রবিবারে পানিহাটিতে আয়োজিত একটি স্মরণসভায় তিনি ঘোষণা করেন, স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তি সম্পর্ক দূরে রেখে এই বর্বরোচিত ঘটনায় জড়িতদের কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি, অভয়ার তড়িঘড়ি দেহ সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভূমিকা, তথা পানিহাটির তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা, পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের সিপির তদন্ত প্রক্রিয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।


দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে তিলোত্তমা মামলায় পুনর্তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
পানিহাটিতে শুভেন্দু অধিকারী

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের ২ বছর পূর্তি। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পানিহাটিতে গিয়ে তিলোত্তমার মৃত্য়ু-রহস্য উদঘাটনে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। শুভেন্দু বলেন, “লম্বা ২ বছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিতভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে।”


রবিবারে পানিহাটিতে আয়োজিত একটি স্মরণসভায় তিনি ঘোষণা করেন, স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তি সম্পর্ক দূরে রেখে এই বর্বরোচিত ঘটনায় জড়িতদের কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি, অভয়ার তড়িঘড়ি দেহ সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভূমিকা, তথা পানিহাটির তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা, পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের সিপির তদন্ত প্রক্রিয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।


মমতার গাড়িতে পড়ল পাথর, জুতো, উঠল চোর স্লোগান , দেখুন...
২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি করের সেমিনার রুম থেকে উদ্ধার হয় তরুণী চিকিৎসকের দেহ। ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়র সঞ্জয় রায় গ্রেফতার হয় এবং হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার নেওয়া সিবিআই তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া পর্যন্ত পৌঁছয়। তবে নির্যাতিতার পরিবারের দাবি ছিল, এই ঘটনায় আরও অনেকেই যুক্ত রয়েছে।


ক্ষমতার পালাবদলের পর শুভেন্দু প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে নতুন আশার আলো হিসাবে দেখছেন তিলোত্তমার মা-বাবা। “২ বছর আগে এই দিনটার কথা আমাদের সকলের মধ্য়ে জাগ্রত হলে বা স্মরণ করলে বিচলিত হই। আমাদের হৃদয় ব্যথাতুর হয়ে পড়ে। চোখ থেকে জল পড়তে শুরু করে। কোনও সভ্য সমাজে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটতে পারে, একটা সুরক্ষিত জায়গায় সভ্য ভারতবর্ষে কেউ ভাবতে পারিনি।” তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়ে নবান্ন অভিযান নিয়েও মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “রাখিপূর্ণিমায় অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযান ছিল সেই সময় আমাদের ‘দিদি’, ডাক্তার বোনের মায়ের মাথায় পুলিশের লাঠি, এত বড় ফোলা আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। কী ভয়ংকর অত্যাচারী শাসকের হাতে ছিল বাংলা। ভর্তি করাতে দেয়নি। হাসপাতালের এমার্জেন্সিতে ফেলে রেখেছিল। আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামিদিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে।”
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours