সূত্রের খবর, গত ৪ মে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কোনও অভিযোগ উঠলে, রাজ্য বিজেপি নিয়মিত শোকজ করছে নেতাদের। কড়া পদক্ষেপ করছেন। তোলাবাজির অভিযোগে ২২ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে ২৫০ জনকে।
বিজেপিতে তোলাবাজির অভিযোগে সাসপেন্ড ২২ নেতা! শোকজ করা হল ২৫০ জনকে
ফাইল চিত্র।
তৃণমূলের রোগ ছড়িয়ে গিয়েছে বিজেপি(BJP)-তেও? তোলাবাজির অভিযোগ বিজেপির নেতাদের বিরুদ্ধেও। কিন্তু বিজেপি দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সেই নীতি অনুসরণ করেই এবার তোলাবাজির অভিযোগে বিজেপি থেকে সাসপেন্ড করা হল ২২ জন নেতাকে। অন্তত ২৫০ জনকে শোকজ করেছে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি।
কতজনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বা শোকজ করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও সঠিক সংখ্যাটি এখনই প্রকাশ করা হবে না বলে জানিয়েছেন। তবে সূত্রের খবর, গত ৪ মে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কোনও অভিযোগ উঠলে, রাজ্য বিজেপি নিয়মিত শোকজ করছে নেতাদের। কড়া পদক্ষেপ করছেন। তোলাবাজির অভিযোগে ২২ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে ২৫০ জনকে।
প্রতি মাসে কোন তারিখে অন্নপূর্ণার টাকা ঢুকবে, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
তোলাবাজির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে বিজেপি। তবে এখনও বেশ কিছু জায়গা থেকে তোলাবাজির অভিযোগ আসছে এবং তা রাজ্য নেতৃত্বের মাথাব্যথার কারণও হয়ে উঠছে। যদিও তাদের বক্তব্য, বিগত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেস যে সংস্কৃতি তৈরি করেছে এই রাজ্যে, তারই বহমানতার শিকার এই রাজ্যের বর্তমান শাসক দলের একাংশ। তবে বর্তমান রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই তোলাবাজি রুখতে অতি সতর্ক। বারংবার তারা নেতা-দলীয় কর্মীদের সতর্ক করছেন।
সূত্রের খবর, শুধু দলের নীচু স্তরের কর্মীদের মধ্যেই এই অবক্ষয় দেখা যাচ্ছে, তা নয়। বিধায়কদের নিয়েও মাথাব্যথা তৈরি হচ্ছে। এই নিয়ে দিলীপ ঘোষও বলেছেন যে আমাদের কিছু বিধায়ক ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন! আবার শমীক ভট্টাচার্য বলেছিলেন যে তোলাবাজি বন্ধ করবেন। তিনি বলেছেন, “বিচ্যুতি আছে, তবে বিজেপির তৃণমূলীকরণ হতে দেবেন না।”
তবে এই সাসপেনশন বা শোকজ কতটা কার্যকরী হচ্ছে, তা বুঝতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours