নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণার সময়ই জানিয়েছিল, ফল ঘোষণার পরও ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে বাংলায় মোতায়েত থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেইমতো কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে রাজ্যে। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ভাঙচুর, সংঘর্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

 ফল বেরতেই উত্তপ্ত সন্দেশখালি, সংঘর্ষ রুখতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ন্যাজাট থানার ওসি
ন্যাজাট থানার OC ভরত প্রসূন পুরকায়েত

রক্তপাতহীন ভোট-পর্ব দেখেছে বাংলা। কিন্তু, ফল বেরতেই বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে আসছে। এবার দুই দলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হলেন ন্যাজাট থানার ওসি। শুধু ওসি নন, আরও দু’জন পুলিশকর্মী এবং দু’জন সিআরপিএফ জওয়ান গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

কী হল সন্দেশখালিতে?



পুলিশের বক্তব্য, গতকাল রাতে সন্দেশখালির ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি এলাকায় দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পায় তারা। একটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছতেই দুষ্কৃতীরা গুলি চালায়। একটি বাড়ির ভিতর থেকে গুলি চালানো হয়। ন্যাজাট থানার ওসি ভরত প্রসূন পুরকায়েতেরে পায়ে গুলি লাগে। এছাড়া একজন মহিলা কনস্টেবল-সহ দুই পুলিশকর্মী গুলিবিদ্ধ হন। শুধু তাই নয়, সিআরপিএফের দুই জওয়ানেরও গুলি লাগে।

ন্যাজাট থানার ওসি-সহ আহতদের কলকাতা চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। এদিকে, ঘটনা ঘিরে রাত থেকে এলাকায় থমথমে পরিবেশ এলাকায়। বুধবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, কয়েক রাউন্ড গুলি ও তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণার সময়ই জানিয়েছিল, ফল ঘোষণার পরও ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে বাংলায় মোতায়েত থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেইমতো কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে রাজ্যে। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ভাঙচুর, সংঘর্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিজেপি নেতৃত্ব অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছে, কোথাও ভাঙচুর, অন্য দলের পার্টি অফিস দখল বরদাস্ত করা হবে না। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারও উস্কানিদাতা এবং ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours