শনিবার বামেদের নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওরা দুর্গা পূজা লিখবে না। মহালয়া শুনবে না। মণ্ডপে প্রবেশ করে আরতি করবে না। হাতে ফুল নিয়ে বাসন্তী রাপচরিতে সর্বশত্রু বিনাশিনী বলবে না।”
আমারও যন্ত্রণার অনুভূতি আছে', নিজের মায়ের অভিজ্ঞতার কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী
শুভেন্দু অধিকারী
গণেশ পূজায় সনাতনী সংস্কৃতির কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দেশভাগের কথা মনে করিয়ে দেন শনিবার। কেষ্টপুরে একটি গণেশ পুজোর উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেখানে বাম ও তৃণমূল জমানাকে নিশানা করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাম ও তৃণমূল আমলে ধর্মীয় সংস্কৃতিকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হয়নি। দেশভাগ ও পশ্চিমবঙ্গের ভারতভুক্তির কথা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
দেশভাগ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বিভীষিকাময় দেশভাগ আমাদের অনেক ক্ষতি করেছে। ওপার বাংলা চিন্ময় প্রভুর চোখের জল, গোটা পৃথিবীর সনাতনীদের হৃদয়ে নাড়া দিয়েছে। আমি সেটা দেখতে দেখতে ভেবেছি, আমাদের যদি শ্যামাপ্রসাদের লড়াইয়ের মাধ্যমে ভারতভুক্তি না হত, তাহলে আমাদের অবস্থায় চিন্ময় প্রভুর মতোই হত।”
বিগত ১০টা দিন আমার ও আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত কঠিন কেটেছে', কী হয়েছে ঋতব্রতর?
এরপরই নিজের মায়ের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, “আমার নিজের জীবনে যন্ত্রণার অনুভূতি আছে। কেবলমাত্র হিন্দু পরিচয়ে আমার মাতৃদেবীকেও ওপার বাংলার বরিশাল থেকে বাবার হাত ধরে এক কাপড়ে পালিয়ে আসতে হয়েছে। আর আমাদেরকে ৩৪ বছরে পঞ্জিকা, শাস্ত্র, আরতি ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
এদিন বামেদের নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওরা দুর্গা পূজা লিখবে না। মহালয়া শুনবে না। মণ্ডপে প্রবেশ করে আরতি করবে না। হাতে ফুল নিয়ে বাসন্তী রাপচরিতে সর্বশত্রু বিনাশিনী বলবে না।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours