বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরই শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই সংশোধনী বিলে অনুমোদন দেওয়া হয়। সোমবার সংসদে এই সংশোধনী বিল পেশ করা হবে। নতুন বিল অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে তদন্ত।

কলকাতাও পেল বিশেষ গুরুত্ব, নিট নিয়ে ছাত্রদের আন্দোলনের পরই কেন্দ্রের বড় সিদ্ধান্ত
কলকাতা হাইকোর্ট


ছাত্র-আন্দোলনকারীদের কথা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই কথা মতোই রাতারাতি ফাস্ট ট্রাক কোর্ট গঠন করা হচ্ছে। কোনও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আরও কড়া আইন আনছে কেন্দ্রীয় সরকার। এবার প্রশ্ন ফাঁস করলেই ১০ বছরের জেল হবে। সঙ্গে ১০ কোটি টাকা জরিমানাও।


কী থাকছে দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট ২০২৪-র এর সংশোধনী বিলে?
বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরই শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এই সংশোধনী বিলে অনুমোদন দেওয়া হয়। সোমবার সংসদে এই সংশোধনী বিল পেশ করা হবে। নতুন বিল অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে তদন্ত। পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে কেসের ট্রায়াল। পাঁচ মাস সুনির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শেষ করতে হবে প্রক্রিয়া।


মুম্বইয়ের রাস্তায় পুলিশের গাড়ি আটকে শিরোনামে রিয়া আহির, জানেন কে এই তরুণী?
নতুন সংশোধনী বিলে বলা হয়েছে যে প্রশ্নপত্র ফাঁসে অভিযুক্তদের ১০ বছরের জেল হবে। পাশাপাশি ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। তবে এই জেলের মেয়াদ এবং জরিমানা একক ব্যক্তি এবং সঙ্ঘবদ্ধ অন্যায়ের ক্ষেত্রে আলাদা রকম হবে কি না, সে বিষয়ে প্রস্তাবিত বিলে কোনও উল্লেখ নেই।


২০২৪ সালে পাস হওয়া বিলের ১০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র ফাঁসে অভিযুক্ত একক ব্যক্তির ক্ষেত্রে তিন থেকে পাঁচ বছরের জেল এবং ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানার সংস্থান আছে।

বিলের ১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র ফাঁসে সঙ্ঘবদ্ধ চক্রান্তের প্রমাণ মিললে পাঁচ থেকে দশ বছরের জেল এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার সংস্থান আছে।

জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরই মুম্বই, কলকাতা, দিল্লি এবং মধ্য প্রদেশ হাইকোর্টে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলার শুনানির জন্য ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট (Fast Track Court) গঠন করা হচ্ছে।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours