তসলিমা নাসরিন বলেন, "অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে ৪০ বছর ধরে লড়াই করছি। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তানে এই আইন আনা খুব জরুরি। নারীদের বঞ্চনা, বৈষম্যের শিকার। তাদের সমান অধিকার দিতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি দরকার।"
বাংলাদেশেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চাইলেন তসলিমা, করলেন ইউনূসের পর্দাফাঁস!
কলকাতায় তসলিমা নাসরিন।
এই শহর একদিন ছাড়তে হয়েছিল। আজ ১৯ বছর পর ফের কলকাতায় তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)। এই শহর তাঁকে হাসিমুখে স্বাগত জানিয়েছে। এই শহরে ফিরে তসলিমা ফের একবার বাক স্বাধীনতার কথা বলেছেন। তবে শুধু বাক স্বাধীনতা নয়, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি থেকে শুরু করে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক, একাধিক বিষয়েই নিজের মতামত রাখলেন লেখিকা। রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনার উদ্যোগের কথা শুনে বললেন বাংলাদেশেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি দরকার।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তসলিমা নাসরিন বলেন, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে ৪০ বছর ধরে লড়াই করছি। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তানে এই আইন আনা খুব জরুরি। নারীদের বঞ্চনা, বৈষম্যের শিকার। তাদের সমান অধিকার দিতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি দরকার।”
তসলিমা আরও বলেন, “সভ্যতার প্রথম শব্দ সমানাধিকার। এখানে মুসলিম মেয়েরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। বাংলাদেশে হিন্দু মেয়েদের কোনও অধিকার নেই। ওখানে হিন্দু মেয়েরা পিতার সম্পত্তির অধিকারী হতে পারে না। হিন্দু পুরুষরা বহু বিবাহ করতে পারে। ভারতে হিন্দু অ্যাক্ট ১৯৫৬ আছে, বাংলাদেশে নেই। বাংলাদেশে মুসলিম মেয়েরা বৈষম্যের শিকার। হিন্দু মেয়েদের স্বাধীনতা, অধিকার পেতে হলে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি দরকার।”
“বাংলাদেশে মুসলিম মেয়েরা নির্যাতনের শিকার, হিন্দুরা বৈষম্যের শিকার। বর্তমান সময়ে খুব একটা পার্থক্য নেই, হিন্দুরা আগেও অত্য়াচারিত হয়েছে, এখনও হচ্ছে। হাসিনার সময়ে যে হয়নি তা নয়, তবে হাসিনা থেকে ইউনূসের সময় বেশি অত্যাচারিত হয়েছে। হিন্দু বিদ্বেষী মানসিকতা তৈরি হয়েছে, মাদ্রাজায় বিদ্বেষ শেখানো হচ্ছে। এর জন্য শিক্ষা দরকার, সবার নাগরিক অধিকার থাকা দরকার, সরকারের তরফে যদি শিক্ষা দেওয়া হত, তাহলে এমনটা হত না।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours