জলন্ধরের পুলিশ কমিশনার ধনপ্রীত কৌর বলেন, "একটি অ্যাক্টিভা স্কুটার পার্ক করে রাখা ছিল। তাতে আগুন ধরে যায়। বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বিস্ফোরণের পিছনে কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না। সব দিক তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।"

অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তির আগেই দুই সেনাঘাঁটিতে জোড়া বিস্ফোরণ! নেপথ্যে কে?
বিস্ফোরণস্থল খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পঞ্জাবে দুই ঘণ্টায় পরপর দুটি বিস্ফোরণ। তাও আবার সেনাঘাঁটির কাছে। অপারেশন সিঁদুরের বর্ষপূর্তির ঠিক আগে পঞ্জাবে পরপর এই বিস্ফোরণে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সেনাঘাঁটির বাইরে এই বিস্ফোরণ হওয়ায়, উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

মঙ্গলবার রাতে পঞ্জাবের জলন্ধর ও অমৃতসরে বিস্ফোরণ হয়। প্রথম বিস্ফোরণটি হয় রাত ৮টা নাগাদ। জলন্ধরে বিসএফের হেডকোয়ার্টারের মেইন গেটের ঠিক সামনেই রাখা একটি স্কুটারে বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়। প্রায় ৩০০ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত বিস্ফোরণ বোঝা যায়। অনেক প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এক কিলোমিটার দূর অবধি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল। একাধিক গাড়ির ও দোকানের কাঁচ ভেঙে যায়।



জলন্ধরের পুলিশ কমিশনার ধনপ্রীত কৌর বলেন, “একটি অ্যাক্টিভা স্কুটার পার্ক করে রাখা ছিল। তাতে আগুন ধরে যায়। বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বিস্ফোরণের পিছনে কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না। সব দিক তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

পুলিশ ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। দমকল কর্মীরা জানিয়েছেন, ওই বিস্ফোরণ তুলনামূলকভাবে অনেক জোরাল ছিল। একটা স্কুটারের বিস্ফোরণ থেকে এতটা আগুন ছড়াতে পারে না। দমকলের একাধিক ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নেভায়।

ওই বিস্ফোরণের দুই ঘণ্টা পরে, অমৃসরের আত্তারি রোডে সেনা ক্যাম্পের দেওয়ালের ঠিক পাশে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণস্থল থেকে ধাতব শিটের কিছু টুকরো পাওয়া গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, কেউ বিস্ফোরক ডিভাইস সেনা ছাউনির ভিতরে ফেলার চেষ্টা করেছিল। তবে তা দেওয়ালে লেগে বিস্ফোরণ হয়।

দুটি বিস্ফোরণেই কেউ আহত হননি। তবে এই ঘটনায় যথেষ্ট উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পঞ্জাব কংগ্রেসের প্রধান অমরিন্দর সিং রাজাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours