L ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, 'গুন্ডা আইন' সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলাগুলি (PIL) আপাতত প্রত্যাহার করা হচ্ছে। কারণ মামলাগুলি সময়ের আগে দায়ের করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিলে এখনও রাষ্ট্রপতির সম্মতি মেলেনি।
রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নেই, তাই আগাম শুনানি সম্ভব নয়', গুণ্ডাদমন বিল নিয়ে মামলা আপাতত খারিজ হাইকোর্টে
কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী
গুণ্ডাদমন বিলকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়নি এই বিল। তাই এই নিরিখে মামলা খারিজ করে দিয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Sarathi Chatterjee) ডিভিশন বেঞ্চ। উল্লেখ্য, গুণ্ডাদমন বিলের সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কালকাতা হাইকোর্ট। সেই মামলা আপাতত শুনল না কলকাতা হাইকোর্ট।
কী জানিয়েছে আদালত?
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ‘গুন্ডা আইন’ সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলাগুলি (PIL) আপাতত প্রত্যাহার করা হচ্ছে। কারণ মামলাগুলি সময়ের আগে দায়ের করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিলে এখনও রাষ্ট্রপতির সম্মতি মেলেনি। তবে বিলটি আইন হিসেবে কার্যকর হওয়ার পর নতুন করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে পারবেন আবেদনকারী। তাই আপাতত মামলা খারিজ করে দেওয়া হচ্ছে।
গুণ্ডাদমন বিল
সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয় এই গুণ্ডাদমন বিল। এই বিল অনুসারে, পুলিশ সুপার বা তাঁর ঊর্ধ্বতন কোনও পুলিশ আধিকারিকের রিপোর্টের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার যদি মনে করে যে কোনও ‘গুন্ডা’-কে আটকের নির্দেশ দিতে পারবে। এক বছর পর্যন্ত এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিলে। আগেই এই বিল নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। আশঙ্কা ছিল, এই আইনের অপব্যবহার হতে পারে। প্রশ্ন ওঠে বিরোধীদের প্রতিবাদ রুখতেই কি এই আইন আনল সরকার? যদিও, রাজ্যের বিজেপি সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যকে গুন্ডামুক্ত করার লক্ষ্যেই এই আইন। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেছিলেন, রাজ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য়ই এই আইন আনা হয়েছে।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours