আশঙ্কা বেড়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তৎপরতায়। সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিয়ে যায় ইডি। তারপরই আশঙ্কা বেড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, কয়লা পাচার-কাণ্ডে নাম জড়ানোয় এর আগে একাধিকবার ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হয়েছিল তাঁকে।
গ্রেফতার হতে পারেন অভিষেক? তাই কি মমতার এই বড় সিদ্ধান্ত!
মমতা ও অভিষেক
মমতাকে নেত্রী মানতে রাজি, কিন্তু অভিষেক নৈব নৈব চ! এমনই মত তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক বিধায়ক অথবা হেরে যাওয়া প্রার্থীদের। কান পাতলেই এমন কথা শোনা যাচ্ছে দলের কাউন্সিলর থেকে পাড়ার নেতাদের মুখেও। কেউ কেউ একেবারে সোজাসাপ্টা ভাষায় বলে দিচ্ছেন, ‘অভিষেকের জন্যই দলটা শেষ হয়ে গেল।’ সেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) দলীয় পদে রেখে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), তবে ক্ষমতা রইল না আগের মতো। কেন অভিষেকের ক্ষমতা খর্ব হল? বাড়ছে জল্পনা।
কেন ক্ষমতা খর্ব হল অভিষেকের?
অভিষেককে জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে রাখলেও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে দলের দুই বর্ষীয়ান সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন ও দোলা সেনকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের ভরাডুবির দায় অভিষেকের। আরও দুজনকে দায়িত্ব দিয়ে সেটাই সম্ভবত বুঝিয়ে দিলেন মমতা। আবার কেউ বলছেন অন্য কোনও কারণ। হতে পারে, গ্রেফতারির আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত তৃণমূলের সর্বময় নেত্রীর।
কেন গ্রেফতারির আশঙ্কা অভিষেকের?
তৃণমূলের অন্দরে অন্য গুঞ্জন যেভাবে বিভিন্ন মামলায় ক্রমশ ঘিরে ফেলা হচ্ছে অভিষেককে, তাতে গ্রেফতারও হতে পারেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। পালাবদলের পর অভিষেকের বাড়ির নির্মাণের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দফায় দফায় নোটিস এসেছে কলকাতা পুরনিগমের তরফে। যদিও দুটি বাড়ির একটিও অভিষেকের নামে নেই।
তবে আশঙ্কা বেড়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তৎপরতায়। সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিয়ে যায় ইডি। তারপরই আশঙ্কা বেড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, কয়লা পাচার-কাণ্ডে নাম জড়ানোয় এর আগে একাধিকবার ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হয়েছিল তাঁকে।
গ্রেফতারির আশঙ্কা থেকেই কি পার্টির তরফে ডেরেক ও দোলাকে দায়িত্ব আগে থেকেই বণ্টন করে দেওয়া হল? কান পাতলেই এহেন চর্চা শোনা যাচ্ছে তৃণমূলের অন্দরে।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours