এদিন বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকের বসেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সূত্রের খবর, বৈঠকের মধ্যেই মেয়রের ভূমিকা নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভের কথা জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, এর আগেও তিলজলায় বুলডোজার চলা নিয়ে মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে রীতিমতো তিরস্কার করেছিলেন মমতা।
অভিষেকের বাড়িতে নোটিসের কথা কেন আগে জানা গেল না?’ ফিরহাদের উপর বেজায় চটলেন মমতা
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর
অভিষেকের বাড়িতে কলকাতা পুরনিগমের নোটিস। এদিকে এই পুরনিগম এখন তৃণমূলের হাতে। কিন্তু তারপরেও কীভাবে কেউ কিছু জানতে পারলো না? চিন্তায় কার্যত ঘুম উড়ে গিয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সূত্রের খবর, বেজায় চটেছেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের উপর। কেন জানতে পারলেন না ফিরহাদ, পুরনিগমের ক্ষমতায় বসেও এই খবরগুলো কেন পাওয়া যাচ্ছে না, তা নিয়ে রীতিমত ক্ষুব্ধ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকের বসেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সূত্রের খবর, বৈঠকের মধ্যেই মেয়রের ভূমিকা নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভের কথা জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, এর আগেও তিলজলায় বুলডোজার চলা নিয়ে মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে রীতিমতো তিরস্কার করেছিলেন মমতা। এবার ফের একবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফিরহাদ হাকিমের উপর।
একইসঙ্গে ৯ নম্বর বরো থেকে সবক’টি নোটিস ইস্যু হয়েছে। বরো চেয়ারপার্সন দেবলীনা বিশ্বাস আদৌও কি নিজের দায়িত্ব পালন করেছে চেয়ারে বসে? কেন জানতে পারলেন না নোটিস ইস্যুর ব্যাপারে? সেটা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন দলীয় সুপ্রিমো।
নোটিস ঘিরে বোরো চেয়ারপার্সন যে চাপে ছিলেন তা আগেই স্পষ্ট হয়েছিল। সূত্রের খবর, এদিন দিনভর দলীয় নেতৃত্ব বারবার ফোন করে বরো চেয়ারপার্সনকে নানা কথা বলতে থাকে। রীতিমতো কাঠগড়ায় তোলা হয় দেবলীনাকে। সাংগঠনিকভাবে বরো চেয়ারপার্সন দুর্বল বলেও নেতৃত্ব দাগিয়ে দিতে শুরু করে। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিস্তর জলঘোলাও হয়। তাতে অপমানিত বোধ করে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করেন দেবলীনা। তিনি যদিও বলছেন, নোটিস বিল্ডিং বিভাগ পাঠায়। এতে চেয়ারপার্সনের কিছু করার নেই। একইসঙ্গে রীতিমতো ক্ষোভের সঙ্গেই বলেন, “অনৈতিক কাজ করব না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে দেখে রাজনীতি করেছি। কর্পোরেট স্টাইলে দল চলে না।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours