তাঁদের একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে শহিদদের পরিবারগুলি থাকবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে ফিরহাদ বলেন, "আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আশা করি, সবাই আসবেন। সেদিন আমরা যারা শহিদ হতে পারতাম, তাদের বেশিরভাগ মানুষই ওইদিন এখানে থাকব। যতদিন বেঁচে থাকব, একুশে জুলাই শহিদ তর্পণ করে যাব।"
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মিস করবেন? প্রশ্ন শুনেই দুটো শব্দ বললেন ফিরহাদ
কী বললেন ফিরহাদ হাকিম?
তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গী। প্রতি বছর একুশে জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবসের মঞ্চে মমতার আশপাশে দেখা যেত তাঁকে। যেত, কারণ এবার আর দু’জনকে একুশে জুলাইয়ের এক মঞ্চে দেখা যাবে না। মমতা থাকবেন বিড়লা তারামণ্ডলের মঞ্চে। আর তিনি থাকবেন গান্ধী মূর্তির সামনে মঞ্চে। মমতাকে কি একুশের জুলাইয়ের মঞ্চে মিস করবেন? রবিবার গান্ধী মূর্তির সামনে মঞ্চ পরিদর্শনে এসে এই প্রশ্নের মুখে পড়লেন ফিরহাদ হাকিম। সরাসরি অবশ্য উত্তর দিলেন না কলকাতা বন্দরের বিধায়ক ফিরহাদ। শুধু দুটি শব্দ বললেন।
কী বললেন ফিরহাদ হাকিম?
'সমকামী সম্পর্ক সমাজের কী ভালো করছে?', বিস্ফোরক অনুরাধা পাড়োয়াল
ঋতব্রত শিবিরের চেয়ারম্যান অরূপ রায়ের সঙ্গে এদিন একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে গান্ধী মূর্তির সামনে এসেছিলেন ফিরহাদ। সেখানেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের কথা তুলে ধরেন তিনি। ওইদিন যুব কংগ্রেসের ১৩ জন শহিদ হয়েছিলেন। তিনিও শহিদ হতে পারতেন জানিয়ে ফিরহাদ বলেন, “আর একটু এগিয়ে গেলে স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে। ওখানে আমিও হয়তো গুলি খেতে পারতাম। কেউ একজন ধাক্কা গিয়ে ভিতরে ঢুকিয়ে দেয়। আমার সামনে ২ জন পড়ে যান। আমাদের মিছিলটা মদনদার নেতৃত্বে এসেছিল।”
তাঁদের একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে শহিদদের পরিবারগুলি থাকবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে ফিরহাদ বলেন, “আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আশা করি, সবাই আসবেন। সেদিন আমরা যারা শহিদ হতে পারতাম, তাদের বেশিরভাগ মানুষই ওইদিন এখানে থাকব। যতদিন বেঁচে থাকব, একুশে জুলাই শহিদ তর্পণ করে যাব। একুশে জুলাই শহিদ পরিবাররা থাকবে, যারা শহিদদের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই করেছে, তারা থাকবে।”
একুশে জুলাইয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে মমতার নাম। কিন্তু, এবার তাঁর সঙ্গে একমঞ্চে দেখা যাবে না ফিরহাদকে। কলকাতা বন্দরের বিধায়ককে প্রশ্ন করা হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মিস করবেন এবার? প্রশ্ন শুনেই শুধু দুটো শব্দ বললেন। ‘মিটিংয়ে বলব।’ তারপরই মুখ ঘুরিয়ে চলে যান ফিরহাদ।
অন্যদিকে অরূপ রায় বলেন, “আমাদের একুশের জুলাইয়ের মঞ্চে সব শহিদ পরিবার আসবে। শহিদ পরিবারের লোকজনদের সামনের সারিতে বসানো হবে। তারপর নেতৃত্ব বসবে। আমরা কতটা বিজেপি বিরোধী, সেটা বক্তব্যের মাধ্যমে এবং কাজের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেব।” মমতার ছবি তাঁদের মঞ্চে থাকবে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে অরূপ বলেন, “মহাত্মা গান্ধীর ছবি রয়েছে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি রয়েছে, নজরুল ইসলাম এবং বাবাসাহেব আম্বেদকরের ছবি রয়েছে। এই চারজনের ছবি রেখেছি আমরা।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours