গণনাকেন্দ্রে ১৬৫ জন অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। সব মিলিয়ে মোট ২৪২ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন। তবে, কাউন্টিং হলের মধ্যে এরা কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। যাতে গোটা বিষয়ের উপর কড়া নজরদারি করা যায়, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যাতে গোটা প্রক্রিয়া হয়, তাই তাঁদের নিয়োগ করা হয়েছে।


গণনাকেন্দ্রের বাইরে টিনের পাত, নিরাপত্তায় ২৪২ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ কমিশনের
নির্বাচন কমিশন

দুই দফার নির্বাচন (WB Assembly Election 2026) মিটেছে কার্যত নির্বিঘ্নে। রেকর্ড ভোট পড়েছে। কমিশন বলছে মোটের উপর ভোট শান্তিপূর্ণ। কিন্তু ভোট মিটতেই স্ট্রং রুম নিয়ে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) স্ট্রং রুমে পাহারা দিয়েছেন। দলের নেতা-নেত্রীদের একই বার্তা দিয়েছেন। নেত্রীর বার্তা পেয়েই দলের প্রার্থীরা নিজেদের স্ট্র-রুমের বাইরে পাহারা দিচ্ছেন। তুলছেন বিস্তর অভিযোগ। শুধু তৃণমূল (TMC) নয়, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কর্মীরাও থাকছেন। গোটা বিষয়টা নিয়ে একটা চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে স্ট্রংরুম গুলোতে। এই আবহে ভোটের মতোই গণনাও নির্বিঘ্নে করতে কড়া পদক্ষেপ করেছে কমিশন। অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, গণনাকেন্দ্রে নিরাপত্তা আঁটসাটো করার জন্য ব্যবহার করা হল টিনের পাত।

কী নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের



গণনাকেন্দ্রে ১৬৫ জন অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। সব মিলিয়ে মোট ২৪২ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন। তবে, কাউন্টিং হলের মধ্যে এরা কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। যাতে গোটা বিষয়ের উপর কড়া নজরদারি করা যায়, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যাতে গোটা প্রক্রিয়া হয়, তাই তাঁদের নিয়োগ করা হয়েছে।

নিরাপত্তায় এবার টিনের পাত

যাদবপুরের গণনাকেন্দ্রের বাইরে টিনের পাত দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। যাদবপুর থানা থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট পর্যন্ত লম্বা রাস্তা পুরো টিনের পাত দেওয়া। মূলত গণনাকেন্দ্রের সামনের অংশ টিনের পাত দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। যাতে কোনও ভাবেই কেউ রাস্তা টপকে না চলে আসতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে গণনা কেন্দ্রের সামনের লম্বা রাস্তা টিনের পাত দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হল। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদেরও মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে ক্ষুদিরাম অনুশীলনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। একেবারে দুর্গে পরিণত করা হয় গোটা চত্বর। কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে সুউচ্চ গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয় সামনের অংশ। যাতে কেউ স্ট্রং রুমের মধ্যে ঢুকতে না পারে। ভিতরে কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি বাড়ানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্ট্রং রুমের ভিতরে যাঁরা ঢুকবেন, তাঁদের তল্লাশি করেই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours