আগামী ২১ জুলাই থেকে সংসদে বাদল অধিবেশন শুরু। সেই সময় আর একটি তৃণমূল অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের আটজন যখন এসে লোকসভায় বসবে, তখন স্পিকারের কাছে জানানোর সুযোগ থাকবে যে কাকলি-সুদীপের শিবির দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য নিয়ে আলাদা ব্লকে বসছে।

বাংলার উন্নয়নে' তৈরি WhatsApp Group! কাকলি-সুদীপদের থেকেও আলাদা হচ্ছে ঋতব্রত শিবির?
তৃণমূলের বিদ্রোহী দুই শিবিরের আলাদা অবস্থান?

 দুই টুকরো নয়, তিন টুকরো হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)? বিদ্রোহী তৃণমূলের ২০ সাংসদ রবিবারই মিশে গিয়েছেন ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়ায় (NCPI)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদদের থেকে আলাদা বসবেন এই ২০ জন সাংসদ। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের এনডিএ (NDA) সরকারকে সমর্থনের ঘোষণাও করেছেন বিদ্রোহী সাংসদদের নেতৃত্বে থাকা সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদার। তবে রাজ্যে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) নেতৃত্বে যে বিক্ষুব্ধ বিধায়করা আছেন, তারা কোথায় যাবেন?


গতকালই বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের সম্ভাব্য দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, পৃথক দল গঠন হলেও প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি থেকে সরবে না বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। দলত্যাগ বিরোধী আইন এড়াতে আপাতত এনসিপিআই-র (NCPI) সঙ্গে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত।



জানা গিয়েছে, সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হলে প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচয় আদায়ের তৎপরতা শুরু করবে এনসিপিআই। যদিও মূল যুদ্ধ শুরু হবে আদালতেই। আগামী ২১ জুলাই থেকে সংসদে বাদল অধিবেশন শুরু। সেই সময় আর একটি তৃণমূল অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের আটজন যখন এসে লোকসভায় বসবে, তখন স্পিকারের কাছে জানানোর সুযোগ থাকবে যে কাকলি-সুদীপের শিবির দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য নিয়ে আলাদা ব্লকে বসছে। গোটা বিষয়টি তখন আদালতের কাছে চলে যাবে।


তবে এই বিক্ষুব্ধ তৃণমূল বা এনসিপিআই কিন্তু ঋতব্রতর পরিষদীয় দলের থেকে ভিন্ন পথে চলবে। রাজ্য বিধানসভায় দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের ৮০ বিধায়কের মধ্যে ৬০-র বিধায়ক ঋতব্রতর সমর্থনে রয়েছে। ঋতব্রতর দাবি, তারাই মূল বিরোধী দল। গঠনমূলক বিরোধিতাই লক্ষ্য তাদের। অর্থাৎ রাজ্যে বিজেপি সরকারের সমর্থনে নয়, আলাদা তৃণমূল হিসাবে কাজ করবেন। প্রয়োজন পড়লে তখনই কেবল বিজেপি সরকারের করবেন তারা।

আর সেখানেই এনসিপিআই-এর লক্ষ্য, সংসদে বিজেপিকে সমর্থন করা। তাদের কথায়, বাংলার উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করতে চান তারা। সেই জন্য এনডিএ-কে সমর্থন জানাবেন।

সূত্রের খবর, সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ ২০ সাংসদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। গ্রুপের নাম দেওয়া হয়েছে ডেভেলপমেন্ট অব বেঙ্গল (Development of Bengal)। পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি সরকারের সঙ্গে প্রতিমুহূর্তে যোগাযোগ এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা রেখে চলবে নতুন দল, এমনটাই খবর।
Share To:
Next
This is the most recent post.
Previous
Older Post

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours