ঘটনার পর মনিরুলের বক্তব্য, "হিন্দু ভাইরা আমায় বলছে, রামের নাম শুনলে বলছে আপনার কিছু লাগবে না, আর রহিমের নাম শুনলে তখন চোদ্দ গুষ্ঠির খতিয়ান চাই। এই দ্বিচারিতা চলবে না। আমরা সকলে এই দেশকে স্বাধীন করেছি। যদি ফরাক্কার মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে গুলি খেতে হয় এই মণিরুল ইসলাম গুলি খাবেন প্রথমে।"
কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করুন', ফরাক্কার ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ শুভেন্দুর
শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা
ফরাক্কার ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করার আর্জি জানালেন তিনি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্টও করেছেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, ফারাক্কার ঘটনা মহা জঙ্গলরাজের উদাহরণ। নির্বাচন কমিশন সংবিধান বর্ণিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে। অরাজকতা থেকে গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত করুন। জ্ঞানেশ কুমারকে আর্জি বিরোধী দলনেতার।
বুধবার এক বেনজির দৃশ্যের সাক্ষী থাকে বাংলা। ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। সকাল থেকেই বিডিও অফিসের বাইরে বিক্ষোভ দেখান বিধায়ক ও তাঁর অনুগামীরা। ‘SIR মানছি না মানব না’ এই স্লোগান তুলে বিডিও অফিসের সামনে প্রথমে চলছিল অবস্থান-বিক্ষোভ। বেলা গড়াতেই তা উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরবর্তীতে অফিসের ভিতরে ঢুকে বিধায়কের নেতৃত্বে ভাঙচুরের অভিযোগ। সরকারি অফিস ভাঙচুরের নেতৃত্ব দিতে যায় খোদ শাসকদলেরই বিধায়ককেই, যা ঘিরে তুমুল বিতর্ক।
ঘটনার পর মনিরুলের বক্তব্য, “হিন্দু ভাইরা আমায় বলছে, রামের নাম শুনলে বলছে আপনার কিছু লাগবে না, আর রহিমের নাম শুনলে তখন চোদ্দ গুষ্ঠির খতিয়ান চাই। এই দ্বিচারিতা চলবে না। আমরা সকলে এই দেশকে স্বাধীন করেছি। যদি ফরাক্কার মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে গুলি খেতে হয় এই মণিরুল ইসলাম গুলি খাবেন প্রথমে।” এতসবের পর বিডিও-র কোনও প্রতিক্রিয়া বুধবার পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ খোলেন। তবে তাঁর বক্তব্য, “আমি তখন পাশের ঘরে ছিলাম।”


Post A Comment:
0 comments so far,add yours