বর্তমানে বাড়িতেই রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন দু'জন চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা হচ্ছে তৃণমূল সাংসদের। আপাতত, স্যালাইন চলছে তাঁর। সঙ্গে দেওয়া হয়েছে ব্যথার ওষুধ (Pain killer)। খাবার আগে গ্যাসের ওষুধ খেতে হয়েছে। আর রাতের খাবারের ব্যথার ওষুধ।
গা বমি-বমি ভাব ছিল রাতে, চলেছে অক্সিজেন, বাড়িতেই চিকিৎসা অভিষেকের
হাসপাতালে অভিষেক
প্রথমে বাইপাসের ধারের বেসরকারি হাসপাতাল, পরে আরও একটি বেসরকারি হাসপাতাল ভর্তি নেয়নি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। কিন্তু ২ ঘণ্টা ইনটেনশিভ থেরাপি ইউনিট (ITU)-এ রাখার পর সাধারণ কিছু ওষুধ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। যদিও, তৃণমূল সুপ্রিমোর দাবি, বিজেপির চাপেই কোনও হাসপাতাল অভিষেককে ভর্তি নেয়নি।
বর্তমানে বাড়িতেই রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন দু’জন চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা হচ্ছে তৃণমূল সাংসদের। আপাতত, স্যালাইন চলছে তাঁর। সঙ্গে দেওয়া হয়েছে ব্যথার ওষুধ (Pain killer)। খাবার আগে গ্যাসের ওষুধ খেতে হয়েছে। আর রাতের খাবারের ব্যথার ওষুধ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, রাতেও অভিষেকের গা বমি ভাব ছিল। বেশ কিছুক্ষণ ধরে অক্সিজেন চলেছে ডায়মন্ড-হারবারের অভিষেকের। জানা যাচ্ছে, গতকাল গভীর রাত পর্যন্ত বাড়িতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি শুধু একা নন, রাত পর্যন্ত ছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ও।
কল্যাণের কাঁদো-কাঁদো মুখ, মনে করালেন সেই ডায়লগ, 'আয় সুকান্ত আয়...'
অভিষেকের ভর্তি নিয়ে কী অভিযোগ মমতার?
“আমি যখন ওই হাসপাতালের কর্তার সঙ্গে বসেছিলাম। তিনি আমাকে বলছিলেন, বিভিন্ন পুলিশের কাছ থেকে থ্রেট কল পাচ্ছেন। বিশেষ করে ডিসি সাউথ। সঙ্গে বিজেপি নেতারা। অভিষেককে ভর্তি না নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। চিকিৎসকরা দুঃখিত।” তারপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অভিষেককে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাড়ির মধ্যে হাসপাতালের মতো করা হচ্ছে। বাড়িই হাসপাতাল হবে।”
সোনারপুরে কী হয়েছে?
শনিবার সঞ্জু কর্মকার নামে মৃত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে দেখা করতে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পথেই কামালগাছি সিগন্যালে তাঁকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। ডিম-কাদা ছোড়া হয় তাঁকে লক্ষ্য করে।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours