এই মুহূর্তে আঞ্চলিক দলগুলোর হাতে যে সাংসদ সংখ্যা আছে, তা নেহাত কম নয়। অন্যদিকে, দীর্ঘ ১২ বছর ক্ষমতায় থাকার পর একটা প্রকিষ্ঠান-বিরোধিতা তৈরি হচ্ছে। এই আবহে কোনও শরিক বা সমর্থক দলের উপর ভরসা নয়, সরাসরি বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি করাই লক্ষ্য। জমি ধরে রাখতে তাই কোনও ছুঁতমার্গ রাখতে চায় না বিজেপি।


হাট করে খোলা হচ্ছে দরজা! 'বৃহত্তর স্বার্থে' এবার আরও বড় স্ট্র্যাটেজি বিজেপির
বিজেপির নয়া কৌশল


দরজা খোলা হয়েছে আগেই। দলের অন্দরে কর্মীদের বিক্ষোভের আঁচ দেখা দিলেও, তিন সাংসদকে দলে গ্রহণ করে বিজেপি (BJP)। একদিকে এনসিপিআই-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন জল্পনা তুঙ্গে, সংখ্যালঘু সাংসদরা বিজেপিতে যাবেন কীভাবে, তা নিয়ে যখন তুমুল আলোচনা চলছে, তখন সামনে আসছে বিজেপির আরও বড় কৌশল। আগামিদিনে দরজা হাট করে খোলা হবে? তৃণমূলকে (Trinamool Congress) দুর্বল করতে সব ছুঁতমার্গ ছুড়ে ফেলে দেবে গেরুয়া শিবির? এমন জল্পনাই তৈরি হয়েছে।


কী বিজেপির ‘প্ল্যান বি’?
সুস্মিতা দেব, সুখেন্দু শেখর, প্রকাশ চিক বরাইককে দলে নেওয়ার পর রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছিলেন, ‘এটা ব্যতিক্রমী ঘটনা। কোনও বিচ্যুতি নয়।’ দলে কাউকে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিজেপির নীতি যে আগের মতোই আছে, তা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। নির্বাচনের পর যে ‘ভাল তৃণমূলে’র তত্ত্ব তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল, সেটাই মনে করিয়ে দিয়েছিলেন শমীক। তবে সূত্রের খবর, এবার তৃণমূলের সব স্তর থেকেই বিজেপিতে যোগদানের বহর বাড়বে। জানা যাচ্ছে, এটাই বিজেপির ‘প্ল্যান বি’।


‘রাম’ সলমন, ‘সীতা’ সোনালি বেন্দ্রে! শুটিং হয়েও কেন মুক্তি পেল না বলিউডের আরেক 'রামায়ণ'?
আরও জানা যাচ্ছে যে বিজেপির এই ‘অপারেশনে’ লঞ্চপ্যাড হতে চলেছে ঋতব্রত-তৃণমূল ও এনসিপিআই। সরাসরি বিজেপিতে নেওয়ার ক্ষেত্রে যে আপত্তি দলের অন্দরে তৈরি হয়েছিল, তা একরকম পাশ কাটিয়েই আঞ্চলিক দল তৃণমূলকে আরও দুর্বল করতে চায় বিজেপি।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours