কোনও আগাম বার্তা ছাড়াই এদিন হাইকোর্টে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংবাদমাধ্যমের সামনেও মুখ খোলেননি তিনি। সই করে সোজা চলে যান ভিতরে। বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী অশান্তির মামলায় হাইকোর্টে হাজির হয়েছিলেন তিনি।
কুণাল ও দোলাকে সঙ্গে নিয়ে ভরদুপুরে হাইকোর্টে হাজির মমতা
ফের হাইকোর্টে হাজির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার দুপুরে কুণাল ঘোষ ও দোলা সেনকে সঙ্গে নিয়ে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) পৌঁছে যান মমতা। কোনও আগাম বার্তা ছাড়াই তিনি পৌঁছে যান এদিন। গাড়ি থেকে নেমে সোজা চলে যান ভিতরে। সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনও কথা বলেননি তিনি। বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর ভোট পরবর্তী অশান্তির মামলায় সওয়াল করতে হাইকোর্টে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। আর এবার গেলেন ফলাফল নিয়ে মামলা করতে।
জানা গিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করতেই এদিন আদালতে গিয়েছিলেন তিনি। ২০২৬-এ ভবানীপুর কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় ১৫ হাজার ভোটের মার্জিনে পরাজিত হন তিনি। ওই কেন্দ্র থেকেই ১৫,১০৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হন শুভেন্দু অধিকারী। সেই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করেই এদিন মামলা করেছেন। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
২০২১-এ নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে যাওয়ার পরও মামলা করেছিলেন মমতা। সেই মামলার নিষ্পত্তি হয়নি এখনও। আর এবার ফল প্রকাশের পর মমতা বারবার বলেছেন, “আমি হারিনি।” মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফাও দেননি তিনি। এবার সরাসরি মামলা করলেন মমতা।
পুনরায় গণনার নির্দেশ দিতে পারে আদালত
গণনার দিন কোনও কারচুপি হয়েছে বলে মনে হলে, যে কোনও প্রার্থী মামলা করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আদালত প্রথমেই ইভিএম সংরক্ষণের নির্দেশ দিতে পারে। ফল প্রকাশের ৪৫ দিনের মধ্যে পুনরায় গণনার নির্দেশও দিতে পারে আদালত। এই মামলায় কী হয় সেটাই দেখার।
কী ঘটেছিল ভবানীপুরে?
গত ৪ মে, ফল প্রকাশের দিনই ভবানীপুরের গণনা নিয়ে অভিযোগ তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজে পৌঁছে গিয়েছিলেন গণনাকেন্দ্রে। তাঁকে, তাঁর এজেন্টদের গণনাকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। গণনার গতি ইচ্ছাকৃত শ্লথ করে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours