মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, "ছুটির দিন একজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে রাজনীতি করতে গিয়েছেন, পুলিশকে না জানিয়ে। পুলিশ এতো বড় ব্যবস্থা করেছে দেখলাম, যেটা ওনার পাওয়ার কথা নয়। উনি এখন সেই ক্যাটাগরিতে পড়েন কিনা সন্দেহ রয়েছে। আমাদের নির্দেশ রয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, বয়সও হয়েছে, যতটা সম্ভব পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া ও সম্মান রাখা।"
মমতার গাড়িতে কাদা, শুভেন্দু বললেন, 'কাদা মাখাবে না কি ফুল ছুড়বে?'
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী
হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ির সামনে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। আর যাওয়ার পথেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হল কাদা ও জুতো। মমতাকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। এবার পানিহাটিতে এসে তা নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বললেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থাপনা করেছিল। কিন্তু জনরোষের শিকার হয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি টিভির ছবিতে যতটুকু দেখেছি, সিনিয়র পুলিশ ডিসি-র নেতৃত্বে পুলিশ টিম তাঁকে সঠিকভাবে সাপোর্ট দিয়েছে। আমি বিজেপির কোনও পরিচিত মুখও দেখিনি, ঝান্ডাও দেখিনি।” মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বাড়ির লোক বলছেন তাঁরা ডাকেননি, তাঁরা চাননি মমতা যুক্ত হোন। তাঁর কথায়, “উনি জোর করে বলতে চাইছেন, লক আপে মেরে দিয়েছে, বিজেপি মেরে দিয়েছে। আর বাড়ির লোক বলছে, পুলিশের ভূমিকায় সন্তুষ্ট। রহস্য উদঘাটন হোক, সেটাই চায় পরিবার। কিন্তু সেক্ষেত্রে পরিবার বলছে, পুলিশ-প্রশাসনই বিচার দিতে পারবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিচার দিতে পারবে না। ”
এক একটার দামই ৩০ থেকে ৬০ হাজার! এয়ারপোর্টে সাদা থার্মোকলের বাক্স খুলতেই বেরিয়ে এল ৫৫০ 'সাপের মাথা'... কয়েক কোটির পার্সেল কোথায় যাচ্ছিল?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, “ছুটির দিন একজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে রাজনীতি করতে গিয়েছেন, পুলিশকে না জানিয়ে। পুলিশ এতো বড় ব্যবস্থা করেছে দেখলাম, যেটা ওনার পাওয়ার কথা নয়। উনি এখন সেই ক্যাটাগরিতে পড়েন কিনা সন্দেহ রয়েছে। আমাদের নির্দেশ রয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, বয়সও হয়েছে, যতটা সম্ভব পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া ও সম্মান রাখা।” তাঁর পরামর্শ, “আপনার কাছ থেকে যদি কেউ সাহায্য চায়, নিশ্চয়ই করুন। কিন্তু আপনি অহেতুক কোনও জায়গায় গিয়ে এমন কিছু করবেন না, যাতে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়।”
প্রসঙ্গত, হালিশহর থানার হেফাজতে থাকা অবস্থায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তিনি তৃণমূল কর্মী। রবিবার ছুটির দিনে তাঁর বাড়িতেই যাচ্ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাস্তায় তাঁর গাড়ির সামনে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। আর যাওয়ার পথেই মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হল কাদা ও জুতো।
মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ, তিলোত্তমার বাড়ি যেতে পারতেন মমতা। হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ারও পরামর্শ দিলেন। আর সে প্রসঙ্গেই বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “একটা স্টেট হাসপাতালের ভিতরে মেরেছিলেন তিলোত্তমাকে, প্রমাণ লোপাট করতে গিয়েছিলেন, ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে কিনতে গিয়েছিলেন, সেদিন আপনার গাড়িতে কাদা মাখাবে না কি ফুল ছুড়বে?”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours