গঙ্গাসাগর মেলা ২০২৬-এর প্রস্তুতি সরোজমিনে খতিয়ে দেখলেন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা
আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলা ২০২৬-কে কেন্দ্র করে এবার দেড় কোটি পুণ্যার্থীর ভিড়ের আশঙ্কা করছে প্রশাসন। এই নজিরবিহীন জনপ্লাবন সামাল দিতে রাজ্য সরকারের প্রস্তুতির কাজ আজ সরোজমিনে দাঁড়িয়ে খতিয়ে দেখলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। বুধবার তিনি মেলা গ্রাউন্ড থেকে মুড়িগঙ্গা নদী পর্যন্ত সমস্ত কাজ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
প্রস্তুতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো মুড়িগঙ্গা নদীতে ৩০ কোটি টাকা বাজেটে ড্রেজিংয়ের কাজ। মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা জানান, পুণ্যার্থী পারাপার সহজ ও নিরাপদ করতে রাজ্য সরকারের সেচ দপ্তর এই গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুরু করেছে। ড্রেজিংয়ের ফলে মুড়িগঙ্গায় গভীরতা বাড়বে, যার ফলে ভেসেল চলাচল আরও মসৃণ ও দ্রুত হবে। এটি বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থীকে নিরাপদে পারাপার করতে সাহায্য করবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভেঙে যাওয়া ১ থেকে ৬ নম্বর স্নান ঘাটগুলির মেরামতির কাজও চলছে।
মন্ত্রী তাঁর পরিদর্শনের সময় জোর দেন উন্নত যাত্রী পরিষেবা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর। তিনি নিশ্চিত করেন যে, জলপথে ভেসেল এবং স্থলপথে বাস পরিষেবা বহুগুণ বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি, পুণ্যার্থীদের জন্য অতিরিক্ত যাত্রী নিবাস ও বাফার জোন তৈরি করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে মেলা প্রাঙ্গণে একাধিক অস্থায়ী হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং পর্যাপ্ত অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার সরাসরি তদারকিতে জেলা প্রশাসন নজিরবিহীন তৎপরতা শুরু করেছে। মেলা শুরুর আগেই কপিল মুনির আশ্রমে পুণ্যার্থীদের আগাম আগমন ইঙ্গিত দিচ্ছে, সাগরসঙ্গম এই বছর এক নতুন ইতিহাস গড়তে চলেছে।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours