শিশির অধিকারী বললেন, "১৯৭১ সালে ইন্দিরা গান্ধী শুভেন্দু অধিকারীকে হেলিকপ্টারে তুলে পালিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। দ্বিতীয় বরকত সাহেব তিন বার ওকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। বলেছিলেন, কাছে রেখে পড়াশোনা করাবেন, বড় করবেন। দুই ভাই... বড় ভাই একটু শ্যামলা। আর ও একটু ফর্সা। কিন্তু তার মা তো তাকে কখনও ছাড়বে না। মা কখনও বাড়ি থেকে ছাড়বে না।"


 'ও একটু ফর্সা, ওকে হেলিকপ্টারে তুলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী', আজকের দিনে দাঁড়িয়ে কী বললেন শিশির?
শিশির অধিকারী ও শুভেন্দু অধিকারী

বাংলায় নবম মুখ্যমন্ত্রী হলেন শুভেন্দু অধিকারী। শ্যামাপ্রসাদের বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী তিনি। আজ, আবেগে ভাসল ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড! আর খুশির আবহে কার্যত উৎসবের মেজাজ পূর্ব মেদিনীপুরে। জেলা জুড়ে সাজো সাজো রব। ছেলে শপথ নিলেন, বাড়ির লিভিং রুমে বসে সেই মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন বাবা শিশির অধিকারী। টিভিতে দেখলেন গোটা পর্ব। আর আবেগে ভাসলেন। তারপরই সাংবাদিকরা ঘিরে ধরলেন তাঁকে। হাজারও প্রশ্ন। সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন শিশির। তুলে ধরলেন শুভেন্দুর ছোটবেলার বহু অজানা কথাও।

শিশির অধিকারী বললেন, “১৯৭১ সালে ইন্দিরা গান্ধী শুভেন্দু অধিকারীকে হেলিকপ্টারে তুলে পালিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। দ্বিতীয় বরকত সাহেব তিন বার ওকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। বলেছিলেন, কাছে রেখে পড়াশোনা করাবেন, বড় করবেন। দুই ভাই… বড় ভাই একটু শ্যামলা। আর ও একটু ফর্সা। কিন্তু তার মা তো তাকে কখনও ছাড়বে না। মা কখনও বাড়ি থেকে ছাড়বে না।”


শুভেন্দু যে ছোট থেকেই অধিকারী পরিবারের ধ্যানধারণা নিয়ে বড় হয়েছেন, সেটা আজ পর্যন্তও বহন করে নিয়ে চলেছেন বলে জানালেন বাবা। শিশির অধিকারী বলেন, ” আমাদের পরিবারের যে ধরন, সেটা ওর মধ্যে রয়েছে। কতটা এগোতে হবে, কতটা পিছোতে হবে, সেটা ও জানে।”

কিন্তু ছেলের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে কেন ব্রিগেডে গেলেন না? প্রশ্ন করতেই তিনি বলেন, “আমি যেতেই পারতাম। কিন্তু এই ভিড়ের মধ্যে কোথায় কী হবে, কে আবার আমাকে টার্গেট করে নেবে, আমি টিভিতেই দেখছি।” তাঁর মতে, বাংলাকে সোনার বাংলা গড়ে তুলতে অনেক শ্রম দিতে হবে, সব থেকে বেশি প্রয়োজন দিল্লির শুভেচ্ছা।
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours