বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাবের চিঠিকে কেন্দ্র করে সেই বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে যে প্রস্তাব পাঠান, তাতে অনেক তৃণমূল বিধায়কের সই ‘জাল’ করা হয়েছে। আর এই অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ঋতব্রত।


জেতার দলে ভিড় জমানো সহজ, হেরোদের দলে টিকে থেকে লড়াই চালাতে দমের প্রয়োজন', অনেক কিছুই বলে ফেললেন ঋতব্রতর স্ত্রী
ডান দিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী


তাঁর স্বামী তৃণমূলের বিধায়ক। বিক্ষুদ্ধ। তাঁর হাত ধরেই তৈরি হয়েছে নতুুন তৃণমূল। যার পোশাকি নাম তৃণমূল ব্লক। তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে পাঠিয়েছিলেন। এরপর বিধায়কের টিকিট। আর দলের বিপর্যয়ের সময়ে সেই তিনিই নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে নয়া অস্তিত্ব স্থাপনের চেষ্টায় মত্ত! তৃণমূল এখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই তাঁর নামের আগে বসেছে ‘বিশ্বাসঘাতক’ তকমা। এহেন পরিস্থিতিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী দুর্বা সেন বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের সামাজিক মাধ্যমে করলেন একটি পোস্ট। যা শেয়ার করলেন কুণাল ঘোষ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যা যথেষ্টই ইঙ্গিতবাহী। দুর্বা মায়া অ্যাঞ্জেলুর বিখ্যাত পংক্তি উল্লেখ করে লিখলেন, “সাহস সব গুণের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সাহস ছাড়া অন্য কোনও গুণকে ধারাবাহিকভাবে চর্চা করা যায় না।”


আর এর ব্যাখ্যা দিতে দিয়ে এক ‘সাধু’ ও এক ‘যুবকের’ নীতিগল্পও উল্লেখ করেছেন তিনি।

থাকবে না 'এপাং, ওপাং' থেকে 'হাম্বা', রাজ্যের সব লাইব্রেরি থেকে সরছে মমতার বই, ঘোষণা মন্ত্রীর



বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাবের চিঠিকে কেন্দ্র করে সেই বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে যে প্রস্তাব পাঠান, তাতে অনেক তৃণমূল বিধায়কের সই ‘জাল’ করা হয়েছে। আর এই অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ঋতব্রত। এখন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ত্রয়োদশ বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাঁর এই দাবি ও সমর্থনের ভিত্তিতে স্পিকার বিধানসভায় তাঁর ঘরও খুলে দিয়েছেন। তাঁর হাত ধরেই এখন বিরোধীদের দখলে মমতার পরিষদীয় দল। কিন্তু এই হাজারও বিতর্কের মাঝে সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর ঋতব্রত রাজনৈতিক কেরিয়ার নতুন করে দিশা দেখেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। নির্বাচনের আগে ঋতব্রতকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সহযোদ্ধা’ হিসাবে পাশে থাকতে দেখা গিয়েছে। সেই ঋতব্রতই দলের দুঃসময়ে সুর চড়িয়েছেম দলের একনায়কতন্ত্র-দুর্নীতির বিরুদ্ধে। তৃণমূলের অন্দরেই সমান্তরাল একটি অক্ষরেখা তৈরি করেছেন।

এবার প্রশ্ন, তাহলে তাঁর স্ত্রী এই পোস্ট কার উদ্দেশে? যদিও পোস্টের নীতি তিনি লিখেছেন, “এই পোস্টটি একান্ত ব্যক্তিগত এবং এর সাথে রাজনীতির কোনো যোগ নেই।” 
এই পোস্টটাই শেয়ার করেছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বললেন, “পড়লাম, ভাল লাগল।”
Share To:
Next
This is the most recent post.
Previous
Older Post

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours