়ে গভীর রাত থেকে ইলিশের খোঁজে সমুদ্র পাড়ি দিচ্ছে মাছ ধরার ট্রলার লঞ্চ সহ নৌকো। সমুদ্রে পাড়ি দেওয়ার আগে চলতি মরশুমে ইলিশ ভাল মিলবে বলে আশাবাদী মৎস্যজীবীরা।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours