যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ, কেন ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পেরনোর পর বারুইপুর গেলেন, সেই প্রশ্ন ওঠে এদিন। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান সাধারণ মানুষ। এমনকী নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেও বাধার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। বেরিয়ে শুনতে হয় 'গদ্দার' স্লোগান। তবে, সায়নী চান, এই ঘটনায় অভিযুক্তদের যাতে সমূলে উৎপাটন করা হয়।
তৃণমূল সরকারের আমলে কী করত পুলিশ, বলে দিলেন সায়নী
সায়নী ঘোষ
পুরনো সাজে, নতুন ভূমিকায় দেখা গেল সায়নী ঘোষকে। তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হওয়া সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh) এখন শাসক জোট এনডিএ-র সমর্থক। বিরোধী তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করে এনসিপিআই-এর সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। মঙ্গলবার বারুইপুরে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন তিনি। আগের মতোই সাদা-নীল পাড় শাড়ি, টিপ পরে দেখা গেল সায়নীকে। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই পূর্বতন সরকারের আমলের পুলিশস সম্পর্কে মন্তব্য করলেন সায়নী।
যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ, কেন ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পেরনোর পর বারুইপুর গেলেন, সেই প্রশ্ন ওঠে এদিন। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান সাধারণ মানুষ। এমনকী নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেও বাধার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। বেরিয়ে শুনতে হয় ‘গদ্দার’ স্লোগান। তবে, সায়নী চান, এই ঘটনায় অভিযুক্তদের যাতে সমূলে উৎপাটন করা হয়।
ক্যান্সারে মৃত্যু স্বামীর, শ্রাদ্ধের কাজ শেষ হতে না হতেই... ভয়ঙ্কর অভিযোগ স্ত্রীর!
সায়নী বলেন, “দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। শুধুমাত্র এই একটা ঘটনা নয়, যদি এর পিছনে কোনও বৃহত্তর নেক্সাস থাকে, তাহলে তা নিয়েও ব্যবস্থা নিতে হবে।” সাংসদের দাবি, পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাঁর মনে হয়েছে, এর পিছনে কোনও বড় চক্র আছে।
এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে বলে উল্লেখ করে সায়নী ঘোষ বলেন, “এমন অনেক সময় হয়েছে যে পুকুরে হার-চুড়ি পাওয়া যাচ্ছে, কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু আগের সরকারের আমলে পুলিশের মধ্যে একটা অনীহ ছিল।” সায়নীর দাবি, এবার আর কোনও অনীহা না দেখিয়ে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সাংসদ হিসেবে চিঠি দেবেন বলে জানিয়েছেন সায়নী। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই বিষয়ে কথাও বলবেন। মুখ্যমন্ত্রীকে ‘সেন্সিবল’ বলে প্রশংসা করেন সায়নী। তিনি আরও বলেন, “আমরা এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন কোনও কথা শুনিনি, যাতে সন্দেহ হয়।” পুলিশ ও প্রশাসন যথেষ্ট তৎপর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours