স্বামীহীনা ভাতা (বিধবা ভাতা) যাঁরা পান, তাঁদেরও এদিন বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "যেসব স্বামীহীনা মহিলার বয়স ২৫ থেকে ৬০-র মধ্যে, তাঁরা স্বামীহীনা ভাতা সারেন্ডার করে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন করতে পারেন। স্বামীহীনা ভাতা ১৫০০ টাকা। সেখানে অন্নপূর্ণা যোজনায় ৩০০০ টাকা পাওয়া যায়। ফলে ১৫০০ টাকা বেশি পাবেন।"  


সেপ্টেম্বরে কবে ঢুকবে অন্নপূর্ণার টাকা, তারিখ জানালেন শুভেন্দু
সেপ্টেম্বরে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী?

সেপ্টেম্বরের এক সপ্তাহ কাটল। এই মাসের অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা কবে ঢুকবে প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে? মাসের শুরু থেকেই এই নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়। সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারে বলে আলোচনা চলছিল। অবশেষে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন, সেপ্টেম্বরের কত তারিখ প্রাপক মহিলাদের অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকবে। এই মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন প্রাপক মহিলারা।


কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী?


জন আব্রাহমের সঙ্গে অন্তরঙ্গ দৃশ্য! কেন বিপাশাকে সবাই সতর্ক করেছিলেন?
ভ্যানিশ! এই জামা পরলে, ধরা পড়বেন না সিসিটিভিতেও! কীরকম এই 'ম্যাজিক জামা'?
সোমবার অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ইতিমধ্যে ১ কোটি ৪৮ লক্ষের মতো মহিলা অগস্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন ১৭ সেপ্টেম্বর আমরা সেপ্টেম্বর মাসের টাকা ট্রান্সফার করব। এবং সেইদিন অন্নপূর্ণা দিবস পালিত হবে গোটা রাজ্যে।” অর্থাৎ আরও ১০ দিন পর অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন মহিলারা। অগস্টেও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দেওয়া শুরু হয়েছিল ১৭ অগস্ট। ২০ অগস্ট পর্যন্ত প্রাপক মহিলাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছিল। 


এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে, যোগ্য লোকের কাছে যোগ্য সুবিধা পাইয়ে দেওয়া।” স্বামীহীনা ভাতা (বিধবা ভাতা) যাঁরা পান, তাঁদেরও এদিন বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “যেসব স্বামীহীনা মহিলার বয়স ২৫ থেকে ৬০-র মধ্যে, তাঁরা স্বামীহীনা ভাতা সারেন্ডার করে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন করতে পারেন। স্বামীহীনা ভাতা ১৫০০ টাকা। সেখানে অন্নপূর্ণা যোজনায় ৩০০০ টাকা পাওয়া যায়। ফলে ১৫০০ টাকা বেশি পাবেন।”  

সরকারের আর্থিক অবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমাদের রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থা মোটেও ভালো নয়। বিগত সরকারগুলির অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা না মানা। এবং বিপুল পরিমাণে রাজস্ব হানি হওয়া কিংবা চুরি হয়ে যাওয়া। এবং কেন্দ্রীয় সরকারের নানা কর্মসূচিতে যুক্ত না হওয়ার ফলে আমরা আজকে কার্যত অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া রাজ্যে পরিণত হয়ে গিয়েছিলাম। এখনও বেহাল অবস্থায় আছি। এই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে ন্যূনতম আরও এক বছর লাগবে বলে আমি মনে করি।”


Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours