শিবসেনা (ইউবিটি)-র সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দেশমুখ, ওমরাজ নিম্বলকর, ভাউসাহেব ওয়াকচুরে, নাগেশ পাটিল ও সঞ্জয় দিনা পাটিল দিল্লিতে চলে গিয়েছিলেন। সেখানে তারা মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে ও তাঁর ছেলে শ্রীকান্তের সঙ্গে দেখা করেন।
শিন্ডের মাস্টারপ্ল্যানেই মাত! আজই উদ্ধবের শিবসেনা ভেঙে বেরিয়ে যাবে সাংসদরা?
ফাইল চিত্র।
আর কোনও জল্পনা বা গুঞ্জন নয়। আজই ফের ভেঙে দুই খণ্ড হবে উদ্ধবের শিবসেনা। সূত্রের খবর, আজ, রবিবার (২১ জুন) শিবসেনা (ইউবিটি) (Shiv Sena UBT)-র ৬ বিক্ষুব্ধ সাংসদ দল থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা করতে পারে। এরপরে উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) শিবসেনার হাতে মাত্র দুইজন লোকসভার সাংসদ পড়ে থাকবে।
বিগত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে মহারাষ্ট্র উত্তাল শিবসেনার অন্দরে ভাঙনের খবরে। ২০২৩ সালে ভেঙে দুই ভাগ হয়ে গিয়েছিল শিবসেনা। তৈরি হয়েছিল শিবসেনা ও শিবসেনা (ইউবিটি)। আসল শিবসেনার নেতৃত্বে রয়েছেন একনাথ শিন্ডে আর শিবসেনা(ইউবিটি)-র নেতৃত্বে উদ্ধব ঠাকরে। এখন আবার ভাঙন ধরেছে শিবসেনা (ইউবিটি)-তে। উদ্ধব ঠাকরের দল ছেড়ে একনাথ শিন্ডের দলে নাম লেখাতে চাইছেন ছয়জন বিদ্রোহী সাংসদ।
কাঠগড়ায় মাস্টারমশাই, তাঁর বিরুদ্ধে মামলার প্রেক্ষাপট শুনেই ভরা এজলাসে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন খোদ বিচারক, করলেন দুঃখপ্রকাশও! কী অপরাধ স্যরের?
সূত্রের খবর, আজই শিবসেনার বিদ্রোহী সাংসদরা দল থেকে আলাদা হওয়ার কথা ঘোষণা করতে পারেন। তারা আজ সাংবাদিক বৈঠক করবেন। সেখানে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে তাদের সাক্ষাতের ছবি ও ভিডিয়ো রিলিজ করবেন। ওই বৈঠকেই তারা তুলে ধরবেন যে কেন উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন।
শিবসেনা (ইউবিটি)-র সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দেশমুখ, ওমরাজ নিম্বলকর, ভাউসাহেব ওয়াকচুরে, নাগেশ পাটিল ও সঞ্জয় দিনা পাটিল দিল্লিতে চলে গিয়েছিলেন। সেখানে তারা মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে ও তাঁর ছেলে শ্রীকান্তের সঙ্গে দেখা করেন। পরেরদিন সকালে তারা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন। এরপরে তারা স্পিকারের কাছে চিঠি জমা দিয়ে জানান যে একনাথ শিন্ডের শিবসেনার সঙ্গে তারা মিশে যাবেন। লোকসভায় তাদের বসার আসন যেন আলাদা করে দেওয়া হয়।
আজকের সাংবাদিক বৈঠকের পর ছয় বিদ্রোহী সাংসদ একনাথ শিন্ডের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। দরকার পড়লে তারা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে ফের দেখা করতে পারেন।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours