মেয়র পারিষদ তারক সিং টিভি ৯ বাংলাকে বলেন, "আমি এটা ভাঙন বলে মানি না। এখন দলের যাঁরা নেতৃত্বে আছেন তাঁদের বসা উচিত বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে। আলোচনা করা উচিত এই বিক্ষুব্ধরা তৃণমূলে থাকবেন কি থাকবেন না। দল দ্বিধা বিভক্ত নিশ্চয়। এই নেতৃত্বকে মানব কি মানব না এটা আমাদেরই ঠিক করতে হবে।"
মঙ্গলে মমতা ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজের নির্দেশ দিয়েছিলেন, বুধের সকালে ইস্তফা দিতে হাজির অরূপ-সুশান্ত
অরূপ চক্রবর্তী-সুশান্ত
তৃণমূলের রক্তক্ষরণ অব্যাহত। এবার ভাঙন কলকাতা পুরসভায়। জানা যাচ্ছে, পুরসভার দায়িত্বে থাকা বেশ কিছু গুরুত্বপূরণ পদ ছাড়লেন তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ এবং অরূপ চক্রবর্তী। এর আগে দেবলীনা বিশ্বাস এই চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। আর এবার পদ ছাড়লেন সুশান্ত ও অরূপরা।
কী কী পদ ছাড়লেন?
প্রকাশিত হল অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্ম, করে ফেলুন অ্যাপ্লাই
জানা যাচ্ছে, ১২ নম্বর বোরোর চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সুশান্ত। পাশাপাশি ‘মিউনিসিপ্যাল অ্যাকাউন্টস কমিটির’ পদ ছাড়ছেন অরূপ চক্রবর্তী। এর আগে ৯ নম্বর বোরো চেয়ারম্যানের পদ ছেড়েছিলেন দেবলীনা। তবে সূত্রের খবর, শুধু দেবলীনা-অরূপ কিংবা সুশান্ত নয় আরও অনেকেই পদত্যাগ করতে পারেন বলে খবর।
গতকালই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন। তাঁদের ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তবে পরের দিনই দেখা গেল উল্টো ঘটনা। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেছিলেন, “আপনারা বসে আছেন কেন? কেন এখনও রাস্তায় নামছেন না? আপনারা ভুলে যাচ্ছেন কেন, আপনাদের বোর্ড এখনও নির্বাচিত। তাই মানুষের পরিষেবা দিন। রাস্তায় নামুন।” ঠিক এই ভাষাতেই পুনরায় সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মেয়র পারিষদ তারক সিং টিভি ৯ বাংলাকে বলেন, “আমি এটা ভাঙন বলে মানি না। এখন দলের যাঁরা নেতৃত্বে আছেন তাঁদের বসা উচিত বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে। আলোচনা করা উচিত এই বিক্ষুব্ধরা তৃণমূলে থাকবেন কি থাকবেন না। দল দ্বিধা বিভক্ত নিশ্চয়। এই নেতৃত্বকে মানব কি মানব না এটা আমাদেরই ঠিক করতে হবে।”
সজল ঘোষের কী বক্তব্য
তিনি বলেন, “খবর হওয়ার জন্য এইসব করছেন। যদি ছাড়ার থাকে তবে কাউন্সিলর পদ ছাড়ুন। তৃণমূল ছাড়ুন। মরার চুল কেটে কি আর মরার ওজন কমানো যায়?”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours