ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। অবশেষে বিহারের রাজনীতিতে দীর্ঘ ২০ বছরের অধ্যায়ের অবসান ঘটল। মঙ্গলবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার।


তা নিয়েই এবার নতুন চর্চা দিল্লির রাজনীতিক আঙিনাতেও। মঙ্গলবার রাজ্যপাল সৈয়দ আতা হাসনাইনের সঙ্গে দেখা করে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন নীতীশ কুমার। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, রাজ্যপালের কাছে যাওয়ার আগে তিনি মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করেন। রাজ্যের মন্ত্রী রাম কৃপাল যাদব এই খবর নিশ্চিত করেছেন। 


তবে নীতীশ কুমার রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন না। তিনি ইতিমধ্যেই রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। শপথ গ্রহণও করেছেন। এখন নীতীশ কুমারের পদত্যাগের পর এখন সকলের নজর বিহারের পরবর্তী রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের দিকে। ২৪৩ সদস্যের বিহার বিধানসভায় বিজেপির হাতে ৮৯ জন বিধায়ক। তারাই বর্তমানে রাজ্যের একক বৃহত্তম দল। জেডিইউয়ের হাতে রয়েছে ৮৫ জন বিধায়ক। লোক জনশক্তি পার্টির হাতে ১৯ জন বিধায়ক। হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চার হাতে রয়েছে ৫ জন বিধায়ক। রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চার হাতে ৫ জন বিধায়ক। 



বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় বাবরি মসজিদ হবে না: অমিত শাহ
বর্তমানে ২০২ জন বিধায়ক নিয়ে এনডিএ জোটের শক্তিই সবথেকে বেশি। বিধানসভায় একক বৃহত্তম দল হিসেবে বিজেপিই এখন তাদের পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচনের জন্য বৈঠকে বসতে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে। নীতীশ কুমারের উত্তরসূরি হিসেবে কে বিহারের মসনদে বসবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনাও শুরু হয়েছে। ২০ বছর বিহারের হাল ধরে রাখার পর নীতীশ কুমারের রাজ্যসভায় পদার্পণ যে বিহারের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বড় মোড়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন দেখার, নতুন নেতৃত্বে বিহারের উন্নয়নের ধারা কতটা বজায় থাকে।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours