কৃষক পরিবারের একমাত্র মেয়ে। দুই ভাইয়ের একমাত্র বোন ছিলেন ওই নার্স। তাঁর পরিণতিতে ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর থানা ও পটাশপুর দুই ব্লকের সাউথখন্ড গ্রামে ওই নার্সের বাপের বাড়ি। ১০ মাস আগে তাঁর বিয়ে হয়। তবে স্বামীর সঙ্গে দমদমে থাকতেন তিনি। স্নাতকোত্তর পাশ।
ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইট থেকেই বিয়ে, ১০ মাসের বিবাহিত জীবন, শান্ত মেয়ের এমন পরিণতি মানতেই পারছে না নার্সের পরিবার
রাতে খাওয়া দাওয়া সেরে সবাই তখন ঘুমোতে গিয়েছেন। হঠাৎ ফোন আসে। মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে যায় গোটা পরিবারের। আদরের একমাত্র বোন আর নেই। মাত্র ১০ মাস আগে বিয়ে হয়েছিল, এরই মধ্যে কী এমন ঘটল! ভেবে কূল পাচ্ছে না পরিবার। বুধবার রাতে নীলরতন সরকার হাসপাতালের বাথরুম থেকে উদ্ধার হয় নার্সের দেহ। কর্তব্যরত অবস্থায় থাকাকালীন কীভাবে ওই নার্সের মৃত্যু হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
কৃষক পরিবারের একমাত্র মেয়ে। দুই ভাইয়ের একমাত্র বোন ছিলেন ওই নার্স। তাঁর পরিণতিতে ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর থানা ও পটাশপুর দুই ব্লকের সাউথখন্ড গ্রামে ওই নার্সের বাপের বাড়ি। ১০ মাস আগে তাঁর বিয়ে হয়। তবে স্বামীর সঙ্গে দমদমে থাকতেন তিনি। স্নাতকোত্তর পাশ। নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিভাগের এইচডিইউয়ে ডিউটি করছিলেন তিনি। মৃতার বৌদির কথায়, ‘উনি খুব শান্ত মাথার মেয়ে ছিলেন, হুট করে রেগে যেতেন না।’
কৃষ্ণনগরের 'বুড়িমা'র গয়না চুরি! গৌতম গ্রেফতার হতেই চরম উত্তেজনা
মৃতার মেজো বৌদি বলেন, “রাত ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে কলকাতা থেকে একটি ফোন আসে। ফোনটি করেছিলেন আমাদের জামাই, অর্থাৎ ওঁর স্বামী। তিনি জানান, ননদ আর নেই। আমাদের তাড়াতাড়ি সেখানে যেতে বলেন। উনি জানান পুলিশ কেস হয়ে গিয়েছে। খবরটি শুনে আমরা কান্নায় ভেঙে পড়ি। জামাইকে বিস্তারিত কিছু জিজ্ঞাসা করতে পারিনি। ফোনটি কেটে যায়।”
এরপর আবার ফোন যায়। পরের ফোনটি করেন, নার্সের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। তিনিও মৃত্যুর খবর দেন। আধ ঘণ্টা পর আরও একটি ফোন যায়। এবার ফোন করেন নার্সের সহকর্মীরা। তাঁরা জানতে চান, পরিবার কোনও খবর পেয়েছে কি না।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরিবারের আর্জি, এই ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক। সুষ্ঠু বিচার হোক।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ওই নার্সের বিয়ে হয় ২০২৫-এর মার্চ মাসে। ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইট থেকে একে অপরকে পছন্দ করেন তাঁরা। সম্পর্কের পর বিয়েতে মতামত দেন। নার্সের স্বামী দিল্লিতে থাকেন। কলকাতাতেও থাকতেন। তাঁর শ্বশুরবাড়ি দিল্লিতে। শ্বশুর সরকারি চাকরি করতেন, বর্তমানে প্রয়াত।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours