সম্প্রতি লিলুয়ায় একটি ধর্মীয় সভায় এসেছিলেন মধ্যপ্রদেশের ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী ওরফে বাগেশ্বর বাবা। পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও দিয়েছেন তিনি। কিন্তু গোল বেঁধেছে বাগেশ্বরের একটি মন্তব্যে। দুর্গা পূজায় আমিষ খাওয়ার বিপক্ষে মন্তব্য করেছেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী।

দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্ক নিয়ে এবার বাগেশ্বর বাবার পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, যাঁর গ্রহণ করার কথা সন্তর কথা গ্রহণ করবেন, আর যাঁর করার নয়, করবেন না। তিনি তো কারোর ওপর কিছু চাপিয়ে দেননি।


বিধানসভায় দাঁড়িয়ে ঠিক কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? 


বিপাশার প্রোটিন পাউডারের কৌটোর ভিতর কিলবিল করছে পোকা! তারপর...
বৃহস্পতিবার বিধানসভায় প্রথম থেকেই গেরুয়া শব্দের অপমানের বিরুদ্ধে রীতিমতো কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নাম না করে মধ্যপ্রদেশের সন্ত বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন তিনি। তিনি বলেন, “লিলুয়াতে একজন সন্ত এসেছিলেন, তিনি দেশপ্রেম, রাষ্ট্রবাদ, অখণ্ড ভারতের কথা বলেছেন। তাঁর ঐতিহ্য-সংস্কৃতির কথা তাঁর মতন করে বলেছেন। যাঁর গ্রহণ করার করবেন, যাঁর গ্রহণ করার করবেন না।” তিনি এও বলেন, “তিনি তো কারোর ওপর কিছু চাপিয়ে দিতে চাননি।”


উল্লেখ্য, সম্প্রতি লিলুয়ায় একটি ধর্মীয় সভায় এসেছিলেন মধ্যপ্রদেশের ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী ওরফে বাগেশ্বর বাবা। পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও দিয়েছেন তিনি। কিন্তু গোল বেঁধেছে বাগেশ্বরের একটি মন্তব্যে। দুর্গা পূজায় আমিষ খাওয়ার বিপক্ষে মন্তব্য করেছেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। তাতেই কার্যত বাঙালির আবেগে আঘাত লেগেছে। আবেগের গণ্ডি পেরিয়ে তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতি। প্রতিবাদে ভবানীপুরে বিক্ষোভে সামিল হন কংগ্রেস। কংগ্রেস ও যুব কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকেরা কলকাতার ভবানীপুর থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ান। একইসঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়। এদিন বিধানসভায় সেই প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “আমি কতগুলো লোককে দেখলাম, ভবানীপুরে থানার সামনে ছবি পুড়িয়েছে। আমি এখান থেকে সিপি-কে বলছি, ওই লোকগুলোকে গ্রেফতার করতে হবে। এ রাজ্যে এসব চলবে না। অনেক করেছেন।”

বামেদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ, “অ্যাপিজমেন্টের রাজনীতি করেছেন বলে আপনাদের সংখ্যা এইটুকু হয়েছে, তার মধ্যে চারটে ভাগ। আর আমাদের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে ২৬০। উপনির্বাচনের পর সেটা ৮ কী ৯ হবে, সেটা পরের সেশনে দেখা যাবে।”


Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours