বলা বাহুল্য, গত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা পদে থেকে বারবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে হিংসার অভিযোগ তুলেছিলেন শুভেন্দু। তবে শুভেন্দুর হাসি দেখেই, নওশাদ বলে ওঠেন, "আমি বিজেপিকে দরাজ সার্টিফিকেট দিচ্ছি না।" উল্লেখ করেন, এবারও অনেক ধর্মস্থান আক্রান্ত হয়েছে, বিজেপি যেন সেটা লক্ষ্য রাখে।

নওশাদের একের পর এক কথা শুনে মুখে হাসি শুভেন্দুর, টেবিল চাপড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী
বিধানসভায় নওশাদের বক্তৃতা

বিজেপি সরকারের প্রথম বিধানসভা অধিবেশনের শুরুতেই নতুন ‘যুগে’র বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধীদের কন্ঠরোধ করা হবে না বলে আশ্বাসও শোনা গিয়েছে তাঁর প্রথম বক্তৃতায়। আর এদিন যখন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী বক্তব্য রাখতে ওঠেন, তখন তাঁর বেশ কিছু বক্তব্যেই কার্যত সমর্থন জানাতে দেখা যায় শুভেন্দু অধিকারীকে। টেবিল চাপড়ে সেই সমর্থন জানান তিনি।

নওশাদের বক্তব্য সমর্থন শুভেন্দুর
এদিন নওশাদের আগেই বক্তব্য রাখতে উঠে একুশের ‘ভোট পরবর্তী হিংসা’র কথা মনে করিয়ে দেন বিধায়ক তাপস রায়। এরপরই ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ উঠে বলেন, “আজ তাপস রায় যা বলেছেন, তা খুব একটা ফেলে দেওয়ার নয়।” ২১-এর কথা উল্লেখ করে নওশাদ বলেন, “২০২১ সালে ভোটের জেতার পর, ৬ মাস এমন দিন পার করেছি, যখন ভেবেছিলাম, আমি ইস্তফা দিয়ে দিই, যাতে আমার ছেলেগুলোর উপর অত্যাচার বন্ধ হয়।”



এ কথা শুনেই সমর্থনের হাসি হাসেন মুখ্যমন্ত্রী। বলা বাহুল্য, গত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা পদে থেকে বারবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে হিংসার অভিযোগ তুলেছিলেন শুভেন্দু। তবে শুভেন্দুর হাসি দেখেই, নওশাদ বলে ওঠেন, “আমি বিজেপিকে দরাজ সার্টিফিকেট দিচ্ছি না।” উল্লেখ করেন, এবারও অনেক ধর্মস্থান আক্রান্ত হয়েছে, বিজেপি যেন সেটা লক্ষ্য রাখে।

এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এতদিন বিরোধীরা চিঠি দিলে তার প্রাপ্তি শিকার করা হত না। নওশাদও সে কথা সমর্থন করে বলেন, “আমাদের চিঠির প্রাপ্তি শিকার করা হত না। এবার মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন প্রাপ্তি শিকার করা হবে।” মুখ্যমন্ত্রীর লাইভ স্ট্রিমিং-এর সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানান তিনি। বলেন, “আমাদের বক্তব্য শাসকের পছন্দ হয়নি চীৎকার কে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, আশা করি ওই দিন আর আসবে না। মানুষের স্বার্থে আমাদের দাবিগুলো পূরণ করবেন। আমরাও অহেতুক বিরোধিতা করব না। মানুষের স্বার্থে আমাদের দাবিগুলো পূরণ করবেন।”
Share To:

kakdwip.com

Post A Comment:

0 comments so far,add yours