কমিশন সূত্রে খবর পশ্চিমবঙ্গই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল জ্ঞানেশ কুমারের কাছে। প্রথম দফা নির্বাচন উতরে গেলেও ২৯ এপ্রিলের নির্বাচন নিয়ে তাঁর টেনশন কিছু কম ছিল না। একটাও হিংসার ঘটনা না ঘটিয়ে কি নির্বাচন সম্ভব? বারবার ভেবেছেন সে কথা।


 সেদিন জ্ঞানেশ কুমারের চোখে জল এসে গিয়েছিল, বাংলার ভোটের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল
জ্ঞানেশ কুমার

সম্প্রতি একসঙ্গে পাঁচ রাজ্যের ভোট হলেও, গোটা দেশের নজর ছিল পশ্চিমবঙ্গের দিকে। বিশেষত, বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজ্যের পূর্বতন সরকারের যে সংঘাত তৈরি হয়েছিল, তা নজিরবিহীন। একের পর এক সভা থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ভোট শেষ হয়েছে, রাজ্যে নতুন সরকার গঠন হয়েছে। তবে বাংলার ভোট নিয়ে মুখ খোলেননি জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)।


রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে যাঁকে সবচেয়ে বেশি আক্রমণ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পালাবদলের পর বাংলার জন্য একটাও শব্দ খরচ করেননি সেই জ্ঞানেশ কুমার। মুখে শব্দ খরচ না করলেও কেমন অভিজ্ঞতা ছিল জ্ঞানেশ কুমারের?


কমিশন সূত্রে খবর পশ্চিমবঙ্গই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল জ্ঞানেশ কুমারের কাছে। প্রথম দফা নির্বাচন উতরে গেলেও ২৯ এপ্রিলের নির্বাচন নিয়ে তাঁর টেনশন কিছু কম ছিল না। একটাও হিংসার ঘটনা না ঘটিয়ে কি নির্বাচন সম্ভব? বারবার ভেবেছেন সে কথা।


সম্প্রতি দিল্লিতে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে কিছু না বললেও, জ্ঞানেশ কুমার ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যের পর রক্তপাত শূন্য নির্বাচন আর ৯৩ শতাংশের বেশি ভোটের খবরে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিল কমিশিন।

সংবাদমাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ভোটের সেই ছবি দেখে সেদিন তাঁর চোখে জল এসে গিয়েছিল। জ্ঞানেশ কুমারের কথায় যাবতীয় সমালোচনা তখন ‘ভ্যানিশ’। মনে মনে ভেবেছিলেন, শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর বার্তাই সমালোচকদের জন্য সবচেয়ে বড় উত্তর। বাকি কথার উত্তর ভোটাররাই দেবেন বলে বিশ্বাস ছিল তাঁর।

উল্লেখ্য, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেসে কে আসল, কে নকল, সেই উত্তরের জন্য জ্ঞানেশ কুমারের দিকেই তাকিয়ে আছে রাজনৈতিক মহল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়- দুই শিবিরই নিজেদর যুক্তি জমা দিয়েছে।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours