কুণাল জানান, বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতার চেয়ার নির্দিষ্ট থাকে। এদিন বিরোধী দলনেতার জন্য নির্দিষ্ট থাকা চেয়ারে শোভনদেবকে বসতে দেওয়া হয়। ঋতব্রত কিছুটা দূরে বসেছিলেন বলে দাবি করেছেন কুণাল। তিনি সাফ জানিয়েছেন, ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মানবেন না তাঁরা।
বিরোধী দলনেতার চেয়ার রাখা ছিল শোভনদেবের জন্যই, সম্মান দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী: কুণাল
শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়
সদর্থক আলোচনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে বৈঠক করে বেরিয়ে এমনটাই বললেন কুণাল ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে যথাযথ সম্মান দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতার চেয়ারও শোভনদেবের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ছিল নির্বাচনের পর বিধানসভার প্রথম অধিবেশন। এদিন রাজ্যপালের ভাষণের পর শুভেন্দুর ঘরে গিয়ে দেখা করেন তৃণমূলের পাঁচ বিধায়ক। ছিলেন কুণাল ঘোষ, মদন মিত্র, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, আলিফা আহমেদ, অশোক দেব। এরা প্রত্যেকেই কালীঘাট শিবিরের বিধায়ক। এদিন বেশ কিছু দাবি নিয়ে শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা।
এই ডিম খেতে মিষ্টি, সঙ্গে আরও কত গুণ! ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন দোকানদার
৯২ বছর বয়সেও যৌনতার ইচ্ছাপ্রকাশ অভিনেত্রীর, নেপথ্যে ছিল কোন কারণ?
এদিন বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে কুণাল ঘোষ বলেন, “আমাদের গ্যারাজে দাঁড়াতে হয়নি, হামাগুড়ি দিয়ে স্পিকারের ঘরে ঢুকতে হয়নি। এক মিনিটও দাঁড়াতে হয়নি। মাথা উঁচু করে ঢুকেছি মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে।” নতুন সরকারকে সময় দিতে চাই বলেও মন্তব্য করেন কুণাল ঘোষ।
কুণাল জানান, বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতার চেয়ার নির্দিষ্ট থাকে। এদিন বিরোধী দলনেতার জন্য নির্দিষ্ট থাকা চেয়ারে শোভনদেবকে বসতে দেওয়া হয়। ঋতব্রত কিছুটা দূরে বসেছিলেন বলে দাবি করেছেন কুণাল। তিনি সাফ জানিয়েছেন, ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মানবেন না তাঁরা। বিরোধী হিসেব যাতে সময় দেওয়া হয়, সেই দাবিও জানিয়ে এসেছেন কুণাল। শুভেন্দুর দিক থেকে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours