গতকাল, শুক্রবারই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিল সিআইডি। '৪ তারিখ ডিজে বাজবে'- এই মন্তব্যের তদন্তে অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিতে আসে সিআইডি। তখন অভিষেক বাড়ি ছিলেন না।

ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, সাতসকালে অভিষেকের বাড়ির তালা ভেঙে ঢুকল শালবনী থানার পুলিশ, কী কারণে?
সাতসকালে অভিষেকের বাড়িতে পুলিশ।

টানটান উত্তেজনা। সাতসকালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়িতে গিয়ে কড়া নাড়ছে পুলিশ। কলকাতা পুলিশ নয়, সুদূর শালবনী (Salboni) থেকে এসেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। কোন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে আসতে হল জেলার পুলিশকেও, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। অভিষেকের বাড়িতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পুলিশ চলে যাওয়ার পর তিনি চলে যান।


ঝাড়গ্রাম থেকে এল পুলিশ-
আজ অভিষেকের বাড়িতে এল শালবনী থানার পুলিশ। কী কারণে তারা হঠাৎ অভিষেকের বাড়িতে এসেছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয় থানার পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও উপস্থিত রয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। গোটা বাড়ি ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

সেক্টর ফাইভে বিজেপির পার্টি অফিসে হাজির বিতর্কিত সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য
জানা গিয়েছে, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা এদিন তালা ভেঙে অভিষেকের বাড়িতে ঢোকেন। ভিতরে যান ঝাড়গ্রামের শালবনী থানার পুলিশ। কিছুক্ষণ পর শালবনী থানার পুলিশ বেরিয়ে এসে মিনিট পাঁচেক কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। বাড়ির ভিতরে অভিষেক আছেন বলেই অনুমান। বাড়িতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বাড়ির বাইরে ভিভিআইপি গাড়ি দেখা যায়, যেটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যবহার করেন। পুলিশ চলে যাওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বেরিয়ে যান।


কীসের তদন্তে এল শালবনী থানার পুলিশ?
সূত্রের খবর, অর্থের বিনিময়ে টিকিট দেওয়ার অভিযোগে তদন্ত করতে এসেছিল শালবনী থানার পুলিশ। অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ। সেই সূত্রেই অভিষেকের বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ তারা অভিষেকের বাড়ির ভিতরে ছিলেন। পরে তারা বেরিয়ে গেলেও, এখনও কলকাতা পুলিশ উপস্থিত রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন রয়েছে।

গতকাল, শুক্রবারই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিল সিআইডি। ‘৪ তারিখ ডিজে বাজবে’- এই মন্তব্যের তদন্তে অভিষেকের বাড়িতে নোটিস দিতে আসে সিআইডি। তখন অভিষেক বাড়ি ছিলেন না। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পর সিআইডি যখন চলে যায়, তখন আসেন অভিষেক। পরে আবার আসেন সিআইডির আধিকারিকরা। তবে নোটিস গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন অভিষেক। জানা গিয়েছে, ১৬ তারিখ সকাল ১১টায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours