দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি বিধানসভার মথুরাপুর ২ নম্বর ব্লক এলাকায় সরকারি ত্রাণ সামগ্রী মজুত ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, কোম্পানির ঠেক বাণীতলা পোল এলাকার নিমাই পুরকাইতের বন্ধ রাইস মিলে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি হাঁড়ি, স্টোভ ও বিভিন্ন ত্রাণ কিটস মজুত করে রাখা হয়েছিল।
বুধবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি জানতে পেরে মিল চত্বরে বিক্ষোভ দেখান। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রায়দিঘি থানা এবং ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রায়দিঘির বিজেপির প্রার্থী পলাশ রানা, তিনি ওই গোডাউনে গিয়ে দেখেন বস্তা বস্তা কিডস মজুদ করা আছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ও ঘূর্ণিঝড় আমফান-এ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য পাঠানো সরকারি ত্রাণের একটি বড় অংশ সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছায়নি। অভিযোগ, সেই সমস্ত সামগ্রী ৪০ হাজার কিটস গোপনে মজুত করে রাখা হয়েছিল বন্ধ মিলের ভিতরে।
এদিন বিজেপি নেতা পলাশ রানার দাবি , ২০২০ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সাহায্যের পাশাপাশি চাল, কেরোসিন তেল, ত্রিপল এবং রান্নার সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, সেই সমস্ত রান্না ঘরের সরকারি কিটস গরিব মানুষের মধ্যে বিলি না করে মথুরাপুর ২ নম্বর ব্লকের ওই বন্ধ রাইস মিলে প্রায় ৬ বছর ধরে ফেলে রাখা হয়েছে, যার ফলে বহু সামগ্রী নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তৃণমূল নেতৃত্বের নির্দেশে ওই সামগ্রী সরিয়ে বিক্রির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। বিজেপি সূত্রে দাবি, শিলিগুড়ি ও মালদা মিলিয়ে প্রায় ৪০ হাজার সরকারি কিটস ওই গোডাউনে মজুত ছিল। ঘটনার বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে অভিযোগ জানানো হবে বলেও জানিয়েছেন পলাশ রানা। তবে এ বিষয়ে প্রশাসনের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


Post A Comment:
0 comments so far,add yours