আর এই বদল নিয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, "বিজেপি এতদিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করল। এতদিন ভোট এলে সিবিআই-ইডি সকলে চলে আসত। এরপর এসআইআর করল। এই সব করে ভোটের সংখ্যা কমাল। তারপর বাংলার আইএএস-আইপিএসদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা। সবটা বাংলার মানুষ দেখছেন। এটা অত্যন্ত অসম্মান জনক। এটার প্রয়োজন ছিল না। যাঁরা এসেছেন তাঁরাও যোগ্য, যাঁরা ছিলেন তাঁরাও যোগ্য।"
নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বদল হয়েছেন রায়গঞ্জের ডিআইজি রাথোর অমিত কুমার ভরত, মুর্শিদাবাদের ডিআইজি অজিত সিং যাদব, বর্ধমানের ডিআইজি শ্রীহরি পান্ডেকেও বদল করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি কঙ্কর প্রসাদ বাউরিকে বদলে দেওয়া হয়েছে। বদল হয়েছে জলপাইগুড়ি রেঞ্চের ডিআইজি অঞ্জলী সিং। অপরদিকে, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, নদিয়া উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা, দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসকদের বদল করা হয়েছে। আর নতুন যাঁরা এসেছেন সেই তালিকাও কার্যত চমকপ্রদ। রনধীর কুমার, স্মিতা পাণ্ডে, আর অর্জুন। এরা কমিশনের কাজ করেছেন। এরা রোল অবজারভার ছিলেন। এদের উপরই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়ায়।
আর এই বদল নিয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, “বিজেপি এতদিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করল। এতদিন ভোট এলে সিবিআই-ইডি সকলে চলে আসত। এরপর এসআইআর করল। এই সব করে ভোটের সংখ্যা কমাল। তারপর বাংলার আইএএস-আইপিএসদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা। সবটা বাংলার মানুষ দেখছেন। এটা অত্যন্ত অসম্মান জনক। এটার প্রয়োজন ছিল না। যাঁরা এসেছেন তাঁরাও যোগ্য, যাঁরা ছিলেন তাঁরাও যোগ্য।” বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “যতদিন এরা প্রশাসনে ছিলেন ততদিন সরকারের হয়ে ছিলেন। সব থেকে বড় প্রমাণ হল আরজি করের তথ্য প্রমাণ লোপাট।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours